প্রতিনিধি, মেহেরপুর

মেহেরপুরের করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণের দিকে। কারণ করোনা ইউনিটে মৃত্যু হার এবং সংক্রমণ হার ক্রমশ শূন্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালের করোনা ইউনিটের রেড জোনে তেমন কোন রোগী নেই। অথচ কিছুদিন আগে করোনা রোগীদের এ ইউনিটে জায়গা দেওয়া যেত না। গত ৪ সেপ্টেম্বর মেহেরপুরে নতুন করোনা পজিটিভ ছিল ৩ জন। যে সংখ্যা আগে ছিল ২৫০ থেকে ৩০০ জন পর্যন্ত। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এভাবেই নিজের অনুভূতির কথা জানালেন মেহেরপুর সিভিল সার্জন নাসির উদ্দিন।
সরেজমিনে ২৫০ শয্যার মেহেরপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল ব্যতিক্রমী এই চিত্র। করোনা ইউনিটে নেই রোগী, তাঁদের স্বজনসহ চিকিৎসক নার্সদের নেই কোন হুড়োহুড়ি। যেখানে আগে করোনার রেড ইউনিটে ১০০ বেড ভর্তি হওয়ার পর রোগীদের রাখা হতো মেঝেতে। সেখানে এখন কোন রোগী নেই। এখন সেখানে অন্য রোগে আক্রান্ত রোগীদের থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন নার্স ও চিকিৎসক বলেন-প্রতিদিন স্বজনহারাদের কান্না আর মৃতদেহ টানতে টানতে খাওয়া, ঘুম, হাসি আমাদের জীবন থেকে কেড়ে নিয়েছিল করোনা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা ডিউটি করেও করোনা রোগীর চাপ সামলাতে পারিনি আমরা। তখন জনবল সংকটের কারণে অনেক রোগীকে অক্সিজেনের পাশাপাশি ঠিকমতো চিকিৎসাসেবা দেওয়াও সম্ভব হয়নি। এ সময় চিকিৎসা ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততার কারণে চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীকে ঠিক সময়ে চিকিৎসা দিতে পারেনি। এ জন্য অনেক রোগীকে চোখের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছি। সেই দিনগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠলে মনটা ভারী হয়ে উঠে। তবে করোনা দেশের চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থাকে অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছে।
পাশে করোনার ইয়েলো ইউনিটে ১৫-২০ জন রোগী দেখা গেল। চিকিৎসকদের মতে, এরা করোনা নয়, করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগী। এখানে মেহেরপুরের আমঝুপি গ্রাম থেকে আসা রোগী তছলিমা খাতুনের ছেলে সোহরাব সানভি জানান, মায়ের সর্দি, কাশি, হালকা শ্বাসকষ্ট, চার দিন ধরে জ্বর কমছে না। তাই হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। চিকিৎসকেরা বলছেন, অ্যাজমার কারণে শ্বাসকষ্ট। তা ছাড়া এটা সাধারণ জ্বর, সর্দি কাশি। নমুনা পরীক্ষা শেষে ছেড়ে দেবে বলেছেন চিকিৎসকেরা।
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের সুপার রফিকুল ইসলাম জানান, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে চিকিৎসকদের মনোবল ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল। ধীরে ধীরে মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ায় এবং করোনা টিকা নিতে মানুষ আগ্রহী হয়ে ওঠার কারণে এখন করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। তিনি জানান, এখন হাসপাতালে করোনা রেড জোনে কোনো রোগী নেই। ইয়েলো জোনে যে রোগী রয়েছে সেগুলো করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগী। গত ১০ দিনে মেহেরপুরে করোনায় মারা গেছে ১ জন।
এ বিষয়ে মেহেরপুর সিভিল সার্জন জানান, সংক্রমণ হার কমে যাওয়ায় নমুনা পরীক্ষা হারও নেই বললেই চলে। আগে যেখানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হতো। এ জন্য সকাল থেকে মানুষের লম্বা লাইন থাকত নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্রে। প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ত। এখন সেখানে নমুনা পরীক্ষা দিতে আসে ১৫ থেকে ২০ জন। তার মধ্যে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে ৩ জনের। আরও কিছুদিন করোনা টিকা কার্যক্রম চালিয়ে গেলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।

মেহেরপুরের করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণের দিকে। কারণ করোনা ইউনিটে মৃত্যু হার এবং সংক্রমণ হার ক্রমশ শূন্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালের করোনা ইউনিটের রেড জোনে তেমন কোন রোগী নেই। অথচ কিছুদিন আগে করোনা রোগীদের এ ইউনিটে জায়গা দেওয়া যেত না। গত ৪ সেপ্টেম্বর মেহেরপুরে নতুন করোনা পজিটিভ ছিল ৩ জন। যে সংখ্যা আগে ছিল ২৫০ থেকে ৩০০ জন পর্যন্ত। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে এভাবেই নিজের অনুভূতির কথা জানালেন মেহেরপুর সিভিল সার্জন নাসির উদ্দিন।
সরেজমিনে ২৫০ শয্যার মেহেরপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল ব্যতিক্রমী এই চিত্র। করোনা ইউনিটে নেই রোগী, তাঁদের স্বজনসহ চিকিৎসক নার্সদের নেই কোন হুড়োহুড়ি। যেখানে আগে করোনার রেড ইউনিটে ১০০ বেড ভর্তি হওয়ার পর রোগীদের রাখা হতো মেঝেতে। সেখানে এখন কোন রোগী নেই। এখন সেখানে অন্য রোগে আক্রান্ত রোগীদের থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন নার্স ও চিকিৎসক বলেন-প্রতিদিন স্বজনহারাদের কান্না আর মৃতদেহ টানতে টানতে খাওয়া, ঘুম, হাসি আমাদের জীবন থেকে কেড়ে নিয়েছিল করোনা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা ডিউটি করেও করোনা রোগীর চাপ সামলাতে পারিনি আমরা। তখন জনবল সংকটের কারণে অনেক রোগীকে অক্সিজেনের পাশাপাশি ঠিকমতো চিকিৎসাসেবা দেওয়াও সম্ভব হয়নি। এ সময় চিকিৎসা ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততার কারণে চিকিৎসক ও নার্সরা রোগীকে ঠিক সময়ে চিকিৎসা দিতে পারেনি। এ জন্য অনেক রোগীকে চোখের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছি। সেই দিনগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠলে মনটা ভারী হয়ে উঠে। তবে করোনা দেশের চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থাকে অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছে।
পাশে করোনার ইয়েলো ইউনিটে ১৫-২০ জন রোগী দেখা গেল। চিকিৎসকদের মতে, এরা করোনা নয়, করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগী। এখানে মেহেরপুরের আমঝুপি গ্রাম থেকে আসা রোগী তছলিমা খাতুনের ছেলে সোহরাব সানভি জানান, মায়ের সর্দি, কাশি, হালকা শ্বাসকষ্ট, চার দিন ধরে জ্বর কমছে না। তাই হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। চিকিৎসকেরা বলছেন, অ্যাজমার কারণে শ্বাসকষ্ট। তা ছাড়া এটা সাধারণ জ্বর, সর্দি কাশি। নমুনা পরীক্ষা শেষে ছেড়ে দেবে বলেছেন চিকিৎসকেরা।
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের সুপার রফিকুল ইসলাম জানান, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে চিকিৎসকদের মনোবল ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছিল। ধীরে ধীরে মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ায় এবং করোনা টিকা নিতে মানুষ আগ্রহী হয়ে ওঠার কারণে এখন করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। তিনি জানান, এখন হাসপাতালে করোনা রেড জোনে কোনো রোগী নেই। ইয়েলো জোনে যে রোগী রয়েছে সেগুলো করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগী। গত ১০ দিনে মেহেরপুরে করোনায় মারা গেছে ১ জন।
এ বিষয়ে মেহেরপুর সিভিল সার্জন জানান, সংক্রমণ হার কমে যাওয়ায় নমুনা পরীক্ষা হারও নেই বললেই চলে। আগে যেখানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হতো। এ জন্য সকাল থেকে মানুষের লম্বা লাইন থাকত নমুনা সংগ্রহ কেন্দ্রে। প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ত। এখন সেখানে নমুনা পরীক্ষা দিতে আসে ১৫ থেকে ২০ জন। তার মধ্যে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে ৩ জনের। আরও কিছুদিন করোনা টিকা কার্যক্রম চালিয়ে গেলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।

রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৫ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৫ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে পাচারের অপেক্ষায় জড়ো করে রাখা হয়েছে অন্তত ৭ হাজার বার্মিজ গরু। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ গরু ঢুকিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র। আর গত পাঁচ দিনে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা।
৫ ঘণ্টা আগে