মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিশুটি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পিআইসিইউতে অচেতন অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে মাগুরায় ধর্ষকের বিচার দাবিতে থানা ঘেরাও করেছে একদল বিক্ষুব্ধ জনতা। আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরে শহরের ভাযনা মোড় ও চৌরঙ্গী মোড়ে বিক্ষোভ করতে থাকে স্থানীয় কিছু লোক। এরপর কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে তারা সদর থানার মূল ফটকে অবস্থান নেয়। সে সময় থানার ফটক ভাঙতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ তাদের বোঝাতে গেলে পুলিশকে ‘ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকে।
একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে বিশৃঙ্খলা শুরু করে সদর থানার প্রধান ফটক ভাঙতে যায়। তখন সেখানে সেনাবাহিনী চলে এলে বিক্ষুব্ধ জনতা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। মাগুরা সদর থানার সামনে তখন পুলিশ, আনসার সদস্যরা ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের দেখা গেছে।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দেননি। তবে পুলিশ এ বিষয়ে তৎপর বলেই অভিযুক্তদের আটক করেছে। শিশুটির চিকিৎসা চলছে। হয়তো সে জন্য আইনগত বিষয়ে তার পরিবার বিলম্ব করছে। দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে পুলিশ কাজ করছে। কিন্তু আমরা দেখছি, একদল বিক্ষুব্ধ জনতা ধর্ষকদের বিচারের দাবি করছে এখনই। এটা কী করে সম্ভব? আইনগত প্রক্রিয়া না হলে দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব নয়। তাই আমরা বিক্ষুব্ধ জনতাকে বলেছি, পুলিশ তৎপর আছে। আপনারা বাড়ি যান। কিন্তু তা না করে সদর থানা ঘেরাও করতে এসেছে তারা। এ জন্য সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আপাতত পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে।’

জানা গেছে, মাগুরা পৌর এলাকায় গতকাল একটি আট বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় বড় বোনের শ্বশুর ও আজ শিশুটির ভগ্নিপতিকে হেফাজতে নিয়েছে মাগুরা থানা-পুলিশ।

মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিশুটি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পিআইসিইউতে অচেতন অবস্থায় রয়েছে।
এদিকে মাগুরায় ধর্ষকের বিচার দাবিতে থানা ঘেরাও করেছে একদল বিক্ষুব্ধ জনতা। আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরে শহরের ভাযনা মোড় ও চৌরঙ্গী মোড়ে বিক্ষোভ করতে থাকে স্থানীয় কিছু লোক। এরপর কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে তারা সদর থানার মূল ফটকে অবস্থান নেয়। সে সময় থানার ফটক ভাঙতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ তাদের বোঝাতে গেলে পুলিশকে ‘ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকে।
একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে বিশৃঙ্খলা শুরু করে সদর থানার প্রধান ফটক ভাঙতে যায়। তখন সেখানে সেনাবাহিনী চলে এলে বিক্ষুব্ধ জনতা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। মাগুরা সদর থানার সামনে তখন পুলিশ, আনসার সদস্যরা ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের দেখা গেছে।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী পরিবারের কেউ এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দেননি। তবে পুলিশ এ বিষয়ে তৎপর বলেই অভিযুক্তদের আটক করেছে। শিশুটির চিকিৎসা চলছে। হয়তো সে জন্য আইনগত বিষয়ে তার পরিবার বিলম্ব করছে। দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে পুলিশ কাজ করছে। কিন্তু আমরা দেখছি, একদল বিক্ষুব্ধ জনতা ধর্ষকদের বিচারের দাবি করছে এখনই। এটা কী করে সম্ভব? আইনগত প্রক্রিয়া না হলে দোষী সাব্যস্ত করা সম্ভব নয়। তাই আমরা বিক্ষুব্ধ জনতাকে বলেছি, পুলিশ তৎপর আছে। আপনারা বাড়ি যান। কিন্তু তা না করে সদর থানা ঘেরাও করতে এসেছে তারা। এ জন্য সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় আপাতত পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে।’

জানা গেছে, মাগুরা পৌর এলাকায় গতকাল একটি আট বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় বড় বোনের শ্বশুর ও আজ শিশুটির ভগ্নিপতিকে হেফাজতে নিয়েছে মাগুরা থানা-পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ মনোনীত নির্বাচিত কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে হাদিকে হত্যা করা হয়।
৬ মিনিট আগে
রাজশাহীর বাঘায় রয়েল হোসেন (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্র, গুলিসহ আটক করা হয়েছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের পানিকামড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। রয়েল হোসেন উপজেলা পানিকামড়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে।
৩১ মিনিট আগে
চার মাস আগে নিজ এলাকা ছেড়ে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন আরিফা ও রিফাত। প্রেমের সম্পর্কের বিয়ে হওয়ায় পরিবারের সঙ্গে তাঁদের তেমন যোগাযোগ ছিল না। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন সময় কলহ হতো। গতকাল রাতে হঠাৎ কান্না ও চিৎকার শুনতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন গিয়ে ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় আরিফাকে পড়ে থাকতে দেখেন।
৩৬ মিনিট আগে
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মিন্টো রোডের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
৪০ মিনিট আগে