খুবি প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে জিএসটি গুচ্ছ পদ্ধতিতে প্রাথমিক ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সাধারণ মেধা তালিকা থেকে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম গতকাল রোববার থেকে শুরু হয়েছে। এ ছাড়া কোটা থেকে ভর্তি কার্যক্রম আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে। চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২০ অক্টোবর থেকে নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল মধুসূদন দত্ত অতিথি ভবনে প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। এ সময় তিনি ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক বিষয়ে খোঁজ নেন।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব সময় শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে। এখানে ছাত্ররাজনীতি ও সেশনজট না থাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয় না। শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তার সঙ্গেই শিক্ষা ও গবেষণা করতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ ও তাদের প্রতিভা বিকাশের জন্য শিক্ষার্থীদের অনেক ক্লাব ও সংগঠন রয়েছে। এসব ক্লাব ও সংগঠনের ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ইভেন্টে অংশ নিয়ে তারা নিজেদের বিকশিত করতে পারে।
নড়াইল থেকে ভর্তি হতে আসা সোহাগ ঘোষ ও ফরিদপুর থেকে আসা তাসনিম খানম জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া স্বপ্ন ছিল তাঁদের। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ চমৎকার। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস সত্যিই প্রশংসনীয়।
পিরোজপুর থেকে মো. ফজলুল হক ও বরিশাল থেকে আসা নিমাই দাস নামের দুই অভিভাবক বলেন, ছাত্ররাজনীতি না থাকায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ। এত বড় আন্দোলন হয়ে গেল, এতে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে হানাহানি-রক্তপাত হলেও এ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিল ব্যতিক্রম। এখানকার শিক্ষকমণ্ডলী মানসম্পন্ন। তাঁরা শিক্ষার্থীবান্ধব। তাই অভিভাবক হিসেবে এটি আমাদের প্রথম পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের একাডেমিক-১ শাখা প্রধান উপ-রেজিস্ট্রার শেখ সিরাজুল ইসলাম, একাডেমিক-২ শাখা প্রধান উপ-রেজিস্ট্রার কাকলি রহমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে জিএসটি গুচ্ছ পদ্ধতিতে প্রাথমিক ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সাধারণ মেধা তালিকা থেকে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম গতকাল রোববার থেকে শুরু হয়েছে। এ ছাড়া কোটা থেকে ভর্তি কার্যক্রম আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে। চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২০ অক্টোবর থেকে নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে সোমবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল মধুসূদন দত্ত অতিথি ভবনে প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। এ সময় তিনি ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক বিষয়ে খোঁজ নেন।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব সময় শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে। এখানে ছাত্ররাজনীতি ও সেশনজট না থাকায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয় না। শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তার সঙ্গেই শিক্ষা ও গবেষণা করতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ ও তাদের প্রতিভা বিকাশের জন্য শিক্ষার্থীদের অনেক ক্লাব ও সংগঠন রয়েছে। এসব ক্লাব ও সংগঠনের ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ইভেন্টে অংশ নিয়ে তারা নিজেদের বিকশিত করতে পারে।
নড়াইল থেকে ভর্তি হতে আসা সোহাগ ঘোষ ও ফরিদপুর থেকে আসা তাসনিম খানম জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া স্বপ্ন ছিল তাঁদের। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ চমৎকার। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস সত্যিই প্রশংসনীয়।
পিরোজপুর থেকে মো. ফজলুল হক ও বরিশাল থেকে আসা নিমাই দাস নামের দুই অভিভাবক বলেন, ছাত্ররাজনীতি না থাকায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ। এত বড় আন্দোলন হয়ে গেল, এতে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে হানাহানি-রক্তপাত হলেও এ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিল ব্যতিক্রম। এখানকার শিক্ষকমণ্ডলী মানসম্পন্ন। তাঁরা শিক্ষার্থীবান্ধব। তাই অভিভাবক হিসেবে এটি আমাদের প্রথম পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের একাডেমিক-১ শাখা প্রধান উপ-রেজিস্ট্রার শেখ সিরাজুল ইসলাম, একাডেমিক-২ শাখা প্রধান উপ-রেজিস্ট্রার কাকলি রহমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আনন্দের মিলনমেলা মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকের পরিবেশে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১৯৯৮-৯৯ শিক্ষাবর্ষের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এসে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাবেক শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। গতকাল শুক্রবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।
৩৬ মিনিট আগে
মেহেরপুরের ইসলামী ব্যাংক গাংনী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইসতিয়াক হাসান। ব্যাংকে কাজ করলেও কৃষির প্রতি তাঁর ভালোবাসা রয়েছে। তাই তিনি চাকরির পাশাপাশি শুরু করেছেন কৃষিকাজ। এক বন্ধুকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে উপজেলার দেবীপুর গ্রামে দেড় বিঘা জমিতে তিনি লাভজনক ফসল একাঙ্গী চাষ শুরু করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
নওগাঁয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে সংগঠক ও আহত জুলাই যোদ্ধাসহ একসঙ্গে ১০ জন পদত্যাগ করেছেন। জেলা আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে বিতর্ক, কমিটির গঠনপ্রক্রিয়া ও কার্যক্রমে অস্বচ্ছতা এবং আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক অভিযোগ তুলে তাঁরা পদত্যাগ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মোহাম্মদ আবু সাঈদ নামের এক ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করেছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন থেকে তাঁকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে