
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী বাজারে মধ্যরাতে অগ্নিকাণ্ডে ৩৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে বাজার এলাকায় পানির উৎসের সংকট থাকায় আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসকে বেগ পেতে হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে সেনাবাহিনী, পুলিশ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী সহযোগিতা করেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৩৫টি দোকান পুড়ে গেছে। এর মধ্যে ফার্মেসি, জুতা, প্রসাধনী, কাপড়, সেলুন ও স্বর্ণের দোকান রয়েছে। এতে ৪ থেকে ৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

নতুন বোয়ালখালী বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর বলেন, আগুনে ৩৫টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে ব্যবসায়ীদের প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পংকজ বড়ুয়া বলেন, ‘রাত ৩টার দিকে আমরা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করি। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি।’

ঈদের আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৮ ঘণ্টায় এবং উত্তর সিটি করপোরেশন ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল। তবে বাস্তবতা হলো, কোরবানির পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও অপসারণে ব্যর্থ হয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। এই কর্মযজ্ঞ নজরদারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে প্রসব-পরবর্তী ওয়ার্ডের ছয় নবজাতকের মৃত্যুর সঠিক কারণ চার দিন পরও অজানা। তদন্ত কমিটির সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বিশুদ্ধ বাতাস চলাচলের সুবিধাহীন কক্ষটিতে অক্সিজেনস্বল্পতায় এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। সেখানে স্প্লিট এসি রয়েছে, যা ইমারত নির্মাণ বিধিমালার লঙ্ঘন।
৩ ঘণ্টা আগে
ঈদের ছুটির প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর আমের বাজারে। গুটি আমের দাম কমতে কমতে ৭০০ টাকা মণে ঠেকেছে। গোপালভোগ আটকে আছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে হিমসাগরের দাম বাড়তি। শুরুতেই এ আমের মণ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে আমের বাজার এলোমেলো হয়ে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘ঈদের (ঈদুল আজহা) আগের দিন রাতে আমার স্ত্রী সাথী বেগম (২৭) এবং দেড় বছরের ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেম ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যায়। তখন দুই লাশ এবং জীবিত সন্তানকে নিয়ে আমাকে একাই রেললাইন পার হতে হয়েছে। কাঁধে ছিল স্ত্রীর এবং বুকে ছিল সন্তানের লাশ; অন্য হাতে ছিল আমার আরেক মেয়ে এবং শপিং ব্যাগ। কিন্তু আমাকে সাহা
৩ ঘণ্টা আগে