
সুন্দরবনের বনদস্যুদের মুক্তিপণ দিয়ে ১৩ মৌয়াল বাড়ি ফিরেছেন। গতকাল শনিবার (৯ জুন) বিকেলে খুলনার কয়রায় বাড়িতে আসেন তাঁরা।
মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসা মৌয়ালেরা হলেন কয়রা উপজেলার কাটাখালী গ্রামের মো. হারুন গাজী, আব্দুল গফুর গাজী, চরণ সরকার, মালিক গাজী, আফতাব আলী, হান্নান গাজী, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের শহিদুল ইসলাম, পরিমল চন্দ্র সরকার, খোকন মন্ডল, মহানন্দ মন্ডল, কালাম গাজী, আলী গাজী ও খোদা বাক্স গাজী।
মৌয়ালেরা জানান, বানিয়াখালী ফরেস্ট অফিস থেকে গত বৃহস্পতিবার পাস পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহ করতে যান তাঁরা। ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে শিবসা নদীর পূর্ব পাশে কুমড়ুখালী খাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে মৌয়ালদের আটক করে সুন্দরবনের দোলা ভাই বাহিনী। পরে সুন্দরবনের ভেতরে একটি খালে তাঁদের নিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে দস্যুরা। এ সময় দুই নৌকায় থাকা নগদ ৪ হাজার ২০০ টাকা কেড়ে নেয় তারা। মৌয়ালদের চাপ সৃষ্টি করে বাড়িতে তাঁদের দিয়ে ফোন করিয়ে বিকাশে ৩৬ হাজার ৭০০ টাকা নেয় বনদস্যুরা। শনিবার ভোর ৪টার দিকে তাঁদের ছেড়ে দেয়। মৌয়ালদের নৌকায় থাকা জিনিসপত্র লুট করে নিয়েছে বনদস্যুরা।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। মৌয়ালদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা থানায় এলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাইবান্ধায় এবার নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে ছাপরাঘরে কিংবা খোলা আকাশের নিচে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও কিছু বিদ্যালয় ঝুঁকিতে রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিল-ভাউচারে জালিয়াতির নতুন তথ্য সামনে এসেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় গঠন করা তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া টিএ বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় বগুড়া জেলা পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কর্মরত প্রায় ৩০ সদস্যের নাম তদন্তে এসেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধের চারটি পৃথক স্থানে প্রায় ২০০ মিটার অংশে ধস দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মাঝামাঝি স্থানে বাঁধে নতুন করে ৩৫ মিটার ধস সৃষ্টি হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তর দিকে একতলা ভবন। পূর্ব পাশে আরেকটি দোতলা ভবন। মাত্র ৫২ শতক জমির ওপর দুটি ভবন নির্মাণের কারণে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি ছোট হয়ে গেছে। গত সোমবার কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই চিত্র দেখা যায়।
৫ ঘণ্টা আগে