Ajker Patrika

দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে ভূরুঙ্গামারীতে মানববন্ধন, চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
আপডেট : ২০ জুন ২০২৬, ১৫: ২১
দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে ভূরুঙ্গামারীতে মানববন্ধন, চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি
আজ দুপুরে ভাঙনকবলিত পাইকডাঙ্গা এলাকায় কয়েক শ নারী-পুরুষ মানববন্ধন করেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা এলাকায় দুধকুমার নদের ভয়াবহ ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে পৃথক ‘চরবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠনের দাবি জানান বক্তারা।

শনিবার দুপুরে ভাঙনকবলিত পাইকডাঙ্গা এলাকায় আয়োজিত কর্মসূচিতে কয়েক শ নারী-পুরুষ অংশ নেন। কর্মসূচির আয়োজন করে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদ।

উপজেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আশরাফুল হক রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আখের, দপ্তর সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ইউসুফ, সহসভাপতি গোলাম ইয়াসিন এবং কচাকাটা থানা কমিটির সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস চঞ্চল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, দুধকুমার নদসহ কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ-নদীর অন্তত ৩৬টি স্থানে তীব্র ভাঙন চলছে। গত এক দশকে জেলার লক্ষাধিক মানুষ নদীগর্ভে বসতভিটা হারিয়ে বারবার স্থানান্তরে বাধ্য হয়েছেন। অথচ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঠিক পরিসংখ্যান ও পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা থাকলেও বাংলাদেশে অধিকাংশ ভাঙনকবলিত পরিবার প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়। চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে পৃথক চরবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবিও জানান তিনি।

সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে পাইকডাঙ্গা এলাকায় দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে স্থায়ী তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত