শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ৬ বছরের শিশুকে হত্যার এক সপ্তাহ পর প্রধান অভিযুক্ত নারীকে যৌথভাবে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী শিশুটির স্বর্ণের কানের দুলের জন্য তাকে হত্যা করেছিলেন বলে পুলিশকে জানায়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ স্থানীয় একটি স্বর্ণের দোকান থেকে ওই কানের দুল উদ্ধার করেছে।
আজ সোমবার আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম। গতকাল রোববার ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে ওই নারী আদালেতের হেফাজতে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার নারীর নাম—সেলিনা বেগম (২৮)। তিনি উপজেলার বাগুটিয়া গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী ও নিহত শিশুর প্রতিবেশী।
গত ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার নিহত হত্যার শিকার হয় একই এলাকার খোকন ভূঁইয়ার মেয়ে জান্নাতি খাতুন। সে বকশীপুর ভান্ডারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ডোবা থেকে জান্নাতির লাশ উদ্ধার করে স্বজনেরা। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাতনামা আসামি করে শৈলকূপা থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা খোকন ভুইয়া।
গ্রেপ্তার হওয়া ওই নারীর বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, সংসারের অভাব অনটনের কারণে টাকা জোগাড় করতে শিশু জান্নাতির কানে থাকা স্বর্ণের দুলজোড়া খুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন সেলিনা বেগম। পরে কৌশলে শিশু জান্নাতির কান থেকে দুল জোড়া খুলে নিতে চাইলে চিৎকার করতে থাকে জান্নাতি। তখন তাকে থামাতে মুখ ও গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধে শিশু জান্নাতির। পরে শিশুটির মরদেহ প্রথমে কাঠের গাদার মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে বাড়ির পাশের ডোবায় ফেলে দেওয়া হয় জান্নাতির মরদেহ।
উল্লেখ্য, ১১ সেপ্টেম্বর জান্নাতি দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর সনপাপড়ি কিনতে রাস্তায় যায়। এরপর তার আর সন্ধান পায়নি পরিবার। পরে ওই দিন রাত ১০টায় বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ৬ বছরের শিশুকে হত্যার এক সপ্তাহ পর প্রধান অভিযুক্ত নারীকে যৌথভাবে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী শিশুটির স্বর্ণের কানের দুলের জন্য তাকে হত্যা করেছিলেন বলে পুলিশকে জানায়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ স্থানীয় একটি স্বর্ণের দোকান থেকে ওই কানের দুল উদ্ধার করেছে।
আজ সোমবার আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম। গতকাল রোববার ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে ওই নারী আদালেতের হেফাজতে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার নারীর নাম—সেলিনা বেগম (২৮)। তিনি উপজেলার বাগুটিয়া গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী ও নিহত শিশুর প্রতিবেশী।
গত ১১ সেপ্টেম্বর সোমবার নিহত হত্যার শিকার হয় একই এলাকার খোকন ভূঁইয়ার মেয়ে জান্নাতি খাতুন। সে বকশীপুর ভান্ডারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ডোবা থেকে জান্নাতির লাশ উদ্ধার করে স্বজনেরা। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাতনামা আসামি করে শৈলকূপা থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা খোকন ভুইয়া।
গ্রেপ্তার হওয়া ওই নারীর বরাত দিয়ে পুলিশ বলছে, সংসারের অভাব অনটনের কারণে টাকা জোগাড় করতে শিশু জান্নাতির কানে থাকা স্বর্ণের দুলজোড়া খুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন সেলিনা বেগম। পরে কৌশলে শিশু জান্নাতির কান থেকে দুল জোড়া খুলে নিতে চাইলে চিৎকার করতে থাকে জান্নাতি। তখন তাকে থামাতে মুখ ও গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধে শিশু জান্নাতির। পরে শিশুটির মরদেহ প্রথমে কাঠের গাদার মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে বাড়ির পাশের ডোবায় ফেলে দেওয়া হয় জান্নাতির মরদেহ।
উল্লেখ্য, ১১ সেপ্টেম্বর জান্নাতি দুপুরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর সনপাপড়ি কিনতে রাস্তায় যায়। এরপর তার আর সন্ধান পায়নি পরিবার। পরে ওই দিন রাত ১০টায় বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে