Ajker Patrika

১০ দিন পর রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখা থেকে সরানো হলো দুই যুবককে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
১০ দিন পর রৌমারী সীমান্তে শূন্যরেখা থেকে সরানো হলো দুই যুবককে
শূন্যরেখায় অবস্থান করা দুই যুবককে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে বিজিবি ও বিএসএফ। ফাইল ছবি

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মাধ্যমে পুশ ইনের শিকার হয়ে ১০ দিন ধরে শূন্যরেখায় অবস্থান করা দুই যুবককে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তাঁদের কোথায় নেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মঙ্গলবার (২৩ জুন) থেকে তাঁদের আর সীমান্তের শূন্যরেখায় দেখা যায়নি।

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান দুই যুবকের শূন্যরেখায় আর অবস্থান না করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তাঁদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া বা বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

সরিয়ে নেওয়া দুই যুবক হলেন সজিব হোসেন (২৫) ও হিমেল (১৮)। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা দুজনই ময়মনসিংহের বাসিন্দা। বিএসএফের পুশ ইনের শিকার হয়ে ১৪ জুন ভোর থেকে তাঁরা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় বিএসএফ ও বিজিবির সদস্যরা তাঁদের ঘিরে নজরদারিতে রেখেছিলেন।

এর আগে ১৪ জুন সকাল ৬টার দিকে রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ ছয়জন এবং ইজলামারী সীমান্ত দিয়ে আরও তিনজনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। কাঁটাতারের এপারে বাংলাদেশ অংশে তাঁদের ঠেলে দেওয়া হলেও বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর বাধার মুখে বিএসএফ তাঁদের বাংলাদেশে প্রবেশ করাতে পারেনি।

পরে মা ও শিশুর মানবিক সংকট নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর ১৮ জুন ভোরে এক দম্পতি ও তাঁদের দুই শিশুকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে সজিব ও হিমেল শূন্যরেখায় অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, ‘রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে বর্তমানে কেউ অবস্থান করছেন না। তবে উপজেলার ইজলামারী সীমান্তে এখনো তিন যুবক শূন্যরেখার কাছে রয়েছেন। সীমান্তে নজরদারিতে বিজিবি আগের মতোই কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত