ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠিতে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বিএনপির ১৬ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে শহরের আমতলা সড়কে বিএনপির পদযাত্রার কর্মসূচি শেষে তাঁদের আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছেন। তবে জেলা বিএনপি বলছে, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ এই হামলা চালিয়েছে। এতে বিএনপির আট নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তবে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার পুলিশ আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘কেন্দ্র ঘোষিত জেলা বিএনপির পদযাত্রার কর্মসূচি শেষে নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের ওপরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশের ওপরে হামলার অভিযোগে জেলা যুবদলের সদস্যসচিব আনিসুর রহমান খানসহ ১৬ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে।’
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন ঝালকাঠি সদর থানার ওসি ফিরোজ কামাল, উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুর রহমান, এসআই খোকন হাওলাদার, এসআই নজরুল ইসলাম এএসআই শিপন ও কনস্টবল মতিয়ার রহমান। এরা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাবি, কর্মসূচি শেষে দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা অফিসে হামলা চালান। এতে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেনসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের আট নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
এ নিয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘ছাত্রলীগ-যুবলীগ আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। আহত নেতা-কর্মীরা গ্রেপ্তারের আতঙ্কে চিকিৎসাও নিতে পারছেন না। পুলিশের ওপর হামলার মিথ্যা অভিযোগে আমাদের ১৬ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
এই অভিযোগ অস্বীকার করে যুবলীগের আহ্বায়ক জাকির হোসেন বলেন, ‘বিএনপির কর্মসূচিতে আমরা কেন যাব! তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করছে।’

ঝালকাঠিতে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে বিএনপির ১৬ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে শহরের আমতলা সড়কে বিএনপির পদযাত্রার কর্মসূচি শেষে তাঁদের আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছেন। তবে জেলা বিএনপি বলছে, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ এই হামলা চালিয়েছে। এতে বিএনপির আট নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তবে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার পুলিশ আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘কেন্দ্র ঘোষিত জেলা বিএনপির পদযাত্রার কর্মসূচি শেষে নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের ওপরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশের ওপরে হামলার অভিযোগে জেলা যুবদলের সদস্যসচিব আনিসুর রহমান খানসহ ১৬ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে।’
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন ঝালকাঠি সদর থানার ওসি ফিরোজ কামাল, উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুর রহমান, এসআই খোকন হাওলাদার, এসআই নজরুল ইসলাম এএসআই শিপন ও কনস্টবল মতিয়ার রহমান। এরা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাবি, কর্মসূচি শেষে দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা অফিসে হামলা চালান। এতে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেনসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের আট নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
এ নিয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘ছাত্রলীগ-যুবলীগ আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে। আহত নেতা-কর্মীরা গ্রেপ্তারের আতঙ্কে চিকিৎসাও নিতে পারছেন না। পুলিশের ওপর হামলার মিথ্যা অভিযোগে আমাদের ১৬ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
এই অভিযোগ অস্বীকার করে যুবলীগের আহ্বায়ক জাকির হোসেন বলেন, ‘বিএনপির কর্মসূচিতে আমরা কেন যাব! তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করছে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৭ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে