কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

প্রথমবারের মতো কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কাউন্সিলে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার কলেজের মুক্তমঞ্চে এই ভোটগ্রহণ হয়। এতে ২৩৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন জামির আহম্মেদ মসনদ, আর ১৫৫ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক হন শিমুল হোসেন।
এর আগে কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাতের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বি। উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান আউয়াল, যুগ্ম সম্পাদক রাজীব আহম্মেদ, মোকছেদুল মোমিন মিথুন প্রমুখ।
এ সময় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে একটি ইতিবাচক রাজনীতির শুভসূচনা হয়েছে। গত সাড়ে ১৬ বছর ধরে বাংলাদেশে অগণতান্ত্রিক সরকার ছিল। আমরা চাইলেও কাউন্সিল করতে পারিনি, পছন্দমতো পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারিনি।
নাছির উদ্দীন বলেন, খুনি হাসিনা সরকারের দোসররা প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে নিকৃষ্টতম মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করেছিল। তার বিপরীতে এখন একটি ভালো সময় উপনীত হয়েছে। আমরা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চাই। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদলের ৩৮টি সাংগঠনিক টিম প্রথম পর্বের কাজ শেষ করে দ্বিতীয় পর্বের কাজ শুরু করেছে। যেটি গত দুই দিন ধরে সারা দেশে চলছে। এই পর্বে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে প্রথম।
এদিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই ভোট নিয়ে উৎসাহ লক্ষ করা গেছে। মুক্তমঞ্চের সামনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের ভোটার নম্বর খুঁজে পেতে সহযোগিতা করছে প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা (মেয়ে-ছেলে) আলাদা আলাদা বুথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

প্রথমবারের মতো কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কাউন্সিলে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার কলেজের মুক্তমঞ্চে এই ভোটগ্রহণ হয়। এতে ২৩৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন জামির আহম্মেদ মসনদ, আর ১৫৫ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক হন শিমুল হোসেন।
এর আগে কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাতের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বি। উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান আউয়াল, যুগ্ম সম্পাদক রাজীব আহম্মেদ, মোকছেদুল মোমিন মিথুন প্রমুখ।
এ সময় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে একটি ইতিবাচক রাজনীতির শুভসূচনা হয়েছে। গত সাড়ে ১৬ বছর ধরে বাংলাদেশে অগণতান্ত্রিক সরকার ছিল। আমরা চাইলেও কাউন্সিল করতে পারিনি, পছন্দমতো পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারিনি।
নাছির উদ্দীন বলেন, খুনি হাসিনা সরকারের দোসররা প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসে নিকৃষ্টতম মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করেছিল। তার বিপরীতে এখন একটি ভালো সময় উপনীত হয়েছে। আমরা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে চাই। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্রদলের ৩৮টি সাংগঠনিক টিম প্রথম পর্বের কাজ শেষ করে দ্বিতীয় পর্বের কাজ শুরু করেছে। যেটি গত দুই দিন ধরে সারা দেশে চলছে। এই পর্বে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে প্রথম।
এদিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই ভোট নিয়ে উৎসাহ লক্ষ করা গেছে। মুক্তমঞ্চের সামনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। তাঁদের ভোটার নম্বর খুঁজে পেতে সহযোগিতা করছে প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা (মেয়ে-ছেলে) আলাদা আলাদা বুথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে