ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠির সদর উপজেলার কেফাইতনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা গুলশান আরার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী। আজ রোববার সকালে স্কুলের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত অভিভাবকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। স্কুলের সরকারি বরাদ্দের আর্থিক হিসাব-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেন না। এ ছাড়া, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের হুমকি এবং অন্য স্কুলে পাঠানোর চেষ্টা করেন।
বক্তারা বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছেন। এমন আচরণ করছেন, যাতে আমাদের সন্তানেরা স্কুলে যেতে ভয় পায়। আমরা তার দ্রুত অপসারণ চাই। তা না হলে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে দেব।’
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মো. সবুজ খান, আবুল হোসেন খান, মুসফিক খান, ইলিয়াস পঞ্চায়েত ও মিরাজ হাওলাদারসহ অনেকে। মানববন্ধন শেষে বিদ্যালয় চত্বরে অভিভাবকেরা এক সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভও করেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা গুলশান আরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি নিয়ম মেনেই দায়িত্ব পালন করছি এবং স্কুলের শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক যথাযথভাবে পাঠদান করেন না, নিজেদের ইচ্ছামতো ছুটি নেন এবং বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত। আমি এসব বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছি। ফলে কিছু পক্ষ আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে, আমাকে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে দিতে চাইছে এবং এলাকাবাসীকে বিভ্রান্ত করছে।’
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. শাহিনুল ইসলাম মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুই দিন আগে আমরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন। অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্থানীয় শিক্ষা অফিসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। নিরপেক্ষ তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঝালকাঠির সদর উপজেলার কেফাইতনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা গুলশান আরার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী। আজ রোববার সকালে স্কুলের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত অভিভাবকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। স্কুলের সরকারি বরাদ্দের আর্থিক হিসাব-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেন না। এ ছাড়া, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের হুমকি এবং অন্য স্কুলে পাঠানোর চেষ্টা করেন।
বক্তারা বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করছেন। এমন আচরণ করছেন, যাতে আমাদের সন্তানেরা স্কুলে যেতে ভয় পায়। আমরা তার দ্রুত অপসারণ চাই। তা না হলে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে দেব।’
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মো. সবুজ খান, আবুল হোসেন খান, মুসফিক খান, ইলিয়াস পঞ্চায়েত ও মিরাজ হাওলাদারসহ অনেকে। মানববন্ধন শেষে বিদ্যালয় চত্বরে অভিভাবকেরা এক সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভও করেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা গুলশান আরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি নিয়ম মেনেই দায়িত্ব পালন করছি এবং স্কুলের শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক যথাযথভাবে পাঠদান করেন না, নিজেদের ইচ্ছামতো ছুটি নেন এবং বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত। আমি এসব বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছি। ফলে কিছু পক্ষ আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে, আমাকে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে দিতে চাইছে এবং এলাকাবাসীকে বিভ্রান্ত করছে।’
এ বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. শাহিনুল ইসলাম মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুই দিন আগে আমরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন। অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্থানীয় শিক্ষা অফিসের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। নিরপেক্ষ তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১১ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৫ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২১ মিনিট আগে