
পাহাড়ে বর্ণিল আয়োজনে উদ্যাপিত হয়েছে বুদ্ধপূর্ণিমা। এই উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে আজ রোববার সকালে বুদ্ধস্নান, পঞ্চশীল ও অষ্টশীল প্রার্থনা, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান করেন ভক্তরা।
অনুষ্ঠানে আহিমা মারমা, মং মারমা ও খিংসাই মং মারমা জানান, বুদ্ধের ত্রিস্মৃতিবিজড়িত আজকের দিনটি। এদিনে সব বৌদ্ধধর্মালম্বীর একটি বিশেষ দিন। এ পুণ্যের প্রভাবে বিশ্বের হানাহানি অচিরে বন্ধ হয়ে বিশ্বের সব প্রাণী সুখে থাক, এই কামনা করেন।
বৈশাখী পূর্ণিমা উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ম্রাসাথোয়াই মারমা জানান, সকালে বিহারে পঞ্চশীল গ্রহণ, বুদ্ধপূজা, ফুলপূজা, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, বুদ্ধমূর্তি দান, ভান্তেদের পিণ্ডদানসহ নানা ধরনের দান করা হয়। দুপুরে র্যালি ও সন্ধ্যায় হাজারো প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি য়ংড বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ক্ষেমাসারা মহাথের জানান, আজকের এই বিশেষ দিনটিতে ভগবান বৌদ্ধ পৃথিবীতে জন্ম, বৌদ্ধত্ব ও নির্বাণ লাভ করেন। ত্রিস্মৃতিবিজড়িত আজকের দিনটি বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ দিন। যার কৃপায় পৃথিবীর মানুষ থেকে প্রাণিকুল সুখ–শান্তি লাভ করে।
এদিকে বিকেল সাড়ে ৪টায় য়ংড বৌদ্ধবিহারের মোমবাতি প্রজ্বালন, পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র্যালি উদ্বোধন করেন ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফ মো. আমান হাসান।
র্যালিটি শাপলা চত্বর হয়ে চেঙ্গি স্কোয়ার ঘুরে আবার য়ংড বৌদ্ধবিহারে এসে শেষ হয়। র্যালিতে সদর উপজেলা ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলার বিহারের বৌদ্ধভিক্ষু ও কয়েক হাজার ভক্ত অংশ নেন। এ সময় সদর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল খাদেমুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি) রুমানা আক্তার, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা, বৈশাখী পূর্ণিমা উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ম্রাসাথোয়াই মারমা, বৈশাখী পূর্ণিমা উদ্যাপন কমিটির যুগ্ন আহ্বায়ক কংজপ্রু মারমা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী মহানগরের চন্দ্রিমা থানা এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২১টি ককটেল ও কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এসব বিস্ফোরক ও অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
৩১ মিনিট আগে
কয়েকজন বাসযাত্রী বলেন, যেখানে সিরাজগঞ্জগামী বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে ঈদ উপলক্ষে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন কিছু পরিবহন মালিক।
১ ঘণ্টা আগে
৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী মুন্নি বেগম ও আল আমিন বলেন, ‘সরকার আমাদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে। কিন্তু মেম্বার পাঁচজনকে ৩০ কেজির একটি বস্তা দিয়ে বলেছেন—এর বেশি নেই। আমরা গরিব মানুষ, তাই আর কিছু বলতে পারিনি।’
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি সাদুল্লাপুরে যাচ্ছিলেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তানজিমুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘গোবিন্দগঞ্জে প্রায়ই যানজটের কারণে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ঈদের সময় এই যানজট আরও ভয়াবহ হতে পারে।’
২ ঘণ্টা আগে