রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির রামগড় ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) সদস্যরা উপজেলার দুর্গম এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। আজ বুধবার সকাল থেকে উপজেলার সোনাইআগা ও যৌথ খামার এলাকার ৪০২ জন দুস্থ পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যে এ চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।
রামগড় ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ও রামগড় জোনের কমান্ডার লে. কর্নেল আবু বকর সিদ্দিক সাইমুম বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমন, চোরাচালান রোধ ও সম্প্রীতি রক্ষার পাশাপাশি রামগড় জোন (৪৩ বিজিবি) কর্তৃক অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সেবামূলক কাজে সব সময় জনগণের পাশে থাকবে।’

খাগড়াছড়ির রামগড় ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের (বিজিবি) সদস্যরা উপজেলার দুর্গম এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। আজ বুধবার সকাল থেকে উপজেলার সোনাইআগা ও যৌথ খামার এলাকার ৪০২ জন দুস্থ পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যে এ চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।
রামগড় ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ও রামগড় জোনের কমান্ডার লে. কর্নেল আবু বকর সিদ্দিক সাইমুম বিনা মূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় অপরাধ দমন, চোরাচালান রোধ ও সম্প্রীতি রক্ষার পাশাপাশি রামগড় জোন (৪৩ বিজিবি) কর্তৃক অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সেবামূলক কাজে সব সময় জনগণের পাশে থাকবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে