পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পৃথক দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আসাদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে হোসেনপুর সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার আসাদুল ইসলাম উপজেলার পাটুয়াভাঙা ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসাদুল ইসলাম (৩০) একজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। গত ১২ জুন তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত পৃথক দুটি মামলায় সাজা দেয় আদালত। একটি মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড ও সাত লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অপর একটি মামলায় ছয় মাসের কারাদণ্ড ও নয় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সাজা হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার হোসেনপুর সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া একই দিন রাতে প্রায় ১১ বছর আগে মাদক মামলায় আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া হুমায়ুন কবীর (৪০) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। উপজেলার চরপাড়াতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের খুরশেদ আলমের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকার তেজগাঁও থানায় মাদক আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে আদালত।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের মধ্যে একজন আলাদা দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। অপর একজনের বিরুদ্ধে ১১ বছর আগে পরোয়ানা জারি ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তারা পলাতক ছিলেন।’

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পৃথক দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আসাদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে হোসেনপুর সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার আসাদুল ইসলাম উপজেলার পাটুয়াভাঙা ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসাদুল ইসলাম (৩০) একজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। গত ১২ জুন তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত পৃথক দুটি মামলায় সাজা দেয় আদালত। একটি মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড ও সাত লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অপর একটি মামলায় ছয় মাসের কারাদণ্ড ও নয় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সাজা হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার হোসেনপুর সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া একই দিন রাতে প্রায় ১১ বছর আগে মাদক মামলায় আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া হুমায়ুন কবীর (৪০) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। উপজেলার চরপাড়াতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের খুরশেদ আলমের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকার তেজগাঁও থানায় মাদক আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করে আদালত।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া দুজনের মধ্যে একজন আলাদা দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। অপর একজনের বিরুদ্ধে ১১ বছর আগে পরোয়ানা জারি ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তারা পলাতক ছিলেন।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে