ইবি প্রতিনিধি

তৃতীয় বর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিতে এসে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতা। আজ বুধবার আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের হাত থেকে ছাড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান তাঁদের ইবি থানায় সোপর্দ করেন।
থানা হেফাজতে থাকা দুই শিক্ষার্থী হলেন শাখা ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহিন পাশা ও নাট্য ও বিতর্ক সম্পাদক আল আমিন সুইট। তাঁরা দুজনই আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের তৃতীয় বর্ষের স্থগিত হওয়া সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা ভবনের নিচে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় ওই দুই ছাত্রলীগ নেতা পরীক্ষা দিয়ে বের হলে তাঁরা উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন। বিভাগের শিক্ষকেরা পরিস্থিতি বুঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনে ক্যাম্পাস থেকে তাঁদের বের করার উদ্যোগ নেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, বিভাগের শিক্ষক এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত হয়ে তাঁদের নিরাপত্তা দিয়ে থানায় সোপর্দ করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিভিন্ন সময় ক্যাম্পাসে এই দুই নেতা প্রভাব বিস্তার করেছে। ছাত্র আন্দোলনে দুই নেতা সরাসরি বিরোধিতা করেছেন। এ রকম কাউকে ক্যাম্পাসে এসে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘আমি জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের ওপর যাতে মব জাস্টিস না হয় সেটাকে গুরুত্ব দিয়েছি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা–কর্মীরা মিলে আমরা তাদের নিরাপদে থানায় সোপর্দ করেছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমান বলেন, ‘দুজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে আসলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আটক করে। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা তাঁদের উদ্ধার করে আমাদের কাছে নিয়ে আসে। আমরা গ্রহণ করেছি। আমাদের ডেটাবেইসে যদি তাঁদের নামে কোনো অভিযোগ থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।’

তৃতীয় বর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিতে এসে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতা। আজ বুধবার আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর এই ঘটনা ঘটে। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের হাত থেকে ছাড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান তাঁদের ইবি থানায় সোপর্দ করেন।
থানা হেফাজতে থাকা দুই শিক্ষার্থী হলেন শাখা ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহিন পাশা ও নাট্য ও বিতর্ক সম্পাদক আল আমিন সুইট। তাঁরা দুজনই আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের তৃতীয় বর্ষের স্থগিত হওয়া সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা ভবনের নিচে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় ওই দুই ছাত্রলীগ নেতা পরীক্ষা দিয়ে বের হলে তাঁরা উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন। বিভাগের শিক্ষকেরা পরিস্থিতি বুঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনে ক্যাম্পাস থেকে তাঁদের বের করার উদ্যোগ নেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, বিভাগের শিক্ষক এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত হয়ে তাঁদের নিরাপত্তা দিয়ে থানায় সোপর্দ করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিভিন্ন সময় ক্যাম্পাসে এই দুই নেতা প্রভাব বিস্তার করেছে। ছাত্র আন্দোলনে দুই নেতা সরাসরি বিরোধিতা করেছেন। এ রকম কাউকে ক্যাম্পাসে এসে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘আমি জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের ওপর যাতে মব জাস্টিস না হয় সেটাকে গুরুত্ব দিয়েছি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা–কর্মীরা মিলে আমরা তাদের নিরাপদে থানায় সোপর্দ করেছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমান বলেন, ‘দুজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে আসলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আটক করে। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা তাঁদের উদ্ধার করে আমাদের কাছে নিয়ে আসে। আমরা গ্রহণ করেছি। আমাদের ডেটাবেইসে যদি তাঁদের নামে কোনো অভিযোগ থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে