কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, দিনব্যাপী বইমেলা, আলোচনা সভা, কবিতাপাঠ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জলেশ্বরীর বরপুত্র খ্যাত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি পরিষদ, কুড়িগ্রামের আয়োজনে আজ মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ চত্বরের বটতলায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠান চলে। পরে সন্ধ্যায় ফানুস ওড়ানোর মাধ্যমে উদ্যাপন অনুষ্ঠানের সমাপনী ঘোষণা করা হয়।
সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক ইউসুফ আলমগীর ও সদস্যসচিব সাম্য রাইয়ানের সঞ্চালনায় আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠানস্থলে বইমেলা বসে।
দিনের শুরুতে আজ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের মূল ফটকের পাশে কবির সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। কবিপুত্র দ্বিতীয় সৈয়দ হক, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মির্জা মো. নাসির উদ্দীন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ, পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক শ্যামল ভৌমিক, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি জ্যোতি আহমেদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কবিপুত্র দ্বিতীয় সৈয়দ হক বলেন, ‘বাবার স্মরণে কুড়িগ্রামে এই প্রথম সৈয়দ হক মেলা অনুষ্ঠিত করেছে কুড়িগ্রামবাসী। এই মেলাকে ঘিরে কুড়িগ্রামের মানুষের উপস্থিতি সত্যি মনে রাখার মতো। এ জন্য সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি পরিষদের সদস্যসহ মেলার সঙ্গে জড়িত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
এ নিয়ে সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক ইউসুফ আলমগীর বলেন, ‘বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক স্মরণে আজ দিনব্যাপী সৈয়দ হক মেলার আয়োজন করছি। ভবিষ্যতে তিন দিন কিংবা সপ্তাহব্যাপী এ মেলার আয়োজন করবে।’
দিনব্যাপী এ মেলায় কবির স্মরণে কবির গান, কবিতা, কবির আত্মজীবনী নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। এ ছাড়া লেখক ও কবিদের স্বরচিত সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে জমে উঠেছিল সাহিত্য মেলা চত্বর। সন্ধ্যার পরে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে কবিকে শ্রদ্ধা জানাতে ৮৭টি ফানুস উড়িয়ে মেলার সমাপনী ঘোষণা করা হয়।

সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ, দিনব্যাপী বইমেলা, আলোচনা সভা, কবিতাপাঠ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জলেশ্বরীর বরপুত্র খ্যাত সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ৮৭ তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি পরিষদ, কুড়িগ্রামের আয়োজনে আজ মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ চত্বরের বটতলায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠান চলে। পরে সন্ধ্যায় ফানুস ওড়ানোর মাধ্যমে উদ্যাপন অনুষ্ঠানের সমাপনী ঘোষণা করা হয়।
সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক ইউসুফ আলমগীর ও সদস্যসচিব সাম্য রাইয়ানের সঞ্চালনায় আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠানস্থলে বইমেলা বসে।
দিনের শুরুতে আজ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের মূল ফটকের পাশে কবির সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। কবিপুত্র দ্বিতীয় সৈয়দ হক, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মির্জা মো. নাসির উদ্দীন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ, পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক শ্যামল ভৌমিক, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি জ্যোতি আহমেদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কবিপুত্র দ্বিতীয় সৈয়দ হক বলেন, ‘বাবার স্মরণে কুড়িগ্রামে এই প্রথম সৈয়দ হক মেলা অনুষ্ঠিত করেছে কুড়িগ্রামবাসী। এই মেলাকে ঘিরে কুড়িগ্রামের মানুষের উপস্থিতি সত্যি মনে রাখার মতো। এ জন্য সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি পরিষদের সদস্যসহ মেলার সঙ্গে জড়িত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’
এ নিয়ে সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি পরিষদের আহ্বায়ক ইউসুফ আলমগীর বলেন, ‘বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক স্মরণে আজ দিনব্যাপী সৈয়দ হক মেলার আয়োজন করছি। ভবিষ্যতে তিন দিন কিংবা সপ্তাহব্যাপী এ মেলার আয়োজন করবে।’
দিনব্যাপী এ মেলায় কবির স্মরণে কবির গান, কবিতা, কবির আত্মজীবনী নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। এ ছাড়া লেখক ও কবিদের স্বরচিত সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে জমে উঠেছিল সাহিত্য মেলা চত্বর। সন্ধ্যার পরে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে কবিকে শ্রদ্ধা জানাতে ৮৭টি ফানুস উড়িয়ে মেলার সমাপনী ঘোষণা করা হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে