কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় আঞ্জুমান মায়া (১৬) নামে এক নববধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার উপজেলার কয়া ইউনিয়নের কালোয়া এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে নৌ পুলিশ লাশ সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
আঞ্জুমান মায়া ওই এলাকার আসিফ শেখের স্ত্রী। পাঁচ মাস আগে তাঁদের বিয়ে হয়।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান শেখ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আঞ্জুমান মায়ার স্বজনেরা জানান, রাতে স্বজনদের নিয়ে স্বামীর জন্মদিনের কেক কাটেন আঞ্জুমান। এরপর মধ্যরাত থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে পদ্মা নদীতে ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানান স্থানীয়রা। তবে, তাঁর বাবার বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, ‘ব্যবসায়ের টাকা না পেয়ে আঞ্জুমানকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেছে স্বামী।’
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ভাষ্য, ‘আঞ্জুমানের উপসর্গজনিত রোগ ছিল। উপসর্গ রাতে ঘর থেকে বের করে নিয়ে নদীতে ফেলে মেরেছে।’
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ত্রিমোহনী বারখাদা এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে আঞ্জুমান মায়া। কয়া ইউনিয়নের রাধানগর এলাকায় আঞ্জুমানের নানাবাড়ি। সাত মাস আগে নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে একই এলাকার আজিজ শেখের কলেজপড়ুয়া ছেলে আসিফ শেখের (১৮) সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সম্পর্কের দুই মাস পর বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেন তাঁরা এবং বউ নিয়ে নিজ বাড়িতে ওঠেন আসিফ।
পরে দুই পরিবার সামাজিকভাবে তাঁদের বিয়ে দেয়। আসিফ কয়া মহাবিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি একটি বেসরকারি কোম্পানির খাদ্য পরিবেশক হিসেবে কাজ করেন। বেশ ভালোই চলছিল তাঁদের দাম্পত্য জীবন।
শুক্রবার ছিল আসিফের জন্মদিন। বাড়িতে বন্ধু ও স্বজনেরা এসেছিলেন। বিকেলে আঞ্জুমান স্বামীকে নিয়ে বাজার থেকে কেক কিনে আনেন। রাত ৮টার দিকে স্বামী ও শাশুড়িকে নিয়ে ধুমধাম করে কেক কাটেন।
আসিফ শেখ বলেন, ‘সংসার খুব ভালো চলছিল। প্রেমের সম্পর্কে পাঁচ মাস আগে নিজেরাই বিয়ে করেছিলাম। রাতে ধুমধাম করে আমার জন্মদিন পালন করি। রাত ১০টার দিকে শুয়ে পড়ি আমি। তখনো আঞ্জুমান মায়া মোবাইল ফোন চালাচ্ছিল। এরপর রাত ১টার দিকে জেগে দেখি ঘরে নেই। রাতে খোঁজাখুঁজি করে পাইনি। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে পদ্মা নদীতে ভাসমান লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা।’ তিনিও দাবি করে বলেন, ‘স্ত্রীর উপসর্গজনিত রোগ ছিল।’
শাশুড়ি ফেরদৌসী খাতুন বলেন, ‘প্রেম করে বিয়ে করলেও সংসারে কোনো অশান্তি ছিল না। শুক্রবার রাতেও সবাই মিলেমিশে জন্মদিন পালন করা হলো। সকলে একসঙ্গেই রাতে খেয়েছিলাম। পরে রাত ১টার দিকে ছেলের কাছ থেকে শুনি, বউ ঘরে নেই। এরপর সবাই মিলে সারা রাত খুঁজেও কোথাও পাইনি। সকালে নদীতে লাশ পেয়েছি।’ তাঁর ভাষ্য, ‘প্রায়ই ঘর থেকে হারিয়ে যেত আঞ্জুমান। উপসর্গই তাকে মেরেছে।’
রাধানগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, নানাবাড়িতে মেয়ের মৃত্যু শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মা পারভীন খাতুন। এ সময় বিলাপ করতে করতে তিনি বলেন, ‘আসিফ আমার মেয়েকে ছলাকলা করে বিয়ে করেছে। তিন দিন আগে ব্যবসা করার জন্য তিন লাখ টাকা চেয়েছিল। টাকা না পেয়ে মেয়েকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা করেছে। আমার মেয়ের কোনো উপসর্গ ছিল না। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘রাতে নিখোঁজ ছিল ওই গৃহবধূ। সকালে স্থানীয়রা নদীতে দেখতে পান মাছধরা জালের সঙ্গে আটকে আছে লাশ। কী ঘটেছে তা ময়নাতদন্ত করলেই জানা যাবে।’
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান শেখ আজকের পত্রিকাকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নৌ পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় আঞ্জুমান মায়া (১৬) নামে এক নববধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার উপজেলার কয়া ইউনিয়নের কালোয়া এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পরে নৌ পুলিশ লাশ সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
আঞ্জুমান মায়া ওই এলাকার আসিফ শেখের স্ত্রী। পাঁচ মাস আগে তাঁদের বিয়ে হয়।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান শেখ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আঞ্জুমান মায়ার স্বজনেরা জানান, রাতে স্বজনদের নিয়ে স্বামীর জন্মদিনের কেক কাটেন আঞ্জুমান। এরপর মধ্যরাত থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আজ সকালে পদ্মা নদীতে ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানান স্থানীয়রা। তবে, তাঁর বাবার বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, ‘ব্যবসায়ের টাকা না পেয়ে আঞ্জুমানকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেছে স্বামী।’
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ভাষ্য, ‘আঞ্জুমানের উপসর্গজনিত রোগ ছিল। উপসর্গ রাতে ঘর থেকে বের করে নিয়ে নদীতে ফেলে মেরেছে।’
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ত্রিমোহনী বারখাদা এলাকার আজিম উদ্দিনের মেয়ে আঞ্জুমান মায়া। কয়া ইউনিয়নের রাধানগর এলাকায় আঞ্জুমানের নানাবাড়ি। সাত মাস আগে নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে একই এলাকার আজিজ শেখের কলেজপড়ুয়া ছেলে আসিফ শেখের (১৮) সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সম্পর্কের দুই মাস পর বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেন তাঁরা এবং বউ নিয়ে নিজ বাড়িতে ওঠেন আসিফ।
পরে দুই পরিবার সামাজিকভাবে তাঁদের বিয়ে দেয়। আসিফ কয়া মহাবিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি একটি বেসরকারি কোম্পানির খাদ্য পরিবেশক হিসেবে কাজ করেন। বেশ ভালোই চলছিল তাঁদের দাম্পত্য জীবন।
শুক্রবার ছিল আসিফের জন্মদিন। বাড়িতে বন্ধু ও স্বজনেরা এসেছিলেন। বিকেলে আঞ্জুমান স্বামীকে নিয়ে বাজার থেকে কেক কিনে আনেন। রাত ৮টার দিকে স্বামী ও শাশুড়িকে নিয়ে ধুমধাম করে কেক কাটেন।
আসিফ শেখ বলেন, ‘সংসার খুব ভালো চলছিল। প্রেমের সম্পর্কে পাঁচ মাস আগে নিজেরাই বিয়ে করেছিলাম। রাতে ধুমধাম করে আমার জন্মদিন পালন করি। রাত ১০টার দিকে শুয়ে পড়ি আমি। তখনো আঞ্জুমান মায়া মোবাইল ফোন চালাচ্ছিল। এরপর রাত ১টার দিকে জেগে দেখি ঘরে নেই। রাতে খোঁজাখুঁজি করে পাইনি। সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে পদ্মা নদীতে ভাসমান লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা।’ তিনিও দাবি করে বলেন, ‘স্ত্রীর উপসর্গজনিত রোগ ছিল।’
শাশুড়ি ফেরদৌসী খাতুন বলেন, ‘প্রেম করে বিয়ে করলেও সংসারে কোনো অশান্তি ছিল না। শুক্রবার রাতেও সবাই মিলেমিশে জন্মদিন পালন করা হলো। সকলে একসঙ্গেই রাতে খেয়েছিলাম। পরে রাত ১টার দিকে ছেলের কাছ থেকে শুনি, বউ ঘরে নেই। এরপর সবাই মিলে সারা রাত খুঁজেও কোথাও পাইনি। সকালে নদীতে লাশ পেয়েছি।’ তাঁর ভাষ্য, ‘প্রায়ই ঘর থেকে হারিয়ে যেত আঞ্জুমান। উপসর্গই তাকে মেরেছে।’
রাধানগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, নানাবাড়িতে মেয়ের মৃত্যু শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন মা পারভীন খাতুন। এ সময় বিলাপ করতে করতে তিনি বলেন, ‘আসিফ আমার মেয়েকে ছলাকলা করে বিয়ে করেছে। তিন দিন আগে ব্যবসা করার জন্য তিন লাখ টাকা চেয়েছিল। টাকা না পেয়ে মেয়েকে নদীতে ডুবিয়ে হত্যা করেছে। আমার মেয়ের কোনো উপসর্গ ছিল না। আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।’
কয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘রাতে নিখোঁজ ছিল ওই গৃহবধূ। সকালে স্থানীয়রা নদীতে দেখতে পান মাছধরা জালের সঙ্গে আটকে আছে লাশ। কী ঘটেছে তা ময়নাতদন্ত করলেই জানা যাবে।’
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান শেখ আজকের পত্রিকাকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নৌ পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
২১ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
২৬ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩৯ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে