
কিশোরগঞ্জের আলোচিত পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে, যেগুলোর গণনা চলছে। জেলা শহরের ঐতিহাসিক মসজিদটিতে ১৩টি দানবাক্স আছে, যেগুলো সাধারণত তিন মাস পরপর খোলা হয়। এবার খোলা হয়েছে ৩ মাস ২৭ দিন পর। ধারণা করা হচ্ছে, অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে এবার।

জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান বলেন, পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এখন টাকা গণনার কাজ চলছে। পাগলা মসজিদের সিন্দুক খুলে পাওয়া টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়। এ ছাড়া স্বর্ণালংকার জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় নিলামে বিক্রি করা হয়।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ‘মাজারে কিছু হামলা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে রিপোর্ট আছে। আমি আন্তমন্ত্রণালয় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্য। এগুলো নিয়ে প্রতি মাসেই আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়। আমরা মাজার এবং মসজিদ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব, আপনারা সিসি ক্যামেরা বসান। কোনো দুর্বৃত্ত যদি

শুক্রবার (৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (যুগ্মসচিব) ফৌজিয়া খান ওয়েবসাইটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি ওয়েবসাইটের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে বিকাশ ব্যবহার করে ৫ হাজার ৪০০ টাকা দান করেন।