আনোয়ার হোসেন, মনিরামপুর (যশোর)

সব ঠিকঠাক থাকলে স্কুল কলেজ খোলার বাকি আর মাত্র পাঁচ দিন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে শ্রেণিকক্ষ ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও মনিরামপুরে সেটি পুরোদমে শুরু হয়নি এখনো। অনেক প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের পরিবেশ নেই।
সরেজমিন একটি বিদ্যালয়ের বারান্দায় পাটের স্তূপ দেখা গেছে। কোনোটিতে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। কয়েকটিতে চলছে সংস্কারের কাজ। সম্প্রতি জাতীয়করণের আওতায় আসা স্কুলগুলোতে অফিস সহায়ক নিয়োগ না হওয়ায় শিক্ষকদেরই ঝাড়ু হাতে নেমে পড়তে হয়েছে। আজ সোমবার উপজেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শ্রেণিকক্ষ পাঠদানের উপযোগী করতে শিক্ষকদের জোর চাপ দিচ্ছেন। অবশ্য পরিচ্ছন্নতার কাজে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দ দেয়নি সরকার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার কুলিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের বারান্দায় পাটের দুটি বড় স্তূপ। শ্রেণিকক্ষগুলো ধুলোবালিতে ভরে আছে। অফিস সহায়ক না থাকায় ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আশরাফ হোসেন নিজেই ঝাড়ু হাতে জানলা, দরজা, চেয়ার টেবিল পরিষ্কার করছেন।
কদমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চেয়ার বেঞ্চ পরিষ্কার থাকলেও শ্রেণিকক্ষ এবং বারান্দায় ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। ক্লাস শুরু হলে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বাকোশপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আসবাবপত্র স্তূপ করা। নতুন ভবনের কাজ চলায় একই চত্বরে অবস্থিত বাকোশপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত দুটি কক্ষ পরিষ্কারের কাজ চলছে। সেখানে শিশুদের পাঠদানের পরিকল্পনা শিক্ষকদের।
দেবিদাসপুর সরকারি বিদ্যালয়ের তিনটি কক্ষের একটিও এখনো পরিষ্কার করা হয়নি। ভেতরে আবর্জনা জমে আছে।
এদিকে উপজেলার ১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছোটখাট মেরামতের কাজ চলছে। ১২ সেপ্টেম্বরের আগে এসব প্রতিষ্ঠান পাঠদানের উপযোগী হবে কি-না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
মনিরামপুরে ২৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ১৪৭টি সম্প্রতি জাতীয়করণ করা হয়েছে। আগের সরকারি ১২০টিতে অফিস সহায়ক থাকলেও নতুনগুলোতে এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে শিক্ষকদের নিজেদেরই এখন পরিচ্ছন্নতার কাজ করতে হচ্ছে।
ঝাড়ু হাতে কুলিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ পরিষ্কার করছিলেন সহকারী শিক্ষক আশরাফ হোসেন। তিনি বলেন, পিওন নেই। তাই প্রধান শিক্ষক আমাকে শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করতে বলেছেন।
স্কুলের মেঝেতে পাটের স্তূপ রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক কওসার আলী বলেন, স্কুল বন্ধ থাকায় পাশের একজন বারান্দায় পাট রেখেছেন। তাঁকে পাট সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। স্কুলে পিওন নেই। আমরা সবাই কাজ করে ১০ তারিখের মধ্যে শ্রেণিকক্ষ ঝকঝকে করে ফেলব।
কদমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। প্রধান শিক্ষক ঊষা মল্লিক বলছেন, শ্রেণিকক্ষ শতভাগ পরিচ্ছন্ন রেখেছি। দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় একটি কক্ষের ভেতরে ও বারান্দার ছাদ খসে পড়ছে। মেরামতের জন্য কোনো বরাদ্দ পাইনি।
তবে নতুন ভবনে কাজ চলার কারণে পাঠদান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বাকোশপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। পাঠদানের মতো মাত্র একটি কক্ষ আছে এ বিদ্যালয়ে। পাশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুটো কক্ষ নিয়ে পাঠদানের প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান প্রধান শিক্ষক গৌতম কুণ্ডু।
১০ তারিখের মধ্যেই সব বিদ্যালয় পাঠদানের জন্য প্রস্তুত করতে জোর তাগিদ দিচ্ছেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা। নিয়মিত তদারকিও করছেন বলে জানান মনিরামপুর সদর ও কাশিমনগর ইউনিয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জহির উদ্দিন।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য আলাদা বরাদ্দ দিলে ভালো হতো কি-না, এ প্রশ্নে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেহেলী ফেরদৌস বলেন, শ্রেণিকক্ষ ও বিদ্যালয়ের আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। শিক্ষকোরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করাচ্ছেন। ছোটখাট মেরামতের কাজ চলা ১৬টি বিদ্যালয়ের মধ্যে তিনটির কাজ শেষ হয়েছে। বাকিগুলোতে কাজ চলছে। তাঁরা ১২ তারিখের আগে শ্রেণিকক্ষ পাঠদানের উপযোগী করতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে না।

সব ঠিকঠাক থাকলে স্কুল কলেজ খোলার বাকি আর মাত্র পাঁচ দিন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে শ্রেণিকক্ষ ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও মনিরামপুরে সেটি পুরোদমে শুরু হয়নি এখনো। অনেক প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের পরিবেশ নেই।
সরেজমিন একটি বিদ্যালয়ের বারান্দায় পাটের স্তূপ দেখা গেছে। কোনোটিতে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। কয়েকটিতে চলছে সংস্কারের কাজ। সম্প্রতি জাতীয়করণের আওতায় আসা স্কুলগুলোতে অফিস সহায়ক নিয়োগ না হওয়ায় শিক্ষকদেরই ঝাড়ু হাতে নেমে পড়তে হয়েছে। আজ সোমবার উপজেলার কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শ্রেণিকক্ষ পাঠদানের উপযোগী করতে শিক্ষকদের জোর চাপ দিচ্ছেন। অবশ্য পরিচ্ছন্নতার কাজে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দ দেয়নি সরকার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার কুলিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের বারান্দায় পাটের দুটি বড় স্তূপ। শ্রেণিকক্ষগুলো ধুলোবালিতে ভরে আছে। অফিস সহায়ক না থাকায় ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আশরাফ হোসেন নিজেই ঝাড়ু হাতে জানলা, দরজা, চেয়ার টেবিল পরিষ্কার করছেন।
কদমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চেয়ার বেঞ্চ পরিষ্কার থাকলেও শ্রেণিকক্ষ এবং বারান্দায় ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। ক্লাস শুরু হলে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বাকোশপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আসবাবপত্র স্তূপ করা। নতুন ভবনের কাজ চলায় একই চত্বরে অবস্থিত বাকোশপোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত দুটি কক্ষ পরিষ্কারের কাজ চলছে। সেখানে শিশুদের পাঠদানের পরিকল্পনা শিক্ষকদের।
দেবিদাসপুর সরকারি বিদ্যালয়ের তিনটি কক্ষের একটিও এখনো পরিষ্কার করা হয়নি। ভেতরে আবর্জনা জমে আছে।
এদিকে উপজেলার ১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছোটখাট মেরামতের কাজ চলছে। ১২ সেপ্টেম্বরের আগে এসব প্রতিষ্ঠান পাঠদানের উপযোগী হবে কি-না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
মনিরামপুরে ২৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ১৪৭টি সম্প্রতি জাতীয়করণ করা হয়েছে। আগের সরকারি ১২০টিতে অফিস সহায়ক থাকলেও নতুনগুলোতে এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে শিক্ষকদের নিজেদেরই এখন পরিচ্ছন্নতার কাজ করতে হচ্ছে।
ঝাড়ু হাতে কুলিপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কক্ষ পরিষ্কার করছিলেন সহকারী শিক্ষক আশরাফ হোসেন। তিনি বলেন, পিওন নেই। তাই প্রধান শিক্ষক আমাকে শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করতে বলেছেন।
স্কুলের মেঝেতে পাটের স্তূপ রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক কওসার আলী বলেন, স্কুল বন্ধ থাকায় পাশের একজন বারান্দায় পাট রেখেছেন। তাঁকে পাট সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। স্কুলে পিওন নেই। আমরা সবাই কাজ করে ১০ তারিখের মধ্যে শ্রেণিকক্ষ ঝকঝকে করে ফেলব।
কদমবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। প্রধান শিক্ষক ঊষা মল্লিক বলছেন, শ্রেণিকক্ষ শতভাগ পরিচ্ছন্ন রেখেছি। দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় একটি কক্ষের ভেতরে ও বারান্দার ছাদ খসে পড়ছে। মেরামতের জন্য কোনো বরাদ্দ পাইনি।
তবে নতুন ভবনে কাজ চলার কারণে পাঠদান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বাকোশপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। পাঠদানের মতো মাত্র একটি কক্ষ আছে এ বিদ্যালয়ে। পাশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুটো কক্ষ নিয়ে পাঠদানের প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান প্রধান শিক্ষক গৌতম কুণ্ডু।
১০ তারিখের মধ্যেই সব বিদ্যালয় পাঠদানের জন্য প্রস্তুত করতে জোর তাগিদ দিচ্ছেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা। নিয়মিত তদারকিও করছেন বলে জানান মনিরামপুর সদর ও কাশিমনগর ইউনিয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জহির উদ্দিন।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য আলাদা বরাদ্দ দিলে ভালো হতো কি-না, এ প্রশ্নে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শেহেলী ফেরদৌস বলেন, শ্রেণিকক্ষ ও বিদ্যালয়ের আশপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। শিক্ষকোরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করাচ্ছেন। ছোটখাট মেরামতের কাজ চলা ১৬টি বিদ্যালয়ের মধ্যে তিনটির কাজ শেষ হয়েছে। বাকিগুলোতে কাজ চলছে। তাঁরা ১২ তারিখের আগে শ্রেণিকক্ষ পাঠদানের উপযোগী করতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে না।

রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
২ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
২ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে পাচারের অপেক্ষায় জড়ো করে রাখা হয়েছে অন্তত ৭ হাজার বার্মিজ গরু। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ গরু ঢুকিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র। আর গত পাঁচ দিনে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা।
২ ঘণ্টা আগে