ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ভিজিল্যান্স টিমের দায়িত্ব পালনকারী এক ডিনের সম্মানী অন্য ডিনের পকেটে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ড. মো. আব্দুস সামাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ৩০ জুন থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে তিনি ভিজিল্যান্স টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু তাঁর সেই সম্মানী এখনো তিনি পাননি।
অভিযোগে ড. সামাদ উল্লেখ করেন, ‘ভিজিল্যান্স টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্ধারিত সম্মানী আমি এখনো পাইনি। তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি।’
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে ড. আব্দুস সামাদের মেয়াদ শেষ হয় এবং পরবর্তী সময়ে ড. রেজওয়ানুল ইসলাম নতুন ডিন হিসেবে নিয়োগ পান। ২০২৩ সালের মার্চে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ভিজিল্যান্স টিমের সদস্যদের সম্মানী বাবদ ৬৫ হাজার টাকার একটি চেক আসে, যা গ্রহণ করেন ড. রেজওয়ানুল ইসলাম, যিনি তখন দায়িত্বে ছিলেন।
তবে অর্থ বণ্টন উপকমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই সম্মানী টাকার প্রাপ্য ছিল সাবেক ডিন ড. সামাদ। কিন্তু সাবেক আরেক ডিন ড. রেজওয়ানুল ইসলাম ওই টাকা ফেরত দেননি। তাঁর মতে, ‘সাবেক ডিনের আমলে শুধু ভর্তি পরীক্ষা হয়েছিল। আমার সময়ে ভর্তিসংক্রান্ত অন্যান্য কাজও হয়েছিল। তাই আমি সম্মানীটি অর্ধেক ভাগ করে নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উনি সেটা গ্রহণ করেননি।’
ড. রেজওয়ানুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমি তা মেনে নেব।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইবির অর্থ ও হিসাব শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আনার পাশা আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ভিজিল্যান্স টিমের দায়িত্ব পালনকারী এক ডিনের সম্মানী অন্য ডিনের পকেটে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি নজিরবিহীন ঘটনা বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ড. মো. আব্দুস সামাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ৩০ জুন থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে তিনি ভিজিল্যান্স টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু তাঁর সেই সম্মানী এখনো তিনি পাননি।
অভিযোগে ড. সামাদ উল্লেখ করেন, ‘ভিজিল্যান্স টিমের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্ধারিত সম্মানী আমি এখনো পাইনি। তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি।’
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৩ নভেম্বর জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন হিসেবে ড. আব্দুস সামাদের মেয়াদ শেষ হয় এবং পরবর্তী সময়ে ড. রেজওয়ানুল ইসলাম নতুন ডিন হিসেবে নিয়োগ পান। ২০২৩ সালের মার্চে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ভিজিল্যান্স টিমের সদস্যদের সম্মানী বাবদ ৬৫ হাজার টাকার একটি চেক আসে, যা গ্রহণ করেন ড. রেজওয়ানুল ইসলাম, যিনি তখন দায়িত্বে ছিলেন।
তবে অর্থ বণ্টন উপকমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই সম্মানী টাকার প্রাপ্য ছিল সাবেক ডিন ড. সামাদ। কিন্তু সাবেক আরেক ডিন ড. রেজওয়ানুল ইসলাম ওই টাকা ফেরত দেননি। তাঁর মতে, ‘সাবেক ডিনের আমলে শুধু ভর্তি পরীক্ষা হয়েছিল। আমার সময়ে ভর্তিসংক্রান্ত অন্যান্য কাজও হয়েছিল। তাই আমি সম্মানীটি অর্ধেক ভাগ করে নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উনি সেটা গ্রহণ করেননি।’
ড. রেজওয়ানুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমি তা মেনে নেব।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইবির অর্থ ও হিসাব শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আনার পাশা আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভর্তি পরীক্ষা কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে