প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ: ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান বাক্সে ৪ মাস ২৬ দিনে মিলেছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। এ ছাড়া পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রা। এর আগে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা। মূলত তিন মাস পরপর দানবাক্স খোলা হয়। তবে করোনার কারণে এবার একটু দেরিতে খোলা হলো।
আজ শনিবার সকালে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মসজিদের আটটি লোহার দানবাক্স খুলে বের করা হয়েছে ১২ বস্তা টাকা। সেসব টাকা মসজিদের মেঝেতে বসে গুনছে কয়েকশ মাদ্রাসা ছাত্র। শুধু টাকা না সঙ্গে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে।
দান করতে আসা কয়েকজন বলেন, এ মসজিদে সঠিক নিয়তে মানত করলে রোগবালাই দূর হওয়াসহ মনোবাসনা পূর্ণ হয়। এমন বিশ্বাস থেকেই আমরা এসেছি। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সব ধর্মের মানুষ এখানে মানত করতে আসেন এবং নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা, ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন সামগ্রী দান করে থাকেন। আমরাও এসেছি, মানতের জিনিস দিলাম। নামাজও পড়েছি। এখন অনেক শান্তি লাগছে।
পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শওকত আলী আজকের পত্রিকাকে জানান, দানের টাকা এবং স্বর্ণালংকার বাক্সে রাখেন দানকারীরা। এ ছাড়া দানের অন্যান্য সামগ্রী গ্রহণ করার জন্য আমাদের নির্ধারিত ঘর আছে। এ সব সামগ্রী প্রতিদিন নিলামে বিক্রি করে টাকা রূপালী ব্যাংকে থাকা মসজিদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।
কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পাগলা মসজিদের টাকা গণনা কমিটির আহ্বায়ক ফরিদা ইয়াসমিন আজকের পত্রিকাকে জানান, দানের এসব টাকা পাগলা মসজিদসহ জেলা বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানাসহ গরিব ছাত্রদের জন্য ব্যয় করা হয়। তবে মসজিদের অ্যাকাউন্টে বর্তমানে কত টাকা জমা আছে, তা জানাতে পারেননি তিনি।
উল্লেখ্য, প্রায় আড়াই শ বছর আগে পাগলপ্রায় এক আধ্যাত্মিক পুরুষ খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যস্থলে মাদুর পেতে ভেসে এসে এই মসজিদ এলাকায় থামেন বলে কিংবদন্তি রয়েছে। তাঁকে ঘিরে সেখানে অনেক ভক্ত সমবেত হতেন। ওই পাগলের মৃত্যুর পর সমাধির পাশে মসজিদ গড়ে ওঠে। কালক্রমে এটি পরিচিতি পায় পাগলা মসজিদ নামে। মসজিদটি মুসলমানদের পাশাপাশি অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছেও পবিত্র ধর্মীয় স্থান হিসেবে সমাদৃত। প্রথমে জেলা শহরের হয়বতনগর দেওয়ানবাড়ির ওয়াকফকৃত মসজিদের ভূমির পরিমাণ ছিল ১০ শতাংশ। বর্তমানে এর পরিমাণ ৩ একর ৮৮ শতাংশ।

কিশোরগঞ্জ: ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান বাক্সে ৪ মাস ২৬ দিনে মিলেছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। এ ছাড়া পাওয়া গেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রা। এর আগে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি দানবাক্স খুলে পাওয়া গিয়েছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা। মূলত তিন মাস পরপর দানবাক্স খোলা হয়। তবে করোনার কারণে এবার একটু দেরিতে খোলা হলো।
আজ শনিবার সকালে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মসজিদের আটটি লোহার দানবাক্স খুলে বের করা হয়েছে ১২ বস্তা টাকা। সেসব টাকা মসজিদের মেঝেতে বসে গুনছে কয়েকশ মাদ্রাসা ছাত্র। শুধু টাকা না সঙ্গে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে।
দান করতে আসা কয়েকজন বলেন, এ মসজিদে সঠিক নিয়তে মানত করলে রোগবালাই দূর হওয়াসহ মনোবাসনা পূর্ণ হয়। এমন বিশ্বাস থেকেই আমরা এসেছি। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সব ধর্মের মানুষ এখানে মানত করতে আসেন এবং নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা, ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন সামগ্রী দান করে থাকেন। আমরাও এসেছি, মানতের জিনিস দিলাম। নামাজও পড়েছি। এখন অনেক শান্তি লাগছে।
পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শওকত আলী আজকের পত্রিকাকে জানান, দানের টাকা এবং স্বর্ণালংকার বাক্সে রাখেন দানকারীরা। এ ছাড়া দানের অন্যান্য সামগ্রী গ্রহণ করার জন্য আমাদের নির্ধারিত ঘর আছে। এ সব সামগ্রী প্রতিদিন নিলামে বিক্রি করে টাকা রূপালী ব্যাংকে থাকা মসজিদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়।
কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পাগলা মসজিদের টাকা গণনা কমিটির আহ্বায়ক ফরিদা ইয়াসমিন আজকের পত্রিকাকে জানান, দানের এসব টাকা পাগলা মসজিদসহ জেলা বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানাসহ গরিব ছাত্রদের জন্য ব্যয় করা হয়। তবে মসজিদের অ্যাকাউন্টে বর্তমানে কত টাকা জমা আছে, তা জানাতে পারেননি তিনি।
উল্লেখ্য, প্রায় আড়াই শ বছর আগে পাগলপ্রায় এক আধ্যাত্মিক পুরুষ খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যস্থলে মাদুর পেতে ভেসে এসে এই মসজিদ এলাকায় থামেন বলে কিংবদন্তি রয়েছে। তাঁকে ঘিরে সেখানে অনেক ভক্ত সমবেত হতেন। ওই পাগলের মৃত্যুর পর সমাধির পাশে মসজিদ গড়ে ওঠে। কালক্রমে এটি পরিচিতি পায় পাগলা মসজিদ নামে। মসজিদটি মুসলমানদের পাশাপাশি অন্য ধর্মাবলম্বীদের কাছেও পবিত্র ধর্মীয় স্থান হিসেবে সমাদৃত। প্রথমে জেলা শহরের হয়বতনগর দেওয়ানবাড়ির ওয়াকফকৃত মসজিদের ভূমির পরিমাণ ছিল ১০ শতাংশ। বর্তমানে এর পরিমাণ ৩ একর ৮৮ শতাংশ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে