কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

‘মনে রাখবেন আমি ইনু ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে রাখব, আমি ইনু প্রত্যেকটি ভোট গুনে গুনে নেব’—এমন কথা বলেছেন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে মহাজোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে মিরপুর উপজেলার আমলা সদরপুরে নৌকার সমর্থক গোষ্ঠীর ব্যানারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সভায় ইনু এই কথা বলেন।
নির্বাচনে যাঁরা দাঁড়িয়েছেন তাঁদের উদ্দেশে ইনু বলেন, ‘মুখ খারাপ করে গালি দেবেন না কেউ, মারামারি করবেন না, পোস্টার পোড়াবেন না, নির্বাচন অফিস ভাঙচুর করবেন না, ভোটকেন্দ্র দখলের হুমকি দেবেন না। আরে ভাই যারা হুমকি দেয় তারা কেউ নেই, আমরা আছি। যারা বাহিনী চালাত, মাস্তান পুষত তারা কেউ নেই, আমরা আছি। সুতরাং আগামী ৭ তারিখের নির্বাচনে আপনারা আনন্দের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। মনে রাখবেন আমি ইনু ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে রাখব, আমি ইনু প্রত্যেকটি ভোট গুনে গুনে নেব।’
মহাজোটের এই প্রার্থী বলেন, ‘আমি এমপি হিসেবে দুটি কর্তব্যের মালিক। একটি রাষ্ট্রীয় কর্তব্য, আরেকটি এখানকার কর্তব্য। তাই শেখ হাসিনার পাশে থেকে রাষ্ট্রকে বাঁচানোও আমার কর্তব্য।’
‘শেখ হাসিনা বলেছেন ভাই ইনু-মেনন আমার পাশে থাকেন। যাতে পেছন থেকে কেউ গুলি না মারে’— বক্তব্যে এমন কথাও বলেন হাসানুল হক ইনু।
ইনু বলেন, ‘আমরা ঐক্য করেছি যাতে শেখ হাসিনা সামনে তাকিয়ে তরতর করে এগিয়ে যেতে পারে।’
এ সময় ইনু মিরপুর-ভেড়ামারাবাসীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনারা শান্তি চান নাকি অশান্তি। আপনারা মাস্তান চান নাকি ভালো মানুষ চান। আপনারা টেন্ডারবাজ গুন্ডা বাহিনী চান নাকি ভালো মানুষ চান। যদি ভালো মানুষ চান, সৎ মানুষ চান, উন্নয়ন চান, শান্তি চান তাহলে নৌকা মার্কায় একটি ভোট দেন।
সভায় বক্তব্য দেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল মালিথা, আতাহার আলী, জেলা পরিষদের সদস্য মহম্মদ আলী জোয়াদ্দর, সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা আশরাফুল ইসলামসহ আরও অনেকে। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জাসদের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, দুই প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর এই আসনে মোট ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র। এর মধ্যে ট্রাক প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে আছেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল আরেফিন। স্থানীয় ভোটাররা মনে করছেন, নির্বাচনে ইনুর সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে কামরুলের।

‘মনে রাখবেন আমি ইনু ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে রাখব, আমি ইনু প্রত্যেকটি ভোট গুনে গুনে নেব’—এমন কথা বলেছেন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে মহাজোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে মিরপুর উপজেলার আমলা সদরপুরে নৌকার সমর্থক গোষ্ঠীর ব্যানারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সভায় ইনু এই কথা বলেন।
নির্বাচনে যাঁরা দাঁড়িয়েছেন তাঁদের উদ্দেশে ইনু বলেন, ‘মুখ খারাপ করে গালি দেবেন না কেউ, মারামারি করবেন না, পোস্টার পোড়াবেন না, নির্বাচন অফিস ভাঙচুর করবেন না, ভোটকেন্দ্র দখলের হুমকি দেবেন না। আরে ভাই যারা হুমকি দেয় তারা কেউ নেই, আমরা আছি। যারা বাহিনী চালাত, মাস্তান পুষত তারা কেউ নেই, আমরা আছি। সুতরাং আগামী ৭ তারিখের নির্বাচনে আপনারা আনন্দের সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। মনে রাখবেন আমি ইনু ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে রাখব, আমি ইনু প্রত্যেকটি ভোট গুনে গুনে নেব।’
মহাজোটের এই প্রার্থী বলেন, ‘আমি এমপি হিসেবে দুটি কর্তব্যের মালিক। একটি রাষ্ট্রীয় কর্তব্য, আরেকটি এখানকার কর্তব্য। তাই শেখ হাসিনার পাশে থেকে রাষ্ট্রকে বাঁচানোও আমার কর্তব্য।’
‘শেখ হাসিনা বলেছেন ভাই ইনু-মেনন আমার পাশে থাকেন। যাতে পেছন থেকে কেউ গুলি না মারে’— বক্তব্যে এমন কথাও বলেন হাসানুল হক ইনু।
ইনু বলেন, ‘আমরা ঐক্য করেছি যাতে শেখ হাসিনা সামনে তাকিয়ে তরতর করে এগিয়ে যেতে পারে।’
এ সময় ইনু মিরপুর-ভেড়ামারাবাসীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনারা শান্তি চান নাকি অশান্তি। আপনারা মাস্তান চান নাকি ভালো মানুষ চান। আপনারা টেন্ডারবাজ গুন্ডা বাহিনী চান নাকি ভালো মানুষ চান। যদি ভালো মানুষ চান, সৎ মানুষ চান, উন্নয়ন চান, শান্তি চান তাহলে নৌকা মার্কায় একটি ভোট দেন।
সভায় বক্তব্য দেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুল মালিথা, আতাহার আলী, জেলা পরিষদের সদস্য মহম্মদ আলী জোয়াদ্দর, সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতা আশরাফুল ইসলামসহ আরও অনেকে। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জাসদের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, দুই প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর এই আসনে মোট ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র। এর মধ্যে ট্রাক প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে আছেন মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল আরেফিন। স্থানীয় ভোটাররা মনে করছেন, নির্বাচনে ইনুর সঙ্গে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে কামরুলের।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে