খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা সদর থানার সাবেক ওসি ও বর্তমান খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) এডিসি এস এম কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা হয়েছে। আজ সোমবার দুদক খুলনার সহকারী পরিচালক রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় সম্পদ বিবরণীতে ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার তথ্য গোপন এবং ১ কোটি ২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
কামরুজ্জামান বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার শিবনগর গ্রামের মৃত মান্নান শেখের ছেলে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর ও ১ কোটি ২ লাখ ৪৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ২ কোটি ৯০ লাখ ২১ হাজার ৮৪৬ টাকার সম্পদ প্রদর্শন করেন। কিন্তু অনুসন্ধানের সময় এস এম কামরুজ্জামানের নামে ২ কোটি ৭ লাখ ১২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর এবং ১ কোটি ২ হাজার ৬৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৩ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়।
অর্থাৎ তাঁর দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনপূর্বক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
অনুসন্ধানে রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সম্পদ বিবরণী দাখিলের কামরুজ্জামানের ২ কোটি ৭ লাখ ১২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর ও ১ কোটি ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবরসহ সর্বমোট ৩ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকার স্থাবর-অস্থাবর রয়েছে। ওই সময়ে তাঁর ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স করপোরেশন ও রূপালী ব্যাংকে ৪৫ লাখ টাকার দায় ছিল। সুতরাং দায় বাদে তার মোট সম্পদের মূল্য ২ কোটি ৬৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকা।
তাঁর অতীত জীবনের সঞ্চয়, বেতন-ভাতার আয়, বাড়ি-ভাড়ার আয়, মাইক্রো-বাস ভাড়া থেকে আয়, সঞ্চয়পত্রের সুদ প্রাপ্তি ও জমি বিক্রয় বাবদ মূলধনী আয় থেকে মোট গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ২৪ লাখ ৮১ হাজার ৭১৮ টাকা। তিনি পারিবারিক ব্যয় ও ঋণ পরিশোধ বাবদ ৬২ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৪ টাকা ব্যয় করেন।
অর্থাৎ তার মোট আয় বা সঞ্চয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৬২ লাখ ৪৯ হাজার ২৬৪ টাকা। ফলে এস এম কামরুজ্জামান এর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৮২ টাকা।

খুলনা সদর থানার সাবেক ওসি ও বর্তমান খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) এডিসি এস এম কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা হয়েছে। আজ সোমবার দুদক খুলনার সহকারী পরিচালক রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় সম্পদ বিবরণীতে ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার তথ্য গোপন এবং ১ কোটি ২ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
কামরুজ্জামান বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার শিবনগর গ্রামের মৃত মান্নান শেখের ছেলে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর ও ১ কোটি ২ লাখ ৪৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ২ কোটি ৯০ লাখ ২১ হাজার ৮৪৬ টাকার সম্পদ প্রদর্শন করেন। কিন্তু অনুসন্ধানের সময় এস এম কামরুজ্জামানের নামে ২ কোটি ৭ লাখ ১২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর এবং ১ কোটি ২ হাজার ৬৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবরসহ মোট ৩ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়।
অর্থাৎ তাঁর দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ১৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনপূর্বক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
অনুসন্ধানে রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সম্পদ বিবরণী দাখিলের কামরুজ্জামানের ২ কোটি ৭ লাখ ১২ হাজার ১৪৯ টাকার স্থাবর ও ১ কোটি ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯৭ টাকার অস্থাবরসহ সর্বমোট ৩ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকার স্থাবর-অস্থাবর রয়েছে। ওই সময়ে তাঁর ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স করপোরেশন ও রূপালী ব্যাংকে ৪৫ লাখ টাকার দায় ছিল। সুতরাং দায় বাদে তার মোট সম্পদের মূল্য ২ কোটি ৬৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৬ টাকা।
তাঁর অতীত জীবনের সঞ্চয়, বেতন-ভাতার আয়, বাড়ি-ভাড়ার আয়, মাইক্রো-বাস ভাড়া থেকে আয়, সঞ্চয়পত্রের সুদ প্রাপ্তি ও জমি বিক্রয় বাবদ মূলধনী আয় থেকে মোট গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ২৪ লাখ ৮১ হাজার ৭১৮ টাকা। তিনি পারিবারিক ব্যয় ও ঋণ পরিশোধ বাবদ ৬২ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৪ টাকা ব্যয় করেন।
অর্থাৎ তার মোট আয় বা সঞ্চয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৬২ লাখ ৪৯ হাজার ২৬৪ টাকা। ফলে এস এম কামরুজ্জামান এর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৮২ টাকা।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে মোট আট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পাঁচজন এবং গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে রয়েছেন তিনজন।
১৩ মিনিট আগে
দুই বছরের ব্যবধানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের নগদ অর্থ ও মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে একই সময়ে তাঁর স্ত্রী শেরীফা কাদেরের নগদ টাকা কমেছে।
১৬ মিনিট আগে
যাচাই করে দেখেন, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সাইফুজ্জামান এই নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে কাবিননামার কাগজ এখনো পাননি। কিন্তু সীমা যে পুলিশের পোশাক পরে টিকটকে ভিডিও দেন, সে অভিযোগ সত্য।
৩৯ মিনিট আগে
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করার আবেদনের দাবি করলেও এর কোনো প্রমাণ জমা দেননি। দ্বৈত নাগরিকত্ব বহাল থাকায় তাই তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে