ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সালিসে ডেকে জাফর আলী নামের বিএনপির এক কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ উদ্দিন মৃধা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জাফর আলী উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও সামন্তা গ্রামের জীবননগর পাড়ার বাসিন্দা।
মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, একটি গাছের মালিকানা নিয়ে বিএনপির কর্মী জাফর আলীর সঙ্গে স্থানীয় জামায়াত কর্মী আমির মোড়ল, সজীব হোসেন ও আব্বাস আলীর বিরোধ ছিল। বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাফরকে বাড়ি থেকে ডেকে গ্রামের একটি মোড়ে নিয়ে যান তাঁরা। সেখানে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত লোকজন তাঁকে পেটাতে শুরু করে। একপর্যায়ে তিনি মারা যান।
খবর পেয়ে মহেশপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে সামন্তা বাজারে মহেশপুর উপজেলা বিএনপি বিক্ষোভ করেছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহতথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল। তাঁরা দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
নিহত ব্যক্তির ছেলে আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গ্রামের মাঠে আমাদের এক বিঘা জমি ছিল। পাশেই আব্বাস আলীর মেহগনিবাগান। সেই জমি ১৬ বছর আগে মাপামাপি হলে একটি গাছ আমাদের ভাগে পড়ে। এই গাছ তাদের কেটে নিতে বলেছিল আমার বাবা। তারা সেই গাছ না কাটলে ফসলের ক্ষতির শঙ্কায় তখন আমার বাবা গাছটি কেটে ফেলে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন পরিস্থিতি শান্ত ছিল। আমার বাবা টাকা দিতেও চেয়েছিল অনেকবার। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামের একটি বিষয়ে সালিস হবে বলে দুজন বাবাকে ডেকে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী আমিরের বাড়িতে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে একপর্যায়ে আব্বাস আলীর লোকজন মারধর করলে আমার বাবা ঘটনাস্থলে মারা যায়।’
আলমগীর আরও বলেন, ‘আমার বাবা বিএনপি করত। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই। যারা সেখানে ছিল, তারা জামায়াতের রাজনীতি করে।’
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতের আমির ফারুক আহম্মেদ বলেন, জীবননগর পাড়ার আব্বাস আলী ও জাফর আলীর সঙ্গে গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিস বাসানো হয়। তাঁদের দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জাফর মাটিতে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ উদ্দিন মৃধা জানান, প্রতিপক্ষের হামলায় বৃহস্পতিবার রাতে জাফর আলী নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ছেলে আলমগীর বাদী হয়ে থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের নামে মামলা করেছেন। আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সালিসে ডেকে জাফর আলী নামের বিএনপির এক কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ উদ্দিন মৃধা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জাফর আলী উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও সামন্তা গ্রামের জীবননগর পাড়ার বাসিন্দা।
মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, একটি গাছের মালিকানা নিয়ে বিএনপির কর্মী জাফর আলীর সঙ্গে স্থানীয় জামায়াত কর্মী আমির মোড়ল, সজীব হোসেন ও আব্বাস আলীর বিরোধ ছিল। বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাফরকে বাড়ি থেকে ডেকে গ্রামের একটি মোড়ে নিয়ে যান তাঁরা। সেখানে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত লোকজন তাঁকে পেটাতে শুরু করে। একপর্যায়ে তিনি মারা যান।
খবর পেয়ে মহেশপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে সামন্তা বাজারে মহেশপুর উপজেলা বিএনপি বিক্ষোভ করেছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহতথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল। তাঁরা দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
নিহত ব্যক্তির ছেলে আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গ্রামের মাঠে আমাদের এক বিঘা জমি ছিল। পাশেই আব্বাস আলীর মেহগনিবাগান। সেই জমি ১৬ বছর আগে মাপামাপি হলে একটি গাছ আমাদের ভাগে পড়ে। এই গাছ তাদের কেটে নিতে বলেছিল আমার বাবা। তারা সেই গাছ না কাটলে ফসলের ক্ষতির শঙ্কায় তখন আমার বাবা গাছটি কেটে ফেলে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন পরিস্থিতি শান্ত ছিল। আমার বাবা টাকা দিতেও চেয়েছিল অনেকবার। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামের একটি বিষয়ে সালিস হবে বলে দুজন বাবাকে ডেকে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী আমিরের বাড়িতে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে একপর্যায়ে আব্বাস আলীর লোকজন মারধর করলে আমার বাবা ঘটনাস্থলে মারা যায়।’
আলমগীর আরও বলেন, ‘আমার বাবা বিএনপি করত। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার চাই। যারা সেখানে ছিল, তারা জামায়াতের রাজনীতি করে।’
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতের আমির ফারুক আহম্মেদ বলেন, জীবননগর পাড়ার আব্বাস আলী ও জাফর আলীর সঙ্গে গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য গ্রাম্য সালিস বাসানো হয়। তাঁদের দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জাফর মাটিতে পড়ে জ্ঞান হারিয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ উদ্দিন মৃধা জানান, প্রতিপক্ষের হামলায় বৃহস্পতিবার রাতে জাফর আলী নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ছেলে আলমগীর বাদী হয়ে থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের নামে মামলা করেছেন। আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে