কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সরকারের অনুমোদন না মেলায় চলতি শিক্ষাবর্ষে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. এ কে এম জাকির হোসেন।
ভিসি জাকির হোসেন বলেন, ‘এ বছর নয়, পরের সেশনে ভর্তি শুরু হবে। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিনটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে সেভাবেই চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমের আওতায় আগামী বছর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।’
এর আগে চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০২২-২০২৩) ভর্তি কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জাকির হোসেন। সে অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পরিকল্পনা জমা দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন ভিসি।
শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে ভিসি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ইউজিসির কাছে ইতিমধ্যে কোর্স কারিকুলাম, কনটেন্ট জমা দিয়েছি। গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় আগামী বছর সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একযোগে আমাদেরও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। সরকার সেভাবেই অনুমোদন দিয়েছে।’
আগামী আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলে ওই সেশনের শিক্ষার্থীরা কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন বলে জানান ভিসি।
এদিকে বন্ধ থাকা কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস চত্বরকে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন ভিসি জাকির হোসেন।
ভিসি বলেন, ‘কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস ক্যাম্পাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য পাওয়া গেছে। ভর্তি ও পাঠদান কার্যক্রম শুরুর আগে আমরা কিছু সংস্কার কাজ করে সেখানে ক্যাম্পাস চালু করব।’
প্রথম বছর যে কয়টি বিভাগ চালু হচ্ছে
প্রথম বছর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি কিংবা তিনটি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। প্রতিটি বিষয়ে ৩০টি করে আসন থাকবে। ভিসি বলেন, ‘এই শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে আমরা প্রথম বছর ফিশারিজ এবং এগ্রিকালচার এ দুটি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পরিকল্পনা জমা দিয়েছিলাম। এখন তা পিছিয়ে যাওয়ায় আরও একটি বিভাগসহ তিনটি বিভাগ চালু হতে পারে।’
এর আগে ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সংসদে ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২১’ পাস হয়। বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কৃষিবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাদান এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। শিক্ষাসংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ও উচ্চ ফলনশীল কৃষিজ দ্রব্যের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনে কুড়িগ্রাম শহরের দক্ষিণে নালিয়ার দোলা নামক স্থানকে নির্বাচন করা হয়েছে।

সরকারের অনুমোদন না মেলায় চলতি শিক্ষাবর্ষে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে না। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. এ কে এম জাকির হোসেন।
ভিসি জাকির হোসেন বলেন, ‘এ বছর নয়, পরের সেশনে ভর্তি শুরু হবে। কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিনটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে সেভাবেই চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গুচ্ছ ভর্তি কার্যক্রমের আওতায় আগামী বছর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।’
এর আগে চলতি শিক্ষাবর্ষে (২০২২-২০২৩) ভর্তি কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জাকির হোসেন। সে অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পরিকল্পনা জমা দেওয়া হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন ভিসি।
শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পর্কে ভিসি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ইউজিসির কাছে ইতিমধ্যে কোর্স কারিকুলাম, কনটেন্ট জমা দিয়েছি। গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় আগামী বছর সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একযোগে আমাদেরও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। সরকার সেভাবেই অনুমোদন দিয়েছে।’
আগামী আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হলে ওই সেশনের শিক্ষার্থীরা কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন বলে জানান ভিসি।
এদিকে বন্ধ থাকা কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস চত্বরকে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন ভিসি জাকির হোসেন।
ভিসি বলেন, ‘কুড়িগ্রাম টেক্সটাইল মিলস ক্যাম্পাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য পাওয়া গেছে। ভর্তি ও পাঠদান কার্যক্রম শুরুর আগে আমরা কিছু সংস্কার কাজ করে সেখানে ক্যাম্পাস চালু করব।’
প্রথম বছর যে কয়টি বিভাগ চালু হচ্ছে
প্রথম বছর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি কিংবা তিনটি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। প্রতিটি বিষয়ে ৩০টি করে আসন থাকবে। ভিসি বলেন, ‘এই শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে আমরা প্রথম বছর ফিশারিজ এবং এগ্রিকালচার এ দুটি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পরিকল্পনা জমা দিয়েছিলাম। এখন তা পিছিয়ে যাওয়ায় আরও একটি বিভাগসহ তিনটি বিভাগ চালু হতে পারে।’
এর আগে ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সংসদে ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২১’ পাস হয়। বিলে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কৃষিবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষাদান এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। শিক্ষাসংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় টেকসই কৃষি প্রযুক্তি ও উচ্চ ফলনশীল কৃষিজ দ্রব্যের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনে কুড়িগ্রাম শহরের দক্ষিণে নালিয়ার দোলা নামক স্থানকে নির্বাচন করা হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে