দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

নৌকায় ভোট না দিলে সোজা করে দেওয়ার বলে হুমকি দিয়েছেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত পার্থী আ কা ম সরোয়ার জাহান বাদশাহ। গতকাল সোমবার রাতে (২৫ ডিসেম্বর) উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বালিরদিয়ার বাজার এলাকায় এক পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।
ঘটনার ভিডিও আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরওয়ার জাহান বাদশাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কে তা আপনারা জানেন, আমাকে আপনারা চেনেন এবং জানেন, আমি বেশি কথা বলব না। এখানে যারা আছেন, ভোট আমাকে দিতে হবে। পরিষ্কার কথা। নৌকা মার্কায় আমাকে ভোট দিতে হবে। এই অধিকার আমার আছে। সুতরাং যার মনে যাই থাকুক না কেন? নাচানাচি, কুদাকুদি করেন না কেন? মন স্থির করেন, নৌকা মার্কায় বাদশাহকে ভোট দিতে হবে। উল্টাপাল্টা দুই একজন বকছে, সোজা করে দিব কিন্তু। আজকের পরে যদি উল্টাপাল্টা কথা আর শুনি, সোজা করে দিব এইটা মনে রাইখেন।’
এ বিষয়ে জানতে নৌকা মনোনীত পার্থী আ কা ম সরোয়ার জাহান বাদশাহার সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন রিমনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘নিউজটি আমার নোটিশে এসেছে। আসলে তাঁর বাড়ি চর এলাকায়। তিনি চর এলাকাগুলোকে (মরিচা, ফিলিপনগর, রামকৃষ্ণপুর, চিলমারী) নিজের এলাকা মনে করেন। কিছু লোক আগের দিন একই স্থানে তাঁর বিরুদ্ধে অশ্লীল কথাবার্তা বলেছে। মূলত তাঁদের উদ্দেশ্য তিনি এই বক্তব্য দিয়েছে।’
বিষয়টি গুরুত্ত্ব সহকারে তাঁরা নিচ্ছেন না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এটি সিরিয়াসলি নিচ্ছিনা। তবে এমন বক্তব্য দেওয়া ঠিক হয়নি। শাসন করার আরও ভাষা আছে। আমি মনে করি সংযত থেকে বক্তব্য দেওয়া উচিত ছিল।’
এ বিষয়ে নৌকা মনোনীত পার্থী আ কা ম সরোয়ার জাহান বাদশাহার ছেলে শাইখ আল জাহান শুভ্র বলেন, ‘আসলে হুমকি দিয়ে বক্তব্য দেওয়া হয়নি, ওইটা অধিকারের জায়গা থেকে বলা হয়েছে।’

নৌকায় ভোট না দিলে সোজা করে দেওয়ার বলে হুমকি দিয়েছেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত পার্থী আ কা ম সরোয়ার জাহান বাদশাহ। গতকাল সোমবার রাতে (২৫ ডিসেম্বর) উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বালিরদিয়ার বাজার এলাকায় এক পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।
ঘটনার ভিডিও আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরওয়ার জাহান বাদশাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কে তা আপনারা জানেন, আমাকে আপনারা চেনেন এবং জানেন, আমি বেশি কথা বলব না। এখানে যারা আছেন, ভোট আমাকে দিতে হবে। পরিষ্কার কথা। নৌকা মার্কায় আমাকে ভোট দিতে হবে। এই অধিকার আমার আছে। সুতরাং যার মনে যাই থাকুক না কেন? নাচানাচি, কুদাকুদি করেন না কেন? মন স্থির করেন, নৌকা মার্কায় বাদশাহকে ভোট দিতে হবে। উল্টাপাল্টা দুই একজন বকছে, সোজা করে দিব কিন্তু। আজকের পরে যদি উল্টাপাল্টা কথা আর শুনি, সোজা করে দিব এইটা মনে রাইখেন।’
এ বিষয়ে জানতে নৌকা মনোনীত পার্থী আ কা ম সরোয়ার জাহান বাদশাহার সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন রিমনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘নিউজটি আমার নোটিশে এসেছে। আসলে তাঁর বাড়ি চর এলাকায়। তিনি চর এলাকাগুলোকে (মরিচা, ফিলিপনগর, রামকৃষ্ণপুর, চিলমারী) নিজের এলাকা মনে করেন। কিছু লোক আগের দিন একই স্থানে তাঁর বিরুদ্ধে অশ্লীল কথাবার্তা বলেছে। মূলত তাঁদের উদ্দেশ্য তিনি এই বক্তব্য দিয়েছে।’
বিষয়টি গুরুত্ত্ব সহকারে তাঁরা নিচ্ছেন না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এটি সিরিয়াসলি নিচ্ছিনা। তবে এমন বক্তব্য দেওয়া ঠিক হয়নি। শাসন করার আরও ভাষা আছে। আমি মনে করি সংযত থেকে বক্তব্য দেওয়া উচিত ছিল।’
এ বিষয়ে নৌকা মনোনীত পার্থী আ কা ম সরোয়ার জাহান বাদশাহার ছেলে শাইখ আল জাহান শুভ্র বলেন, ‘আসলে হুমকি দিয়ে বক্তব্য দেওয়া হয়নি, ওইটা অধিকারের জায়গা থেকে বলা হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
২ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
২ ঘণ্টা আগে