নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার তানভির আহসান ও তাঁর স্ত্রী নাহিদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় নিয়মিত মামলা না হওয়ায় ওই দম্পতিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। অন্যদিকে দুজনের পক্ষে জামিনের আবেদন জানান তাঁদের আইনজীবীরা। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়মিত মামলা রুজু হলে তাঁদেরকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। নির্যাতিত গৃহকর্মী সুইটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁরা মামলা করবেন। উদ্ধার হওয়া মেয়েটির শরীরে অসংখ্য নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে।
জানা গেছে, গ্রেপ্তার তানভির আহসান একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। আর তাঁর স্ত্রী নাহিদ আইনজীবী। নির্যাতনের শিকার মেয়েটির বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার নবাবপুর গ্রামে। নয় মাস ধরে সে সেগুনবাগিচায় ওই দম্পতির বাসায় কাজ করছিল।
প্রায় প্রতিদিনই ‘নানা অজুহাতে’ ওই দম্পতি মেয়েটিকে মারধর করতেন। নির্যাতনে মেয়েটির শরীরে জখমের চিহ্নসহ কিছু ছবি শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন এক প্রতিবেশী। ছবিতে মেয়েটির চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম এবং আগুনে পোড়া ঘা দেখা যায়।
এরপর একজন সংবাদকর্মী বিষয়টি পুলিশকে জানান। আরও একজন জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশে খবর দেন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাটি অনুসন্ধানের জন্য শাহবাগ ও রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশের পর শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি দল শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তোপখানা রোডের ওই বাসায় গিয়ে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে এবং মেয়েটিকে উদ্ধার করে। মেয়েটি এখন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার তানভির আহসান ও তাঁর স্ত্রী নাহিদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় নিয়মিত মামলা না হওয়ায় ওই দম্পতিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। অন্যদিকে দুজনের পক্ষে জামিনের আবেদন জানান তাঁদের আইনজীবীরা। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়মিত মামলা রুজু হলে তাঁদেরকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। নির্যাতিত গৃহকর্মী সুইটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁরা মামলা করবেন। উদ্ধার হওয়া মেয়েটির শরীরে অসংখ্য নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে।
জানা গেছে, গ্রেপ্তার তানভির আহসান একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। আর তাঁর স্ত্রী নাহিদ আইনজীবী। নির্যাতনের শিকার মেয়েটির বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার নবাবপুর গ্রামে। নয় মাস ধরে সে সেগুনবাগিচায় ওই দম্পতির বাসায় কাজ করছিল।
প্রায় প্রতিদিনই ‘নানা অজুহাতে’ ওই দম্পতি মেয়েটিকে মারধর করতেন। নির্যাতনে মেয়েটির শরীরে জখমের চিহ্নসহ কিছু ছবি শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন এক প্রতিবেশী। ছবিতে মেয়েটির চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন, শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম এবং আগুনে পোড়া ঘা দেখা যায়।
এরপর একজন সংবাদকর্মী বিষয়টি পুলিশকে জানান। আরও একজন জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশে খবর দেন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাটি অনুসন্ধানের জন্য শাহবাগ ও রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশের পর শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি দল শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তোপখানা রোডের ওই বাসায় গিয়ে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে এবং মেয়েটিকে উদ্ধার করে। মেয়েটি এখন চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে