কুড়িগ্রাম ও চিলমারী প্রতিনিধি

স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে কার্যালয়ের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কর্মবিরতি পালন করেছেন কর্মচারীরা। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে বিষয়টির মীমাংসা হয়। আজ বৃহস্পতিবার এসব ঘটনা ঘটে।
লাঞ্ছিত করার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন চিলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুকুনুজ্জামান শাহীন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি শুনে উভয় পক্ষকে ডেকে সমাধান করে দিয়েছি।’
অভিযোগ ওঠা ঠিকাদার হলেন গোলাম হাবিবুর রহমান বিদ্যুৎ। তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টার দিকে ওই কার্যালয়ে বৈঠক চলার সময় ঠিকাদার বিদ্যুৎ সেখানে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ফিরোজুর রহমান ও কর্মচারীদের গালাগাল করেন। কর্মচারীরা এর প্রতিবাদ করলে ঠিকাদার মারমুখী হন। এরপর উপজেলা প্রকৌশলী ও অন্য কর্মচারীরা অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
উপজেলা প্রকৌশলী ফিরোজুর বলেন, ‘আজ সকালে ঠিকাদার বিদ্যুৎ একটি কাজের বিল নিয়ে আসেন এবং আমাদের ওপর হঠাৎ চড়াও হয়ে গালিগালাজ করতে থাকেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধান হয়েছে। ওই ঠিকাদার ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’
ঠিকাদার বিদ্যুৎ কার্যালয়ের কাজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন বলে দাবি করে প্রকৌশলী ফিরোজুর। তিনি বলেন, ‘আজ একটি কাজ বুঝে নিতে চাইলে তিনি রেগে যান। কাজ বাস্তবায়নে সাইট ভিজিট করতে চাইলেও সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। তিনি সিনিয়র মানুষ বলে আমরা তেমন কিছু বলি না। এবার তিনি সীমা অতিক্রম করেন।’
ঠিকাদার বিদ্যুৎ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো গালিগালাজ করিনি। আমার একটি কাজের বিলের বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও অন্যরা মিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে দিয়েছেন। আমি কোনো ভুল করিনি। সুতরাং, ভুল স্বীকার করার প্রশ্নও ওঠে না।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে কার্যালয়ের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় কর্মবিরতি পালন করেছেন কর্মচারীরা। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে বিষয়টির মীমাংসা হয়। আজ বৃহস্পতিবার এসব ঘটনা ঘটে।
লাঞ্ছিত করার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন চিলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুকুনুজ্জামান শাহীন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি শুনে উভয় পক্ষকে ডেকে সমাধান করে দিয়েছি।’
অভিযোগ ওঠা ঠিকাদার হলেন গোলাম হাবিবুর রহমান বিদ্যুৎ। তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি। তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টার দিকে ওই কার্যালয়ে বৈঠক চলার সময় ঠিকাদার বিদ্যুৎ সেখানে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ফিরোজুর রহমান ও কর্মচারীদের গালাগাল করেন। কর্মচারীরা এর প্রতিবাদ করলে ঠিকাদার মারমুখী হন। এরপর উপজেলা প্রকৌশলী ও অন্য কর্মচারীরা অফিস কক্ষে তালা ঝুলিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
উপজেলা প্রকৌশলী ফিরোজুর বলেন, ‘আজ সকালে ঠিকাদার বিদ্যুৎ একটি কাজের বিল নিয়ে আসেন এবং আমাদের ওপর হঠাৎ চড়াও হয়ে গালিগালাজ করতে থাকেন। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধান হয়েছে। ওই ঠিকাদার ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’
ঠিকাদার বিদ্যুৎ কার্যালয়ের কাজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন বলে দাবি করে প্রকৌশলী ফিরোজুর। তিনি বলেন, ‘আজ একটি কাজ বুঝে নিতে চাইলে তিনি রেগে যান। কাজ বাস্তবায়নে সাইট ভিজিট করতে চাইলেও সমস্যা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। তিনি সিনিয়র মানুষ বলে আমরা তেমন কিছু বলি না। এবার তিনি সীমা অতিক্রম করেন।’
ঠিকাদার বিদ্যুৎ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো গালিগালাজ করিনি। আমার একটি কাজের বিলের বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও অন্যরা মিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে দিয়েছেন। আমি কোনো ভুল করিনি। সুতরাং, ভুল স্বীকার করার প্রশ্নও ওঠে না।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে