পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বিকাশ নম্বরে ভুল করে আসা ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ইলিয়াস নামের এক ব্যবসায়ী। গতকাল রোববার উপজেলার তারাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মো. ইলিয়াস তারাকান্দি বাজারে শরবত বিক্রি করেন। তিনি উপজেলার চরটেকী গ্রামের মোনতাজ উদ্দিনের ছেলে।
জানা গেছে, গত শনিবার রাতে ইলিয়াসের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বরে ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা আসে। কিছুক্ষণ পর বিদেশ থেকে একজন তাঁকে কল করে বলেন, তিনি তাঁর মায়ের নম্বরে টাকা পাঠিয়েছেন। কিন্তু ভুলবশত ইলিয়াসের নম্বরে চলে গেছে। রাত গভীর হওয়ায় ইলিয়াস সকালে টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সকালে ওই প্রবাসীর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকাগুলো ফেরত দেন। ওই প্রবাসীর মা লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা।
ইলিয়াস বলেন, ‘আমি শরবত বিক্রেতা। টাকাপয়সার প্রতি আমার লোভ নেই। বিকাশে ভুলবশত টাকা আসার পর চিন্তায় পড়ে যাই। কিছু সময় পর যিনি টাকা পাঠিয়েছেন তিনি কল দিলে আমি টাকার মালিক খুঁজে পাই। পরে তাঁর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোববার দুপুরের দিকে টাকাগুলো পাঠিয়ে দিই। উনারা আমার প্রশংসা করেছেন। শরবত বিক্রির ফাঁকে ফাঁকে সামাজিক কাজ করার চেষ্টা করি। মানুষের উপকার করার চেষ্টা করি।’
সন্ধ্যায় টাকা ফেরত দেওয়ার স্ক্রিনশটসহ বিষয়টি ইলিয়াস তাঁর ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাঁর অকুণ্ঠ প্রশংসা করে মন্তব্য করেছেন।
মো. শফিকুল ইসলাম শফিক নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘কিছুদিন আগে ৫০০ টাকা ভুলে অন্য নম্বরে ফ্লেক্সিলোড হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে জানালে উত্তেজিত হয় এবং সাফ সাফ বলে দে, টাকা দেবে না। আর তুমি ইলিয়াস ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দিস! এটি কোনা ছোট বিষয় না, অনেক বড়।’
মাসুম নামের একজন মন্তব্য করেন, ‘চিপা চাপায় এ রকম কয়েকজন সাদা মনের মানুষের কারণে এখনো দুনিয়া টিকে আছে।’
আজিজুল আকন্দ নামের অন্য একজন বলেন, ‘এমন একটা মহৎ কাজের জন্য নিশ্চয়ই আল্লাহ এর প্রতিদান দেবেন।’

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বিকাশ নম্বরে ভুল করে আসা ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ইলিয়াস নামের এক ব্যবসায়ী। গতকাল রোববার উপজেলার তারাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মো. ইলিয়াস তারাকান্দি বাজারে শরবত বিক্রি করেন। তিনি উপজেলার চরটেকী গ্রামের মোনতাজ উদ্দিনের ছেলে।
জানা গেছে, গত শনিবার রাতে ইলিয়াসের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বরে ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা আসে। কিছুক্ষণ পর বিদেশ থেকে একজন তাঁকে কল করে বলেন, তিনি তাঁর মায়ের নম্বরে টাকা পাঠিয়েছেন। কিন্তু ভুলবশত ইলিয়াসের নম্বরে চলে গেছে। রাত গভীর হওয়ায় ইলিয়াস সকালে টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সকালে ওই প্রবাসীর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকাগুলো ফেরত দেন। ওই প্রবাসীর মা লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা।
ইলিয়াস বলেন, ‘আমি শরবত বিক্রেতা। টাকাপয়সার প্রতি আমার লোভ নেই। বিকাশে ভুলবশত টাকা আসার পর চিন্তায় পড়ে যাই। কিছু সময় পর যিনি টাকা পাঠিয়েছেন তিনি কল দিলে আমি টাকার মালিক খুঁজে পাই। পরে তাঁর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোববার দুপুরের দিকে টাকাগুলো পাঠিয়ে দিই। উনারা আমার প্রশংসা করেছেন। শরবত বিক্রির ফাঁকে ফাঁকে সামাজিক কাজ করার চেষ্টা করি। মানুষের উপকার করার চেষ্টা করি।’
সন্ধ্যায় টাকা ফেরত দেওয়ার স্ক্রিনশটসহ বিষয়টি ইলিয়াস তাঁর ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাঁর অকুণ্ঠ প্রশংসা করে মন্তব্য করেছেন।
মো. শফিকুল ইসলাম শফিক নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘কিছুদিন আগে ৫০০ টাকা ভুলে অন্য নম্বরে ফ্লেক্সিলোড হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে জানালে উত্তেজিত হয় এবং সাফ সাফ বলে দে, টাকা দেবে না। আর তুমি ইলিয়াস ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দিস! এটি কোনা ছোট বিষয় না, অনেক বড়।’
মাসুম নামের একজন মন্তব্য করেন, ‘চিপা চাপায় এ রকম কয়েকজন সাদা মনের মানুষের কারণে এখনো দুনিয়া টিকে আছে।’
আজিজুল আকন্দ নামের অন্য একজন বলেন, ‘এমন একটা মহৎ কাজের জন্য নিশ্চয়ই আল্লাহ এর প্রতিদান দেবেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে