চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে মাঘের শীতের দাপট যেন কোনোভাবেই কমছে না। গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চিলমারীতে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ রোববার সকাল ৭টায় রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দুপুরের পর সূর্যের আলো দেখা গেলেও তাপমাত্রা তেমন বাড়েনি। ফলে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ কাজ করতে বের হয়ে পড়ছেন ভোগান্তিতে। অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন।
রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা এলাকার কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দুই হাত-পা ঠান্ডা লাগি আইসে। খুব কষ্ট করি জমিত যাওয়া লাগে। এত ঠান্ডা আর ভালো লাগে না। ১০-১৫ বছরের মধ্যে এমন ঠান্ডা আছিলনে।’
এ পর্যন্ত শীতার্ত মানুষের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এদিকে তীব্র শীতে অনেকে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নার্স ও হাসপাতালের চিকিৎসকদের। শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হওয়ায় তাঁদের ঠান্ডা থেকে দূরে রাখাসহ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আজ রোববার সকাল ৭টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরও দু-এক দিন তাপমাত্রা কমে পরিস্থিতির উন্নতি হয়ে স্বাভাবিক হতে পারে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পি আইও) মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ৪ হাজার ৫০টি কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যা ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে পাওয়া শীতবস্ত্র ইতিমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আরও শীতবস্ত্রের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে মাঘের শীতের দাপট যেন কোনোভাবেই কমছে না। গত দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চিলমারীতে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ রোববার সকাল ৭টায় রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দুপুরের পর সূর্যের আলো দেখা গেলেও তাপমাত্রা তেমন বাড়েনি। ফলে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ কাজ করতে বের হয়ে পড়ছেন ভোগান্তিতে। অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছেন।
রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা এলাকার কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দুই হাত-পা ঠান্ডা লাগি আইসে। খুব কষ্ট করি জমিত যাওয়া লাগে। এত ঠান্ডা আর ভালো লাগে না। ১০-১৫ বছরের মধ্যে এমন ঠান্ডা আছিলনে।’
এ পর্যন্ত শীতার্ত মানুষের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এদিকে তীব্র শীতে অনেকে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নার্স ও হাসপাতালের চিকিৎসকদের। শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হওয়ায় তাঁদের ঠান্ডা থেকে দূরে রাখাসহ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আজ রোববার সকাল ৭টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আরও দু-এক দিন তাপমাত্রা কমে পরিস্থিতির উন্নতি হয়ে স্বাভাবিক হতে পারে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পি আইও) মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ৪ হাজার ৫০টি কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যা ইতিমধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে পাওয়া শীতবস্ত্র ইতিমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। আরও শীতবস্ত্রের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে