কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম পৌর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম সোহান (৪০) হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ সোমবার সকালে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এসএম ছানালাল বকসী, সাংস্কৃতিক সংগঠক দুলাল বোস, সুব্রতা রায়, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আনিছুর রহমান চাঁদ, রেদওয়ানুল হক দুলাল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওয়াহিদুন্নবী সাগর, নিহত সোহানের বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনসহ স্থানীয় লোকজন। বক্তারা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
নিহত সোহানের চাচা মো. নুর ইসলাম বলেন, ‘সোহানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সোহানের হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত ছাত্রলীগ নেতা বিন্দু ও তাঁর সহযোগীদের দ্রুত বিচার দাবি করছি।’
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সোহানের মৃত্যুর ঘটনায় রেজভি কবির চৌধুরী বিন্দু ও ঝিনুক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাঁদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে তিন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ অন্য নেতা-কর্মীদের মারধরে নিহত হন আওয়ামী লীগ নেতা সোহান। এই ঘটনায় সোহানের স্ত্রী বাদী হয়ে সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রেজভি কবির চৌধুরী বিন্দু ও কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ঝিনুকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ শুক্রবার রাতেই মূল অভিযুক্ত বিন্দু ও ঝিনুককে গ্রেপ্তার করে। পরে শনিবার তাঁদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁদের রিমান্ড শেষে আদালতে নেওয়া হবে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

কুড়িগ্রাম পৌর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম সোহান (৪০) হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ সোমবার সকালে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পৌর মেয়র কাজিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এসএম ছানালাল বকসী, সাংস্কৃতিক সংগঠক দুলাল বোস, সুব্রতা রায়, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আনিছুর রহমান চাঁদ, রেদওয়ানুল হক দুলাল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওয়াহিদুন্নবী সাগর, নিহত সোহানের বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনসহ স্থানীয় লোকজন। বক্তারা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
নিহত সোহানের চাচা মো. নুর ইসলাম বলেন, ‘সোহানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সোহানের হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত ছাত্রলীগ নেতা বিন্দু ও তাঁর সহযোগীদের দ্রুত বিচার দাবি করছি।’
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, সোহানের মৃত্যুর ঘটনায় রেজভি কবির চৌধুরী বিন্দু ও ঝিনুক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাঁদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে তিন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ অন্য নেতা-কর্মীদের মারধরে নিহত হন আওয়ামী লীগ নেতা সোহান। এই ঘটনায় সোহানের স্ত্রী বাদী হয়ে সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রেজভি কবির চৌধুরী বিন্দু ও কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি ঝিনুকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ শুক্রবার রাতেই মূল অভিযুক্ত বিন্দু ও ঝিনুককে গ্রেপ্তার করে। পরে শনিবার তাঁদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আগামীকাল মঙ্গলবার তাঁদের রিমান্ড শেষে আদালতে নেওয়া হবে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) যথাসময়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
১৭ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়া মডেল টাউন এলাকা থেকে এক কিশোরের ৩৮ টুকরা হাড় ও কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নগদ টাকার প্রয়োজনে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই ১৫ বছরের মিলন হোসেনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই। এ ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকার
২০ মিনিট আগে
রাজধানীর হাতিরঝিল পশ্চিম চৌধুরীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে সোনিয়া নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে হাতিরঝিল পশ্চিম চৌধুরীপাড়ার ৪৮ নম্বর বাসার দোতলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সচেতন ও বিচক্ষণ। তারাই ইতিহাস গড়েছে। নির্বাচনের কিছু আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে পুরো জাতি এক কাতারে দাঁড়াবে—জুলাই সনদের পক্ষে, পরিবর্তনের পক্ষে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে।’
১ ঘণ্টা আগে