কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক (সম্মান) কুড়িগ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌসী ইতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) স্নাতকোত্তর ভর্তি পরীক্ষায় গণিত বিভাগে প্রথম হয়েছেন। কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ইতির বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের জোরগাছ বাজার এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মো. চান মিয়া ও কাজল বেগম দম্পতির মেয়ে। ২০১৩ সালে জিপিএ-৫ নিয়ে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে জিপিএ-৪.৫৮ নিয়ে এইচএসসি পাস করেন ইতি।
এরপর ২০১৬-১৭ সেশনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে গণিত বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হন। তিনি জিপিএ-৩.৯৩ (আউট অব ৪) নিয়ে অনার্স পাস করেন। পরে তিনি কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে একই বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হন।
বুয়েটে স্নাতকোত্তরে ভর্তি পরীক্ষায় এমন সাফল্যের বিষয়ে ইতি বলেন, ‘গত শনিবার বুয়েটের ওয়েবসাইটে ভর্তি পরীক্ষার এই ফল প্রকাশিত হয়। ফল শুনে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি। পরে তালিকা দেখে নিশ্চিত হলাম যে নামটা আমারই। আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম তখন।’
ইতি আরও বলেন, ‘অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করার ইচ্ছা ছিল। এরপর এবার বুয়েটের গণিত বিভাগে ভর্তি পরীক্ষা দিই। আল্লাহর অশেষ রহমতে সুযোগ পেয়েছি।’
মেধাবী এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘বর্তমানে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে মাস্টার্সে ভর্তি হলেও এখন তা বাতিল করে বুয়েটে ভর্তি হব। আমার ইচ্ছে, বিসিএস করে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি করব। তবে ভবিষ্যতে গবেষণা করার সুযোগ পেলে তা করার ইচ্ছে রয়েছে।’
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও গণিত বিভাগের প্রধান মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘ফল প্রকাশের পর ইতি ফোন করে সুসংবাদটি জানিয়েছে। অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে সে জিপিএ-৪ পাওয়ার পর আমরা তার প্রতি আরও যত্নশীল হই। ফাইনালেও তার ফলাফল ভালো। তার সাফল্যে আমরা আনন্দিত। আমরা ইতির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।’
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এটা অবশ্যই আনন্দ ও গৌরবের খবর। কুড়িগ্রামের শিক্ষার্থীরা অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। এভাবে আমরা একদিন সাফল্যে ভরে উঠব। ইতিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানাই।’

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক (সম্মান) কুড়িগ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌসী ইতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) স্নাতকোত্তর ভর্তি পরীক্ষায় গণিত বিভাগে প্রথম হয়েছেন। কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ইতির বাড়ি কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের জোরগাছ বাজার এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মো. চান মিয়া ও কাজল বেগম দম্পতির মেয়ে। ২০১৩ সালে জিপিএ-৫ নিয়ে এসএসসি এবং ২০১৫ সালে জিপিএ-৪.৫৮ নিয়ে এইচএসসি পাস করেন ইতি।
এরপর ২০১৬-১৭ সেশনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে গণিত বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ভর্তি হন। তিনি জিপিএ-৩.৯৩ (আউট অব ৪) নিয়ে অনার্স পাস করেন। পরে তিনি কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে একই বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হন।
বুয়েটে স্নাতকোত্তরে ভর্তি পরীক্ষায় এমন সাফল্যের বিষয়ে ইতি বলেন, ‘গত শনিবার বুয়েটের ওয়েবসাইটে ভর্তি পরীক্ষার এই ফল প্রকাশিত হয়। ফল শুনে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি। পরে তালিকা দেখে নিশ্চিত হলাম যে নামটা আমারই। আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম তখন।’
ইতি আরও বলেন, ‘অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করার ইচ্ছা ছিল। এরপর এবার বুয়েটের গণিত বিভাগে ভর্তি পরীক্ষা দিই। আল্লাহর অশেষ রহমতে সুযোগ পেয়েছি।’
মেধাবী এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘বর্তমানে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে মাস্টার্সে ভর্তি হলেও এখন তা বাতিল করে বুয়েটে ভর্তি হব। আমার ইচ্ছে, বিসিএস করে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি করব। তবে ভবিষ্যতে গবেষণা করার সুযোগ পেলে তা করার ইচ্ছে রয়েছে।’
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ও গণিত বিভাগের প্রধান মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘ফল প্রকাশের পর ইতি ফোন করে সুসংবাদটি জানিয়েছে। অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে সে জিপিএ-৪ পাওয়ার পর আমরা তার প্রতি আরও যত্নশীল হই। ফাইনালেও তার ফলাফল ভালো। তার সাফল্যে আমরা আনন্দিত। আমরা ইতির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।’
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মীর্জা মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এটা অবশ্যই আনন্দ ও গৌরবের খবর। কুড়িগ্রামের শিক্ষার্থীরা অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। এভাবে আমরা একদিন সাফল্যে ভরে উঠব। ইতিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানাই।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে