ইবি প্রতিনিধি

টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের কণ্ঠের মতো একটি অডিও প্রকাশিত হয়েছে। অডিওতে উপাচার্যকে ‘আগের সব শিক্ষক নিয়োগ টাকায় হয়েছে’ এমন কথা বলতে শোনা যায়। এই অডিওর ব্যাপারে উপাচার্যের অবস্থান জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে শিক্ষক সমিতি।
আজ শনিবার এক বিবৃতিতে শিক্ষক সমিতি এই অনুরোধ জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অডিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কথোপকথন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ওই অডিওতে উপাচার্যের মন্তব্যে শিক্ষক সমিতি হতবাক। এ ধরনের মন্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে বলে শিক্ষক সমিতি মনে করে। প্রচারিত অডিওর বক্তব্যের বিষয়ে উপাচার্যকে অবস্থান জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে শিক্ষক সমিতি মনে করে, অডিওটার কণ্ঠ উপাচার্যের। তাই আমরা বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্বে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছি যে উপাচার্য ক্যাম্পাসে আসামাত্র তাঁর অবস্থান যেন পরিষ্কার করেন। তিনি যেটা জানাবেন তাঁর ওপর ভিত্তি করে আমরা পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করব।’
এদিকে একই ঘটনায় আরেকটি বিবৃতি দিয়েছে প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম। শাপলা ফোরামের বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি মিসেস সালাম নামের আইডিতে পোস্ট করা উপাচার্যের একটি অডিও শাপলা ফোরামের নজরে এসেছে। ওই অডিওতে তাঁর যে কণ্ঠ এসেছে, সেখানে তিনি তাঁর সময়ের আগে ইবির সব শিক্ষক টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, এমনকি নির্মাণকাজের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারেরা পর্যন্ত টাকা লেনদেনের সঙ্গে জড়িত। এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিনরা কোনো কাজ না করে বঙ্গবন্ধুর নামে ‘জিকির’ করেন বলে ওই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি অডিওতে উপাচার্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের নিয়োগ বোর্ডের প্রশ্ন আগেই ফাঁস করেছেন বলে প্রতিয়মান হয়। প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম যখন মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সর্বক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীলতার চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিয়োগকৃত উপাচার্য কর্তৃক এহেন মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে শাপলা ফোরাম মনে করে।
অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়ে ঢালাওভাবে এ ধরনের মন্তব্য করা কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং শাপলা ফোরাম এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ওই অডিও উপাচার্যের কি না, সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদানসহ তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য শাপলা ফোরাম আহ্বান জানাচ্ছে।
এ ব্যাপারে প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, শাপলা ফোরাম মনে করে অডিওটি উপাচার্যের।

টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের কণ্ঠের মতো একটি অডিও প্রকাশিত হয়েছে। অডিওতে উপাচার্যকে ‘আগের সব শিক্ষক নিয়োগ টাকায় হয়েছে’ এমন কথা বলতে শোনা যায়। এই অডিওর ব্যাপারে উপাচার্যের অবস্থান জানানোর জন্য অনুরোধ করেছে শিক্ষক সমিতি।
আজ শনিবার এক বিবৃতিতে শিক্ষক সমিতি এই অনুরোধ জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত অডিওতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কথোপকথন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ওই অডিওতে উপাচার্যের মন্তব্যে শিক্ষক সমিতি হতবাক। এ ধরনের মন্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে বলে শিক্ষক সমিতি মনে করে। প্রচারিত অডিওর বক্তব্যের বিষয়ে উপাচার্যকে অবস্থান জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে শিক্ষক সমিতি মনে করে, অডিওটার কণ্ঠ উপাচার্যের। তাই আমরা বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্বে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছি যে উপাচার্য ক্যাম্পাসে আসামাত্র তাঁর অবস্থান যেন পরিষ্কার করেন। তিনি যেটা জানাবেন তাঁর ওপর ভিত্তি করে আমরা পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করব।’
এদিকে একই ঘটনায় আরেকটি বিবৃতি দিয়েছে প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম। শাপলা ফোরামের বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি মিসেস সালাম নামের আইডিতে পোস্ট করা উপাচার্যের একটি অডিও শাপলা ফোরামের নজরে এসেছে। ওই অডিওতে তাঁর যে কণ্ঠ এসেছে, সেখানে তিনি তাঁর সময়ের আগে ইবির সব শিক্ষক টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারী, এমনকি নির্মাণকাজের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারেরা পর্যন্ত টাকা লেনদেনের সঙ্গে জড়িত। এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিনরা কোনো কাজ না করে বঙ্গবন্ধুর নামে ‘জিকির’ করেন বলে ওই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি অডিওতে উপাচার্য আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের নিয়োগ বোর্ডের প্রশ্ন আগেই ফাঁস করেছেন বলে প্রতিয়মান হয়। প্রগতিশীল শিক্ষকদের সংগঠন শাপলা ফোরাম যখন মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সর্বক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রগতিশীলতার চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিয়োগকৃত উপাচার্য কর্তৃক এহেন মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে বলে শাপলা ফোরাম মনে করে।
অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়ে ঢালাওভাবে এ ধরনের মন্তব্য করা কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং শাপলা ফোরাম এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ওই অডিও উপাচার্যের কি না, সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদানসহ তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য শাপলা ফোরাম আহ্বান জানাচ্ছে।
এ ব্যাপারে প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, শাপলা ফোরাম মনে করে অডিওটি উপাচার্যের।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে