পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় ফাহিম (২০) নামে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল তিন।
ফাহিম উপজেলার পোড়াবাড়িয়া গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
আজ শনিবার সকালে ফাহিমের চাচা মো. আসাদ মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাহিমের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বরাটিয়া এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নাঈম (২৫) নামের এক যুবক মারা যান। গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তী সময় কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর শরীফ মিয়া (২৩) নামে অপর একজনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় লিজা ও ফাহিম নামে অপর দুজনও গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে ফাহিমকে রাতেই ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফাহিম মারা যান।
নাঈম উপজেলার পোড়াবাড়িয়া গ্রামের শহীদুল্লার ছেলে। তিনি সৌদিপ্রবাসী। কিছুদিন আগে ছুটিতে বাড়িতে আসেন। আর শরীফ মিয়া পৌর সদরের পাইকলক্ষ্মীয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি পৌর সদর বাজারে বাবার সঙ্গে ফলের ব্যবসা করতেন।
এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান টিটু বলেন, দুর্ঘটনায় দুটি মোটরসাইকেলের আরোহীই মারা গেছেন। কোনো পক্ষেরই কোনো অভিযোগ না থাকায় কোনো মামলা হয়নি।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় ফাহিম (২০) নামে আরও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল তিন।
ফাহিম উপজেলার পোড়াবাড়িয়া গ্রামের আবু বাক্কারের ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
আজ শনিবার সকালে ফাহিমের চাচা মো. আসাদ মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাহিমের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বরাটিয়া এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নাঈম (২৫) নামের এক যুবক মারা যান। গুরুতর অবস্থায় তিনজনকে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তী সময় কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর শরীফ মিয়া (২৩) নামে অপর একজনের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় লিজা ও ফাহিম নামে অপর দুজনও গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে ফাহিমকে রাতেই ঢাকার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফাহিম মারা যান।
নাঈম উপজেলার পোড়াবাড়িয়া গ্রামের শহীদুল্লার ছেলে। তিনি সৌদিপ্রবাসী। কিছুদিন আগে ছুটিতে বাড়িতে আসেন। আর শরীফ মিয়া পৌর সদরের পাইকলক্ষ্মীয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি পৌর সদর বাজারে বাবার সঙ্গে ফলের ব্যবসা করতেন।
এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান টিটু বলেন, দুর্ঘটনায় দুটি মোটরসাইকেলের আরোহীই মারা গেছেন। কোনো পক্ষেরই কোনো অভিযোগ না থাকায় কোনো মামলা হয়নি।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৮ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৩৯ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে