কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় হাবিবুল্লাহ (৪৫) নামের ব্যক্তিকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শিশুদের ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ মীমাংসা করতে গিয়ে হামলায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। হাবিবুল্লাহ কয়েক মাস আগে মায়ের মৃত্যুর খবরে ছুটি নিয়ে ইতালি থেকে দেশে এসেছিলেন।
আজ শুক্রবার উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের গাংধোয়াচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হাবিবুল্লাহ ওই এলাকার মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে। তিনি ইতালির সিসিলে থাকতেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুল্লাহ কয়েক মাস আগে তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে দেশে এসেছিলেন। দুই মাস আগে তাঁর বড় ভাইয়ের ছেলে আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে ফুটবল খেলা নিয়ে প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিনের ছেলে জোবায়েদের সঙ্গে ঝগড়া হয়। সেই ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু সমাধান হয়নি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ জুমার নামাজে যাওয়ার পথে হাবিবুল্লাহর ওপর অতর্কিত হামলা চালা হয়।
হাবিবুল্লাহর পরিবারের অভিযোগ, হেলাল, মুখলেসসহ সাত থেকে আটজন দেশীয় অস্ত্র, রড ও পাইপ দিয়ে তাঁকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। এ সময় তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতও করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাবিবুল্লাহর ছেলে ইন্না বলেন, ‘জুমার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় ভূঁইয়া বাড়ির কফিল, হেলাল, মুখলেস এবং তাঁদের পক্ষের লোকজন আমার বাবাকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।’
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। হাবিবুল্লাহর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় হাবিবুল্লাহ (৪৫) নামের ব্যক্তিকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শিশুদের ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদ মীমাংসা করতে গিয়ে হামলায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। হাবিবুল্লাহ কয়েক মাস আগে মায়ের মৃত্যুর খবরে ছুটি নিয়ে ইতালি থেকে দেশে এসেছিলেন।
আজ শুক্রবার উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের গাংধোয়াচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হাবিবুল্লাহ ওই এলাকার মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে। তিনি ইতালির সিসিলে থাকতেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুল্লাহ কয়েক মাস আগে তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে দেশে এসেছিলেন। দুই মাস আগে তাঁর বড় ভাইয়ের ছেলে আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে ফুটবল খেলা নিয়ে প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিনের ছেলে জোবায়েদের সঙ্গে ঝগড়া হয়। সেই ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু সমাধান হয়নি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ জুমার নামাজে যাওয়ার পথে হাবিবুল্লাহর ওপর অতর্কিত হামলা চালা হয়।
হাবিবুল্লাহর পরিবারের অভিযোগ, হেলাল, মুখলেসসহ সাত থেকে আটজন দেশীয় অস্ত্র, রড ও পাইপ দিয়ে তাঁকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। এ সময় তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতও করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাবিবুল্লাহর ছেলে ইন্না বলেন, ‘জুমার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার সময় ভূঁইয়া বাড়ির কফিল, হেলাল, মুখলেস এবং তাঁদের পক্ষের লোকজন আমার বাবাকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।’
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। হাবিবুল্লাহর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৩ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে