উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বোরো ধান সংগ্রহে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন ও ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে। ছাত্রলীগের সভাপতিকে দিয়ে অনলাইনে কৃষক নির্বাচনের এ লটারির উদ্বোধন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী এ আনুষ্ঠানিকতায় ছিল না কোনো কৃষক।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতিকে দিয়ে অনলাইনে কৃষক নির্বাচনের লটারির উদ্বোধন করা হয়। এরপর দুপুরে সরকারি খাদ্যগুদামে কৃষক ছাড়াই ধান কেনা শুরু হয়। এদিকে লটারিতে নির্বাচিত নামের তালিকা প্রকাশ না করায় কৃষকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহে অনলাইনে কৃষক নির্বাচনের লটারির উদ্বোধন করা হয়। লটারিতে উপজেলার ৭৬০ কৃষক নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ৩৮০ ক্ষুদ্র কৃষক, ২২৮ জন মাঝারি কৃষক ও ১৫২ জন বড় কৃষক বাছাই করা হয়। এ মৌসুমে ৩২ টাকা কেজি দরে ২ হাজার ২৮০ মেট্রিকটন ধান ও ৪৫ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৩১১ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহ করা হবে।
এদিকে উপজেলা পরিষদে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকের উপস্থিতি ছাড়াই অনলাইনে লটারি সম্পূর্ণ করা হয়। কৃষক নির্বাচনী লটারি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলামকে দিয়ে উদ্বোধন করানো হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
দুপুরে সরকারি খাদ্যগুদামে ইউএনও উপস্থিতিতে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে সঙ্গে নিয়ে কৃষক ছাড়াই ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় লটারিতে নির্বাচিত ও প্রান্তিক পর্যায়ের কোনো কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হয়নি।
কৃষকদের অভিযোগ, শুরুতেই সরকারিভাবে ধান ক্রয়ে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের আধিপত্য বিস্তারে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের ধারণা প্রতি বোরো মৌসুমের মতো এ বছরের ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কৃষকদের বঞ্চিত করে নানা কৌশলে নিজেরাই গুদামে ধান দেবেন। এ কারণে কৃষক ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সরকারের মহতী উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সকালে লটারি হলেও অজ্ঞাত কারণে নির্বাচিত কৃষকদের নামের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম অনলাইনে কৃষক বাছাইয়ে লটারির সূচনা করার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি সেখানে ছিলাম। উপস্থিত সবাই আমাকে দিয়ে লটারির সূচনা করেছেন মাত্র।’
মিল চাতাল মালিক সমিতির সভাপতি ও তবকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম রাজা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি শুধু চাল দিয়েছি। কোনো কৃষক ধান দিয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিসবাহুল হোসাইন সকালে ছাত্রলীগের সভাপতি মাধ্যমে অনলাইনে ধান সংগ্রহের লটারির উদ্বোধনের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘কোনো কৃষকের কাছ থেকে ধান নেওয়া হয়নি। নিয়ম রক্ষার জন্য সরকারি খাদ্য গুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। এগুলো কোনো বিষয় না।’
লটারিতে নির্বাচিত কৃষকের তালিকা প্রকাশ না করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগামী রোববার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে এ তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।’
উপজেলা ধান সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ও ইউএনও আতাউর রহমান বলেন, লটারির সময় কৃষকের উপস্থিতি নিশ্চিত করার দায়িত্ব খাদ্য বিভাগের। কেন তা করা হয়নি তা খতিয়ে দেখা হবে।
ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কর্তৃক ধান ক্রয়ের উদ্বোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেখানে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বোরো ধান সংগ্রহে লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন ও ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে। ছাত্রলীগের সভাপতিকে দিয়ে অনলাইনে কৃষক নির্বাচনের এ লটারির উদ্বোধন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী এ আনুষ্ঠানিকতায় ছিল না কোনো কৃষক।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতিকে দিয়ে অনলাইনে কৃষক নির্বাচনের লটারির উদ্বোধন করা হয়। এরপর দুপুরে সরকারি খাদ্যগুদামে কৃষক ছাড়াই ধান কেনা শুরু হয়। এদিকে লটারিতে নির্বাচিত নামের তালিকা প্রকাশ না করায় কৃষকদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহে অনলাইনে কৃষক নির্বাচনের লটারির উদ্বোধন করা হয়। লটারিতে উপজেলার ৭৬০ কৃষক নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ৩৮০ ক্ষুদ্র কৃষক, ২২৮ জন মাঝারি কৃষক ও ১৫২ জন বড় কৃষক বাছাই করা হয়। এ মৌসুমে ৩২ টাকা কেজি দরে ২ হাজার ২৮০ মেট্রিকটন ধান ও ৪৫ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৩১১ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহ করা হবে।
এদিকে উপজেলা পরিষদে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকের উপস্থিতি ছাড়াই অনলাইনে লটারি সম্পূর্ণ করা হয়। কৃষক নির্বাচনী লটারি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলামকে দিয়ে উদ্বোধন করানো হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
দুপুরে সরকারি খাদ্যগুদামে ইউএনও উপস্থিতিতে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে সঙ্গে নিয়ে কৃষক ছাড়াই ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় লটারিতে নির্বাচিত ও প্রান্তিক পর্যায়ের কোনো কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হয়নি।
কৃষকদের অভিযোগ, শুরুতেই সরকারিভাবে ধান ক্রয়ে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের আধিপত্য বিস্তারে প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের ধারণা প্রতি বোরো মৌসুমের মতো এ বছরের ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কৃষকদের বঞ্চিত করে নানা কৌশলে নিজেরাই গুদামে ধান দেবেন। এ কারণে কৃষক ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং সরকারের মহতী উদ্যোগ ভেস্তে যেতে বসেছে। এ ছাড়া বৃহস্পতিবার সকালে লটারি হলেও অজ্ঞাত কারণে নির্বাচিত কৃষকদের নামের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম অনলাইনে কৃষক বাছাইয়ে লটারির সূচনা করার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি সেখানে ছিলাম। উপস্থিত সবাই আমাকে দিয়ে লটারির সূচনা করেছেন মাত্র।’
মিল চাতাল মালিক সমিতির সভাপতি ও তবকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল করিম রাজা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি শুধু চাল দিয়েছি। কোনো কৃষক ধান দিয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিসবাহুল হোসাইন সকালে ছাত্রলীগের সভাপতি মাধ্যমে অনলাইনে ধান সংগ্রহের লটারির উদ্বোধনের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘কোনো কৃষকের কাছ থেকে ধান নেওয়া হয়নি। নিয়ম রক্ষার জন্য সরকারি খাদ্য গুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। এগুলো কোনো বিষয় না।’
লটারিতে নির্বাচিত কৃষকের তালিকা প্রকাশ না করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগামী রোববার সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে এ তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।’
উপজেলা ধান সংগ্রহ কমিটির সভাপতি ও ইউএনও আতাউর রহমান বলেন, লটারির সময় কৃষকের উপস্থিতি নিশ্চিত করার দায়িত্ব খাদ্য বিভাগের। কেন তা করা হয়নি তা খতিয়ে দেখা হবে।
ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কর্তৃক ধান ক্রয়ের উদ্বোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেখানে যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪৩ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে