খুলনা প্রতিনিধি

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমজীবী ও কৃষকের বন্ধু ছিলেন। বঙ্গবন্ধুই প্রথমে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল গঠন করেন। খুলনায় বন্ধ পাটকলগুলো চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ।’
আজ সোমবার খুলনায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে অসহায় শ্রমিকদের মধ্যে ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমবান্ধব সরকার। কোনো শ্রমিক অসহায় থাকবে না। তারই ধারাবাহিকতায় শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করে যাচ্ছে। বর্তমানে এই তহবিলে ৭০০ কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার অসহায় শ্রমিকদের মধ্যে ৯২ কোটি টাকার অধিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।’ শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে শ্রমিকদের আরও বেশি বেশি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। বক্তব্য দেন মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার ঘোষ।
উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পুলক কুমার মণ্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) আতিকুল ইসলাম, বিজেএ’র চেয়ারম্যান শেখ সৈয়দ আলী প্রমুখ।
সভায় জানানো হয়, শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ১০ কোটি, জেলায় প্রায় ৮ কোটি টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে খুলনা সদরের ৬০ জন, সোনাডাঙ্গা থানার ৫০ জন, রূপসা উপজেলার ২৯ জন, বটিয়াঘাটায় সাতজন, পাইকগাছায় দুজন, তেরখাদা উপজেলার একজন, অন্যান্য জেলার ২১ জনসহ মোট ১৭১ জন শ্রমিকের মধ্যে চেক বিতরণ করা হয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমজীবী ও কৃষকের বন্ধু ছিলেন। বঙ্গবন্ধুই প্রথমে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল গঠন করেন। খুলনায় বন্ধ পাটকলগুলো চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ।’
আজ সোমবার খুলনায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে অসহায় শ্রমিকদের মধ্যে ৮৮ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমবান্ধব সরকার। কোনো শ্রমিক অসহায় থাকবে না। তারই ধারাবাহিকতায় শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তাদের অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিতে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করে যাচ্ছে। বর্তমানে এই তহবিলে ৭০০ কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার অসহায় শ্রমিকদের মধ্যে ৯২ কোটি টাকার অধিক অনুদান বিতরণ করা হয়েছে।’ শ্রমিক কল্যাণ তহবিল থেকে শ্রমিকদের আরও বেশি বেশি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা। বক্তব্য দেন মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ কুমার ঘোষ।
উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পুলক কুমার মণ্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) আতিকুল ইসলাম, বিজেএ’র চেয়ারম্যান শেখ সৈয়দ আলী প্রমুখ।
সভায় জানানো হয়, শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ১০ কোটি, জেলায় প্রায় ৮ কোটি টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে খুলনা সদরের ৬০ জন, সোনাডাঙ্গা থানার ৫০ জন, রূপসা উপজেলার ২৯ জন, বটিয়াঘাটায় সাতজন, পাইকগাছায় দুজন, তেরখাদা উপজেলার একজন, অন্যান্য জেলার ২১ জনসহ মোট ১৭১ জন শ্রমিকের মধ্যে চেক বিতরণ করা হয়।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে