কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার কয়রার বাগালি ইউনিয়নে বিনা মূল্যে পানির ট্যাংকি বিতরণের তালিকায় নাম তুলতে এলাকাবাসীদের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা করে নিয়েছেন ইকবাল হোসেন সানা নামে এক ইউপি সদস্য। এভাবে শতাধিক মানুষের কাছ থেকে ২ লাখ টাকার বেশি আদায় করেছেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ওই ওয়ার্ডে মাইকিং করে টাকা না দিতে মানুষদের সতর্ক করে দিয়েছেন চেয়ারম্যান।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আব্দুল হামিদ ঢালী নামে এক বৃদ্ধকে মারধর করেছেন ওই ইউপি সদস্য। আব্দুল হামিদের অভিযোগ করে বলেন, টাকা আদায়ের বিষয়টি আমি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি এমন সন্দেহে আমাকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
অভিযোগে জানা গেছে, ওই ইউনিয়নে খাবার পানির সমস্যা মেটাতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে ৩ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতার প্লাস্টিকের ট্যাংকি বিতরণ করা হচ্ছে। এই সুযোগে অনেকেই উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুতের সময় আর্থিক সুবিধা আদায় করছেন। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ উঠলে বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানো হয়। পরে চেয়ারম্যান ওই ওয়ার্ডে মাইকিং করে কাউকে টাকা না দিতে সতর্ক করে দেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি সদস্য ঘুগরাঘাটি গ্রামের আব্দুল হামিদ ঢালী নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করেন।
ঘুগরাকাটি গ্রামের রাশিদা বেগম, মরিয়াম, জাহানারা খাতুনসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ইউপি সদস্য ইকবাল সানার লোকজন পানির ট্যাংকি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আমাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ২ হাজার করে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু এখন জানতে পেরেছি ট্যাংকির জন্য কোনো টাকা দিতে হবে না। আমরা আমাদের টাকা ফেরতের জন্য ইউপি সদস্যকে বলেছি।
মারধরের শিকার আব্দুল হামিদ বলেন, পানির ট্যাংকি দেওয়ার কথা বলে গ্রামের মানুষের কাছ থেকে ইউপি সদস্য ও তাঁর লোকজন টাকা আদায় করেছেন। এভাবে তাঁরা শতাধিক পরিবারের কাছ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা নিয়েছেন। কিন্তু এখনো কোনো ট্যাংকির ব্যবস্থা করতে পারেননি। গ্রামের মানুষ ঘটনাটি আমাকে জানালে আমি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দিতে বলেছি। বিষয়টি জানতে পেরে মেম্বর বাজারের মসজিদের সামনে আমাকে মারধর করেন। পরে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন সানা বলেন, একটা বিষয় নিয়ে আব্দুল হামিদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেটা আমরা এক জায়গায় বসে মীমাংসা করে নিয়েছি। টাকা আদায়ের বিষয়টি সঠিক নয়।
বাগালি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী বলেন, ইউনিয়নের মানুষের খাবার পানির সমস্যা মেটাতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে পানির ট্যাংকি বিতরণের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বারদের তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। এ সুযোগে অনেকেই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে এলাকায় মাইকিং করে কাউকে টাকা না দিতে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা কয়রা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বাবুন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ওই ইউপি সদস্য পানির ট্যাংকি দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় করছিলেন এটা সঠিক। সেখানকার মানুষ এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। মারধরের বিষয়টি স্থানীয়রা বসে মীমাংসা করে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

খুলনার কয়রার বাগালি ইউনিয়নে বিনা মূল্যে পানির ট্যাংকি বিতরণের তালিকায় নাম তুলতে এলাকাবাসীদের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা করে নিয়েছেন ইকবাল হোসেন সানা নামে এক ইউপি সদস্য। এভাবে শতাধিক মানুষের কাছ থেকে ২ লাখ টাকার বেশি আদায় করেছেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ওই ওয়ার্ডে মাইকিং করে টাকা না দিতে মানুষদের সতর্ক করে দিয়েছেন চেয়ারম্যান।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আব্দুল হামিদ ঢালী নামে এক বৃদ্ধকে মারধর করেছেন ওই ইউপি সদস্য। আব্দুল হামিদের অভিযোগ করে বলেন, টাকা আদায়ের বিষয়টি আমি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি এমন সন্দেহে আমাকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।
অভিযোগে জানা গেছে, ওই ইউনিয়নে খাবার পানির সমস্যা মেটাতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে ৩ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতার প্লাস্টিকের ট্যাংকি বিতরণ করা হচ্ছে। এই সুযোগে অনেকেই উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুতের সময় আর্থিক সুবিধা আদায় করছেন। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধেও এমন অভিযোগ উঠলে বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানো হয়। পরে চেয়ারম্যান ওই ওয়ার্ডে মাইকিং করে কাউকে টাকা না দিতে সতর্ক করে দেন। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইউপি সদস্য ঘুগরাঘাটি গ্রামের আব্দুল হামিদ ঢালী নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করেন।
ঘুগরাকাটি গ্রামের রাশিদা বেগম, মরিয়াম, জাহানারা খাতুনসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ইউপি সদস্য ইকবাল সানার লোকজন পানির ট্যাংকি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আমাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ২ হাজার করে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু এখন জানতে পেরেছি ট্যাংকির জন্য কোনো টাকা দিতে হবে না। আমরা আমাদের টাকা ফেরতের জন্য ইউপি সদস্যকে বলেছি।
মারধরের শিকার আব্দুল হামিদ বলেন, পানির ট্যাংকি দেওয়ার কথা বলে গ্রামের মানুষের কাছ থেকে ইউপি সদস্য ও তাঁর লোকজন টাকা আদায় করেছেন। এভাবে তাঁরা শতাধিক পরিবারের কাছ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা নিয়েছেন। কিন্তু এখনো কোনো ট্যাংকির ব্যবস্থা করতে পারেননি। গ্রামের মানুষ ঘটনাটি আমাকে জানালে আমি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ দিতে বলেছি। বিষয়টি জানতে পেরে মেম্বর বাজারের মসজিদের সামনে আমাকে মারধর করেন। পরে আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন সানা বলেন, একটা বিষয় নিয়ে আব্দুল হামিদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেটা আমরা এক জায়গায় বসে মীমাংসা করে নিয়েছি। টাকা আদায়ের বিষয়টি সঠিক নয়।
বাগালি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী বলেন, ইউনিয়নের মানুষের খাবার পানির সমস্যা মেটাতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে পানির ট্যাংকি বিতরণের জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মেম্বারদের তালিকা প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। এ সুযোগে অনেকেই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে এলাকায় মাইকিং করে কাউকে টাকা না দিতে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা কয়রা থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বাবুন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ওই ইউপি সদস্য পানির ট্যাংকি দেওয়ার কথা বলে টাকা আদায় করছিলেন এটা সঠিক। সেখানকার মানুষ এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। মারধরের বিষয়টি স্থানীয়রা বসে মীমাংসা করে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে