বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে কোরবানির পশুর চামড়া পাচার ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাশাপাশি বন্দর থানা-পুলিশকেও কোরবানির পশুর চামড়া পাচার করতে পারে, সন্দেহভাজন এমন ব্যক্তিদের তালিকা করে তাঁদের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কোরবানি ঈদের দিন থেকে যত দিন পর্যন্ত পাচারের সম্ভাবনা থাকবে তত দিন পর্যন্ত বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, গত বছরের মতো এবারও পশুর চামড়ার মূল্য কম। গতবার কেনা দামেও ব্যবসায়ীরা চামড়া বিক্রি করতে পারেনি। সরকারি দামেও সাড়া মেলেনি। অপর দিকে ভারতে চামড়ার দাম বেশি হওয়া পাচারের শঙ্কা থেকে যায়। এতে বিজিবি প্রতিবছরই পাচারের ঝুঁকি এড়াতে বাড়তি সতর্ক অবস্থান নেয়।
স্থানীয় চামড়া বিক্রেতা রফিক মিয়া জানান, পাঁচ মণ ওজনের গরুর চামড়া বর্তমানে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং ১০ মণ ওজনের গরুর চামড়া ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বড় ছাগলের প্রতিটি চামড়ার মূল্য ৪০ টাকা ছোট ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অপর দিকে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পাঁচ মণ ওজনের গরুর চামড়া ৫০০ থেকে ৬০০ রুপি এবং ১০ মণ ওজনের গরুর চামড়া প্রতিটি ৭০০ থেকে এক হাজার রুপি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বেনাপোল লতিফা ইয়াসিন এতিম খানার শিক্ষক মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, এলাকার মানুষ তাঁদের কোরবানির পশুর চামড়া দান করে থাকেন। কিন্তু এবার চামড়ার দাম খুবই কম।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোরবানির পশুর চামড়া আমাদের দেশের সম্পদ। এই সম্পদ যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতে পাচার না হয়, সে জন্য বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ঈদের দিন সকাল থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা ও সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
বেনাপোলের যেসব সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচারের ঝুঁকি থাকে সেগুলো হলো বেনাপোল, গাতীপাড়া, সাদিপুর, রঘুনাথপুর, ঘিবা, ধান্যখোলা, কাশিপুর, শিকারপুর, শালকোনা, আন্দুলিয়া, হিজলী, মাসিলা, শাহজাতপুর, বর্ণি, দৌলতপুর, পুটখালী, গোগা, কায়বা, অগ্রভুলোট, পাঁচভূলট ও রুদ্রপুর সীমান্ত।
বেনাপোল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল মিয়া বলেন, ‘বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে কারা কোরবানি পশুর চামড়া পাচার করতে পারেন, সন্দেহভাজন এমন ব্যক্তিদের তালিকা করে তাঁদের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে কোরবানির পশুর চামড়া পাচার ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাশাপাশি বন্দর থানা-পুলিশকেও কোরবানির পশুর চামড়া পাচার করতে পারে, সন্দেহভাজন এমন ব্যক্তিদের তালিকা করে তাঁদের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কোরবানি ঈদের দিন থেকে যত দিন পর্যন্ত পাচারের সম্ভাবনা থাকবে তত দিন পর্যন্ত বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, গত বছরের মতো এবারও পশুর চামড়ার মূল্য কম। গতবার কেনা দামেও ব্যবসায়ীরা চামড়া বিক্রি করতে পারেনি। সরকারি দামেও সাড়া মেলেনি। অপর দিকে ভারতে চামড়ার দাম বেশি হওয়া পাচারের শঙ্কা থেকে যায়। এতে বিজিবি প্রতিবছরই পাচারের ঝুঁকি এড়াতে বাড়তি সতর্ক অবস্থান নেয়।
স্থানীয় চামড়া বিক্রেতা রফিক মিয়া জানান, পাঁচ মণ ওজনের গরুর চামড়া বর্তমানে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং ১০ মণ ওজনের গরুর চামড়া ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বড় ছাগলের প্রতিটি চামড়ার মূল্য ৪০ টাকা ছোট ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অপর দিকে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পাঁচ মণ ওজনের গরুর চামড়া ৫০০ থেকে ৬০০ রুপি এবং ১০ মণ ওজনের গরুর চামড়া প্রতিটি ৭০০ থেকে এক হাজার রুপি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বেনাপোল লতিফা ইয়াসিন এতিম খানার শিক্ষক মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, এলাকার মানুষ তাঁদের কোরবানির পশুর চামড়া দান করে থাকেন। কিন্তু এবার চামড়ার দাম খুবই কম।
৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোরবানির পশুর চামড়া আমাদের দেশের সম্পদ। এই সম্পদ যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতে পাচার না হয়, সে জন্য বেনাপোলের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ঈদের দিন সকাল থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা ও সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
বেনাপোলের যেসব সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচারের ঝুঁকি থাকে সেগুলো হলো বেনাপোল, গাতীপাড়া, সাদিপুর, রঘুনাথপুর, ঘিবা, ধান্যখোলা, কাশিপুর, শিকারপুর, শালকোনা, আন্দুলিয়া, হিজলী, মাসিলা, শাহজাতপুর, বর্ণি, দৌলতপুর, পুটখালী, গোগা, কায়বা, অগ্রভুলোট, পাঁচভূলট ও রুদ্রপুর সীমান্ত।
বেনাপোল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল মিয়া বলেন, ‘বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে কারা কোরবানি পশুর চামড়া পাচার করতে পারেন, সন্দেহভাজন এমন ব্যক্তিদের তালিকা করে তাঁদের ওপর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩০ মিনিট আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩৫ মিনিট আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
৩৮ মিনিট আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
৪২ মিনিট আগে