কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ৬৮ কোটি ৯২ লাখ ১৭ হাজার ৩৬২ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) কিশোরগঞ্জের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক মমতাজ বেগম ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন।
পৌরবাসীর ওপর নতুন কর আরোপ ছাড়াই এই অর্থবছরে ৩ কোটি ২১ লাখ ২৩ হাজার ৭৮ টাকা উদ্বৃত্ত দেখিয়ে ৬৮ কোটি ৯২ লাখ ১৭ হাজার ৩৬২ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়। এতে বিভিন্ন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫ কোটি ৭০ লাখ ৯৪ হাজার ২৮৪ টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব খাতের আয় ধরা হয়েছে ৩২ কোটি ১৮ লাখ ৬৯ হাজার ২১৩ টাকা, পানি সরবরাহ খাতে আয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৬৮ লাখ ১৮ হাজার ২২৮ টাকা, উন্নয়ন খাতে আয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৭ টাকা, প্রকল্প খাতে আয় ধরা হয়েছে ২৪ কোটি ১৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫৩ টাকা এবং মূলধন খাতে ২ কোটি ৩৯ লাখ ২১ হাজার টাকা আয় ধরা হয়েছে।
বাজেটে রাজস্ব খাতের ব্যয় ধরা হয় ২৯ কোটি ৬৫ লাখ ৯৭ হাজার ৮৭৯ টাকা, পানি সরবরাহ খাতে ব্যয় হবে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩২৩ টাকা, উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরা হয় ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৬২ হাজার ৫৮২ টাকা, প্রকল্প খাতে ব্যয় হবে ২৪ কোটি ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা এবং মূলধন খাতে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ বেগম জানান, বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি সরবরাহ, শহর অবকাঠামো উন্নয়ন, নালা (ড্রেনেজ) ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে বাজেট উপস্থাপন করেন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমিরুল ইসলাম, গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মজিব আলম, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ পৌরসভার ৬৮ কোটি ৯২ লাখ ১৭ হাজার ৩৬২ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) কিশোরগঞ্জের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক মমতাজ বেগম ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন।
পৌরবাসীর ওপর নতুন কর আরোপ ছাড়াই এই অর্থবছরে ৩ কোটি ২১ লাখ ২৩ হাজার ৭৮ টাকা উদ্বৃত্ত দেখিয়ে ৬৮ কোটি ৯২ লাখ ১৭ হাজার ৩৬২ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়। এতে বিভিন্ন খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫ কোটি ৭০ লাখ ৯৪ হাজার ২৮৪ টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব খাতের আয় ধরা হয়েছে ৩২ কোটি ১৮ লাখ ৬৯ হাজার ২১৩ টাকা, পানি সরবরাহ খাতে আয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৬৮ লাখ ১৮ হাজার ২২৮ টাকা, উন্নয়ন খাতে আয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ ৫৫ হাজার ১৬৭ টাকা, প্রকল্প খাতে আয় ধরা হয়েছে ২৪ কোটি ১৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫৩ টাকা এবং মূলধন খাতে ২ কোটি ৩৯ লাখ ২১ হাজার টাকা আয় ধরা হয়েছে।
বাজেটে রাজস্ব খাতের ব্যয় ধরা হয় ২৯ কোটি ৬৫ লাখ ৯৭ হাজার ৮৭৯ টাকা, পানি সরবরাহ খাতে ব্যয় হবে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩২৩ টাকা, উন্নয়ন খাতে ব্যয় ধরা হয় ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৬২ হাজার ৫৮২ টাকা, প্রকল্প খাতে ব্যয় হবে ২৪ কোটি ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা এবং মূলধন খাতে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মমতাজ বেগম জানান, বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি সরবরাহ, শহর অবকাঠামো উন্নয়ন, নালা (ড্রেনেজ) ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে বাজেট উপস্থাপন করেন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আমিরুল ইসলাম, গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মজিব আলম, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে