কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, আপনাদের এই জমায়েত আমাদের বিশ্বাস করায়, যাঁরা এখন মামলা বাণিজ্য করছেন, যাঁরা চাঁদাবাজি করছেন, তাঁদের দিন ফুরিয়ে আসছে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, আমাদের এই তরুণ প্রজন্ম যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে, তাহলে দুর্নীতিবাজরা পালানোর জায়গা পাবে না।’
গতকাল শনিবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরান থানায় অনুষ্ঠিত পথসভায় হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন। ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই পথসভা করে এনসিপি।
হাসনাত বলেন, ‘আমরা যদি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই, তাহলে প্রথমত আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এনসিপির ব্যানারে, এনসিপিকে সঙ্গে নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে থাকতে হবে। নিজের বাবাও যদি দুর্নীতি করেন, তাঁকেও ছাড় দেওয়া যাবে না। বাবাকে প্রশ্ন করতে হবে, ৩০ হাজার টাকার বেতন দিয়ে কীভাবে ৪০ হাজার টাকার বাসায় থাকেন। নিজের ঘর থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু করতে হবে।’
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমাদের এনসিপির কর্মীদের অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে আলাদা হতে হবে। আপনারা নিজেরাও দুর্নীতি করতে পারবেন না। কেউ দুর্নীতি করলে তা প্রতিহত করতে হবে। নিজেদের টেন্ডারবাজি করা যাবে না। কেউ করলে প্রতিহত করতে হবে। সাংগঠনিকভাবে আমাদের সুসংহত হতে হবে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে এনসিপির নেতা-কর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়। আমরা আপনাদের বলছি, আপনারা ধৈর্য ধরুন, সংগঠনকে সুসংহত করুন। উপজেলা পর্যায়ে, ইউনিয়ন পর্যায়ে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আগামী এক মাসের মধ্যে আমাদের কমিটিগুলো দিন। এলাকায় যত সুনাগরিক আছেন, তাঁদের হাতে-পায়ে ধরে এনসিপিতে নিয়ে আসুন। আমরা ভালো মানুষদের নিয়ে দল করতে চাই। পয়সাওয়ালা ১০০ চাঁদাবাজ থেকে একজন শিক্ষিত ভালো মানুষ দিয়ে দল করব। আমাদের লাখ লাখ কর্মীর প্রয়োজন নেই। আমাদের লাখ লাখ দুর্নীতিবাজের প্রয়োজন নেই। ১০টা ভালো মানুষ নিয়ে হলেও আমরা রাজপথে লড়াই অব্যাহত রাখব।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা জানি, একটা এলাকায় অনেক গ্রুপিং থাকে। অনেক ব্যক্তি রাজনীতিতে থাকেন। সেগুলোর ঊর্ধ্বে উঠে আজকের মতো সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এনসিপির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি, এনসিপির নেতা-কর্মীদের জন্য প্রয়োজন হলে আমাদের জীবন দিয়ে দিতে প্রস্তুত। আমাদের কর্মীদের জীবন, আমাদের কর্মীদের রক্ত, আমাদের কর্মীদের ঘামের মধ্য দিয়ে আমরা নেতা হয়েছি। আমাদের কর্মীদের এক ফোঁটা ঘামের দাম দিতে আমাদের যদি জীবন দিতে হয়, আমরা জীবন দেব। আমাদের এনসিপিকে সুসংহত করতে হবে।’
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমীন প্রমুখ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, আপনাদের এই জমায়েত আমাদের বিশ্বাস করায়, যাঁরা এখন মামলা বাণিজ্য করছেন, যাঁরা চাঁদাবাজি করছেন, তাঁদের দিন ফুরিয়ে আসছে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, আমাদের এই তরুণ প্রজন্ম যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে, তাহলে দুর্নীতিবাজরা পালানোর জায়গা পাবে না।’
গতকাল শনিবার রাতে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পুরান থানায় অনুষ্ঠিত পথসভায় হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন। ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই পথসভা করে এনসিপি।
হাসনাত বলেন, ‘আমরা যদি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই, তাহলে প্রথমত আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এনসিপির ব্যানারে, এনসিপিকে সঙ্গে নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে থাকতে হবে। নিজের বাবাও যদি দুর্নীতি করেন, তাঁকেও ছাড় দেওয়া যাবে না। বাবাকে প্রশ্ন করতে হবে, ৩০ হাজার টাকার বেতন দিয়ে কীভাবে ৪০ হাজার টাকার বাসায় থাকেন। নিজের ঘর থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু করতে হবে।’
এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আমাদের এনসিপির কর্মীদের অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে আলাদা হতে হবে। আপনারা নিজেরাও দুর্নীতি করতে পারবেন না। কেউ দুর্নীতি করলে তা প্রতিহত করতে হবে। নিজেদের টেন্ডারবাজি করা যাবে না। কেউ করলে প্রতিহত করতে হবে। সাংগঠনিকভাবে আমাদের সুসংহত হতে হবে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েছি অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে এনসিপির নেতা-কর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়। আমরা আপনাদের বলছি, আপনারা ধৈর্য ধরুন, সংগঠনকে সুসংহত করুন। উপজেলা পর্যায়ে, ইউনিয়ন পর্যায়ে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আগামী এক মাসের মধ্যে আমাদের কমিটিগুলো দিন। এলাকায় যত সুনাগরিক আছেন, তাঁদের হাতে-পায়ে ধরে এনসিপিতে নিয়ে আসুন। আমরা ভালো মানুষদের নিয়ে দল করতে চাই। পয়সাওয়ালা ১০০ চাঁদাবাজ থেকে একজন শিক্ষিত ভালো মানুষ দিয়ে দল করব। আমাদের লাখ লাখ কর্মীর প্রয়োজন নেই। আমাদের লাখ লাখ দুর্নীতিবাজের প্রয়োজন নেই। ১০টা ভালো মানুষ নিয়ে হলেও আমরা রাজপথে লড়াই অব্যাহত রাখব।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা জানি, একটা এলাকায় অনেক গ্রুপিং থাকে। অনেক ব্যক্তি রাজনীতিতে থাকেন। সেগুলোর ঊর্ধ্বে উঠে আজকের মতো সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এনসিপির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি, এনসিপির নেতা-কর্মীদের জন্য প্রয়োজন হলে আমাদের জীবন দিয়ে দিতে প্রস্তুত। আমাদের কর্মীদের জীবন, আমাদের কর্মীদের রক্ত, আমাদের কর্মীদের ঘামের মধ্য দিয়ে আমরা নেতা হয়েছি। আমাদের কর্মীদের এক ফোঁটা ঘামের দাম দিতে আমাদের যদি জীবন দিতে হয়, আমরা জীবন দেব। আমাদের এনসিপিকে সুসংহত করতে হবে।’
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমীন প্রমুখ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে