অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ্যে সড়কের ওপর দুলাল মিয়া নামে একজনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন রনি মিয়া এবং একই সময় ফরিদ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে জখম করেছেন কায়েছ মিয়া— এই অভিযোগে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় করা একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
গত ১৭ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের ডায়বেটিস সমিতির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কিন্তু স্বজনদের দাবি, রনি মিয়া ১৬ বছর আগে খুন হয়েছেন এবং কায়েছ মিয়া সাত বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল অষ্টগ্রামের খয়েরপুর–আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের আব্দুল্লাপুর গ্রামের কয়েকজন কিশোরগঞ্জ আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের ডায়াবেটিস সমিতির সামনের সড়কে হামলার শিকার হন।
তাঁদের মধ্যে দুলাল মিয়া মামলার ২ নম্বর সাক্ষী। মামলার ৩১ নম্বর আসামি রনি ছুরি দিয়ে দুলাল মিয়ার ডান কাঁধে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। আর মামলার ২০ নং আসামি কায়েছ মিয়া আরেক সাক্ষী কবির মিয়াকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়েছেন। পরে আরেক আসামি হাকিম তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়ে আরেক সাক্ষী ফরিদ মিয়াকে লোহার রড দিয়ে পেটান।
এ ঘটনায় বাদী হয়ে ২০ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় ৩১ জনকে আসামি করে মামলা করেন আব্দুল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা আয়ুব আলী। তবে আসামিদের স্বজনরা জানান, এজাহারভুক্ত আসামি রনি (বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ২৭ বছর) ২০০৯ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ঢাকায় খুন হন। আর কায়েছ মিয়া ৭ বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী।
কায়েছ মিয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাত বছর ধরে বিদেশ থাকি, তিন বছর আগে বড় ছেলেকেও মালয়েশিয়া নিয়ে আসছি। আমি কীভাবে দেশে গিয়ে মারপিট করলাম? আমি এই মিথ্যা মামলার বাদী ও সাক্ষীর শাস্তি চাই।’
রনির মা রহিমা মামলার বিষয়ে বলেন, ‘আমার নিভানো আগুন জ্বালিয়ে দিল ওরা! ২০০৯ সালে ঢাকা বিমানবন্দর এলাকায় খুন হয় আমার ছেলেটা। এখনো সেই মামলা চলছে। খুন হওয়া ছেলেরে আসামি করছে, তাদের উদ্দেশ্য কী? আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
আরেক আসামি ৫৫ বছর বয়সী আক্তার মিয়া বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি আব্দুল্লাপুর হাওরে হাঁসের খামার ছিলাম। অলৌকিকভাবে কিশোরগঞ্জ গেলাম কেমনে? মিথ্যা আসামি করা হয়েছে আমারে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী আয়ূব আলী বলেন, ‘সাত বছর আগে যদি বিদেশ থাকে, ওনারা কীভাবে জড়িত থাকব কিশোরগঞ্জে, থাকব না। এইডা ভুলের মাধ্যমে নাম দিতে পারে। যেরা যেরা (সাক্ষী) মাইর খাইছে হেরা প্রত্যেকে নাম কইছে, হেই (সেই) নামগুলোই আসামি করা হইছে।’
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ তুতুল উদ্দিন বলেন, ‘ওসি স্যার ছুটিতে আছেন, বিষয়টি এখনই জানলাম। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রকাশ্যে সড়কের ওপর দুলাল মিয়া নামে একজনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন রনি মিয়া এবং একই সময় ফরিদ মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে জখম করেছেন কায়েছ মিয়া— এই অভিযোগে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় করা একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
গত ১৭ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের ডায়বেটিস সমিতির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কিন্তু স্বজনদের দাবি, রনি মিয়া ১৬ বছর আগে খুন হয়েছেন এবং কায়েছ মিয়া সাত বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল অষ্টগ্রামের খয়েরপুর–আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের আব্দুল্লাপুর গ্রামের কয়েকজন কিশোরগঞ্জ আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের ডায়াবেটিস সমিতির সামনের সড়কে হামলার শিকার হন।
তাঁদের মধ্যে দুলাল মিয়া মামলার ২ নম্বর সাক্ষী। মামলার ৩১ নম্বর আসামি রনি ছুরি দিয়ে দুলাল মিয়ার ডান কাঁধে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। আর মামলার ২০ নং আসামি কায়েছ মিয়া আরেক সাক্ষী কবির মিয়াকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়েছেন। পরে আরেক আসামি হাকিম তাঁর সঙ্গে যোগ দিয়ে আরেক সাক্ষী ফরিদ মিয়াকে লোহার রড দিয়ে পেটান।
এ ঘটনায় বাদী হয়ে ২০ এপ্রিল কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় ৩১ জনকে আসামি করে মামলা করেন আব্দুল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা আয়ুব আলী। তবে আসামিদের স্বজনরা জানান, এজাহারভুক্ত আসামি রনি (বয়স উল্লেখ করা হয়েছে ২৭ বছর) ২০০৯ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় ঢাকায় খুন হন। আর কায়েছ মিয়া ৭ বছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী।
কায়েছ মিয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সাত বছর ধরে বিদেশ থাকি, তিন বছর আগে বড় ছেলেকেও মালয়েশিয়া নিয়ে আসছি। আমি কীভাবে দেশে গিয়ে মারপিট করলাম? আমি এই মিথ্যা মামলার বাদী ও সাক্ষীর শাস্তি চাই।’
রনির মা রহিমা মামলার বিষয়ে বলেন, ‘আমার নিভানো আগুন জ্বালিয়ে দিল ওরা! ২০০৯ সালে ঢাকা বিমানবন্দর এলাকায় খুন হয় আমার ছেলেটা। এখনো সেই মামলা চলছে। খুন হওয়া ছেলেরে আসামি করছে, তাদের উদ্দেশ্য কী? আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
আরেক আসামি ৫৫ বছর বয়সী আক্তার মিয়া বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি আব্দুল্লাপুর হাওরে হাঁসের খামার ছিলাম। অলৌকিকভাবে কিশোরগঞ্জ গেলাম কেমনে? মিথ্যা আসামি করা হয়েছে আমারে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী আয়ূব আলী বলেন, ‘সাত বছর আগে যদি বিদেশ থাকে, ওনারা কীভাবে জড়িত থাকব কিশোরগঞ্জে, থাকব না। এইডা ভুলের মাধ্যমে নাম দিতে পারে। যেরা যেরা (সাক্ষী) মাইর খাইছে হেরা প্রত্যেকে নাম কইছে, হেই (সেই) নামগুলোই আসামি করা হইছে।’
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ তুতুল উদ্দিন বলেন, ‘ওসি স্যার ছুটিতে আছেন, বিষয়টি এখনই জানলাম। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে