
যশোরের মনিরামপুর বাজারের কাপড়ের মার্কেটে ৯টি দোকানের ক্যাশবাক্স ভেঙে টাকা চুরি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভোরে নৈশ প্রহরীরা চলে যাওয়ার পর ৩-৪ জন যুবক মার্কেটে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে এমনটি দেখা গেছে।
মনিরামপুর থানার পাশে অবস্থিত কাপড়ের মার্কেটে যখন চুরির ঘটনা ঘটে তখন ভারী বর্ষা হচ্ছিল। এ সময় চক্রটি দোকানগুলোর ক্যাশবাক্স ভেঙে ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তবে চোরেরা কোনো কাপড়চোপড়ে হাত দেয়নি।
খবর পেয়ে মনিরামপুর থানা-পুলিশ, র্যাব, ডিবি ও সিআইডি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চুরির আলামত ও ভিডিওচিত্র সংগ্রহ করেছে। এদিকে সূর্য ওঠার পর চুরির ঘটনা ঘটায় রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। মার্কেটের ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
চুরি হওয়া দোকানগুলো হচ্ছে, আঁচল বস্ত্রালয় (১ লাখ ৩০ টাকা), আলমগীর বস্ত্রালয় (১ লাখ ১০ হাজার টাকা), বিসমিল্লাহ ফ্যাশন (৮০ হাজার টাকা), এক্সপোর্ট ফ্যাশন (৫০ হাজার টাকা), লেডিস কর্নার (৪০ হাজার টাকা), স্মার্ট ফ্যাশন (২২ হাজার টাকা), এম. আর ক্লথ স্টোর (২০ হাজার টাকা), নিউ শাড়ি প্যালেস (৫ হাজার টাকা) ও সিয়াম সু প্যালেস (৭০ হাজার টাকা)। চুরি যাওয়া টাকার পরিমাণ দোকান মালিকদের দাবি।
আঁচল বস্ত্রালয়ের মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খবর পাই মার্কেটে চুরি হয়েছে। দোকানে এসে দেখি তালা যেমন তেমনি আছে। রড দিয়ে দোকানের শাটার (ঝাঁপ) বাঁকা করে ভেতরে ঢুকে ক্যাশবাক্স ভেঙেছে। আমার ক্যাশে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিল। সব নিয়ে গেছে।
বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক মোশাররফ হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। এর মধ্যে নৈশপ্রহরীরা দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান। তাঁরা চলে যাওয়ার পরপরই চোরেরা মার্কেটে ঢোকে। ঘণ্টাখানেক সময়ের মধ্য তারা ১৩টি দোকানের শাটার ভাঙে। তার মধ্যে ৯ টির ক্যাশবাক্স ভেঙে টাকাপয়সা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকেরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘চুরির ঘটনায় তদন্ত চলছে। জড়িতদের দ্রুত ধরতে পারব বলে আশা করছি।’

যশোরের মনিরামপুর বাজারের কাপড়ের মার্কেটে ৯টি দোকানের ক্যাশবাক্স ভেঙে টাকা চুরি হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভোরে নৈশ প্রহরীরা চলে যাওয়ার পর ৩-৪ জন যুবক মার্কেটে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে এমনটি দেখা গেছে।
মনিরামপুর থানার পাশে অবস্থিত কাপড়ের মার্কেটে যখন চুরির ঘটনা ঘটে তখন ভারী বর্ষা হচ্ছিল। এ সময় চক্রটি দোকানগুলোর ক্যাশবাক্স ভেঙে ৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা নিয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তবে চোরেরা কোনো কাপড়চোপড়ে হাত দেয়নি।
খবর পেয়ে মনিরামপুর থানা-পুলিশ, র্যাব, ডিবি ও সিআইডি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চুরির আলামত ও ভিডিওচিত্র সংগ্রহ করেছে। এদিকে সূর্য ওঠার পর চুরির ঘটনা ঘটায় রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। মার্কেটের ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
চুরি হওয়া দোকানগুলো হচ্ছে, আঁচল বস্ত্রালয় (১ লাখ ৩০ টাকা), আলমগীর বস্ত্রালয় (১ লাখ ১০ হাজার টাকা), বিসমিল্লাহ ফ্যাশন (৮০ হাজার টাকা), এক্সপোর্ট ফ্যাশন (৫০ হাজার টাকা), লেডিস কর্নার (৪০ হাজার টাকা), স্মার্ট ফ্যাশন (২২ হাজার টাকা), এম. আর ক্লথ স্টোর (২০ হাজার টাকা), নিউ শাড়ি প্যালেস (৫ হাজার টাকা) ও সিয়াম সু প্যালেস (৭০ হাজার টাকা)। চুরি যাওয়া টাকার পরিমাণ দোকান মালিকদের দাবি।
আঁচল বস্ত্রালয়ের মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খবর পাই মার্কেটে চুরি হয়েছে। দোকানে এসে দেখি তালা যেমন তেমনি আছে। রড দিয়ে দোকানের শাটার (ঝাঁপ) বাঁকা করে ভেতরে ঢুকে ক্যাশবাক্স ভেঙেছে। আমার ক্যাশে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ছিল। সব নিয়ে গেছে।
বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক মোশাররফ হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। এর মধ্যে নৈশপ্রহরীরা দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান। তাঁরা চলে যাওয়ার পরপরই চোরেরা মার্কেটে ঢোকে। ঘণ্টাখানেক সময়ের মধ্য তারা ১৩টি দোকানের শাটার ভাঙে। তার মধ্যে ৯ টির ক্যাশবাক্স ভেঙে টাকাপয়সা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকেরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘চুরির ঘটনায় তদন্ত চলছে। জড়িতদের দ্রুত ধরতে পারব বলে আশা করছি।’

ভারত থেকে কারাভোগ শেষে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঢোকার সময় ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধীন চাড়ালডাংগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯-আর-সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
৩৯ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২ ঘণ্টা আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে