নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা

নৌকার আদলেই খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে তৈরি করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা মঞ্চ। এই মঞ্চেই ১৩ নভেম্বর প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা গতকাল বুধবার সকালে এই জনসভাস্থল ও মঞ্চ নির্মাণের কাজ পরিদর্শন করেন। ২০১৮ সালের ৩ মার্চের পর খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে এই জনসভাকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও চাঞ্চল্য লক্ষ করা গেছে। সে জন্য খুলনা মহানগরে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে মহানগরীর প্রায় সব সড়কদ্বীপ ছেয়ে গেছে নেতা-কর্মীদের তোরণ, ফেস্টুন আর ডিজিটাল ব্যানারে।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা মহাজনসমুদ্রে পরিণত হবে। জনসভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ আশপাশের অন্যান্য জেলা থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটানোর সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে। হয়তো এখানে জায়গার সংকুলান হবে না। সার্কিট হাউস মাঠ শুধু নারী-বোনদের দিয়ে পরিপূর্ণ করতে চাই।’
এ জনসভায় যাতায়াতের সুবিধার্থে রূপসা ঘাট, জেলখানা ঘাটে আটটি ফেরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলার জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবাই যেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে পায়, এ জন্য জনসভাস্থল ও আশপাশের এলাকাগুলোতেও উন্নত মানের সাউন্ড সিস্টেম ও বিশেষ কিছু জায়গায় প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ডিজিটাল স্ক্রিন দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে রূপসা ও ভৈরব নদ খনন, বিমানবন্দর নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু নবথিয়েটার নির্মাণের প্রস্তাব থাকবে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খুলনায় যেসব সমস্যা তৈরি হচ্ছে, সে ব্যাপারে প্রস্তাব থাকবে।
মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর খুলনায় আগমনকে সফল করতে ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে তাঁকে স্বাগত জানাতে শহরের প্রবেশপথসহ প্রধান প্রধান সড়কে তৈরি করা হচ্ছে অসংখ্য তোরণ।
এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, খুলনায় জনসভার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনার ২২টি প্রকল্প উদ্বোধন ও দুটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। প্রকল্পগুলোর তালিকা আগেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
খুলনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো প্রকল্পের তালিকায় (প্রস্তাবিত) রয়েছে মোট ২২টি প্রকল্প। এর মধ্যে গণপূর্ত বিভাগের রয়েছে আটটি ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প রয়েছে ১০টি।

নৌকার আদলেই খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে তৈরি করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা মঞ্চ। এই মঞ্চেই ১৩ নভেম্বর প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা গতকাল বুধবার সকালে এই জনসভাস্থল ও মঞ্চ নির্মাণের কাজ পরিদর্শন করেন। ২০১৮ সালের ৩ মার্চের পর খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে এই জনসভাকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও চাঞ্চল্য লক্ষ করা গেছে। সে জন্য খুলনা মহানগরে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে মহানগরীর প্রায় সব সড়কদ্বীপ ছেয়ে গেছে নেতা-কর্মীদের তোরণ, ফেস্টুন আর ডিজিটাল ব্যানারে।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা মহাজনসমুদ্রে পরিণত হবে। জনসভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ আশপাশের অন্যান্য জেলা থেকে ১০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটানোর সর্বাত্মক প্রস্তুতি চলছে। হয়তো এখানে জায়গার সংকুলান হবে না। সার্কিট হাউস মাঠ শুধু নারী-বোনদের দিয়ে পরিপূর্ণ করতে চাই।’
এ জনসভায় যাতায়াতের সুবিধার্থে রূপসা ঘাট, জেলখানা ঘাটে আটটি ফেরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলার জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সবাই যেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে পায়, এ জন্য জনসভাস্থল ও আশপাশের এলাকাগুলোতেও উন্নত মানের সাউন্ড সিস্টেম ও বিশেষ কিছু জায়গায় প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ডিজিটাল স্ক্রিন দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে রূপসা ও ভৈরব নদ খনন, বিমানবন্দর নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু নবথিয়েটার নির্মাণের প্রস্তাব থাকবে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খুলনায় যেসব সমস্যা তৈরি হচ্ছে, সে ব্যাপারে প্রস্তাব থাকবে।
মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর খুলনায় আগমনকে সফল করতে ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে তাঁকে স্বাগত জানাতে শহরের প্রবেশপথসহ প্রধান প্রধান সড়কে তৈরি করা হচ্ছে অসংখ্য তোরণ।
এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, খুলনায় জনসভার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনার ২২টি প্রকল্প উদ্বোধন ও দুটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। প্রকল্পগুলোর তালিকা আগেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
খুলনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো প্রকল্পের তালিকায় (প্রস্তাবিত) রয়েছে মোট ২২টি প্রকল্প। এর মধ্যে গণপূর্ত বিভাগের রয়েছে আটটি ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প রয়েছে ১০টি।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিষয়ভিত্তিক চিকিৎসক না রেখে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা ও লাইসেন্স না থাকায় ভিশন সেন্টার, রায়পুর চক্ষু হাসপাতাল এবং রায়পুর অন্ধ কল্যাণ চক্ষু হাসপাতাল সিলগালা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
১৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৩ আসন জোটের শরিককে ছেড়ে দিলেও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মন্নান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এলাকাবাসী ও কর্মী সমর্থকদের অবরোধের কারণে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন।
২৫ মিনিট আগে
প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর নাম নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের আদালতে মানহানির মামলা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘আমরা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে সকলের অংশগ্রহণমূলক, স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের ভোটের দিকে তাকিয়ে আছি। আমরা আশা করি, মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে থাকবে।’
১ ঘণ্টা আগে