যশোর প্রতিনিধি

যশোরে মাদক মামলায় দুই যুবককে এক বছর করে সাজা দিয়ে বৃক্ষ রোপণ ও মুক্তিযুদ্ধ–বঙ্গবন্ধুর ছবি এঁকে জমাসহ ১০ শর্তে প্রবেশনে মুক্তি দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রবেশন কর্মকর্তাকে ওই ছবি প্রদর্শনীতে প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার অতিরিক্ত দায়রা জজ শিমুল কুমার বিশ্বাসের আদালত এ আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন–রমজানুল ইসলাম সিয়াম (২৪) বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে ও অভয়নগর উপজেলার পোড়াখালী গ্রামের মৃত আক্কাস গাজী শেখের ছেলে শাহিন আলম (২৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি জ্যোৎস্না সাহা পুতুল ও শ্যামল কুমার মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুই জনেই দোষ স্বীকার করায় আদালত তাদের প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে বাড়িতে থেকেই সাজাভোগ করার সুবিধা প্রদান করেছেন।’
শাহিনের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে–নিজের বাড়ি ও সরকারি রাস্তার পাশে গাছ লাগাতে হবে। লিগ্যাল এইড সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। সিয়ামের শর্তের মধ্যে রয়েছে–তিনি বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের দৃশ্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি আঁকবেন, যা প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে জমা দেবেন। পরে ওই চিত্র জেলায় বিভিন্ন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রদর্শনীতে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করবেন প্রবেশন কর্মকর্তা। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন এই তিনটি বই পড়বেন।
আদালত সূত্রে জানা জায়, ২০১৫ সালের ৪ মার্চ রাতে ওই দুই যুবককে আটক করে যশোর সদর পুলিশ ফাঁড়ি সদস্যরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় পুলিশ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
মামলা চলাকালে আসামিরা দোষ স্বীকার করে নিজেদের সংশোধনের সুযোগ প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে প্রতিজ্ঞা করেন। তার প্রেক্ষিতে আজ আদালত দুজনকেই এক বছর করে সাজা প্রদান করে ১০ শর্তে প্রবেশনে মুক্তি দেন।

যশোরে মাদক মামলায় দুই যুবককে এক বছর করে সাজা দিয়ে বৃক্ষ রোপণ ও মুক্তিযুদ্ধ–বঙ্গবন্ধুর ছবি এঁকে জমাসহ ১০ শর্তে প্রবেশনে মুক্তি দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রবেশন কর্মকর্তাকে ওই ছবি প্রদর্শনীতে প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার অতিরিক্ত দায়রা জজ শিমুল কুমার বিশ্বাসের আদালত এ আদেশ দেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন–রমজানুল ইসলাম সিয়াম (২৪) বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে ও অভয়নগর উপজেলার পোড়াখালী গ্রামের মৃত আক্কাস গাজী শেখের ছেলে শাহিন আলম (২৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি জ্যোৎস্না সাহা পুতুল ও শ্যামল কুমার মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুই জনেই দোষ স্বীকার করায় আদালত তাদের প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে বাড়িতে থেকেই সাজাভোগ করার সুবিধা প্রদান করেছেন।’
শাহিনের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে–নিজের বাড়ি ও সরকারি রাস্তার পাশে গাছ লাগাতে হবে। লিগ্যাল এইড সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। সিয়ামের শর্তের মধ্যে রয়েছে–তিনি বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের দৃশ্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি আঁকবেন, যা প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে জমা দেবেন। পরে ওই চিত্র জেলায় বিভিন্ন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রদর্শনীতে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করবেন প্রবেশন কর্মকর্তা। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন এই তিনটি বই পড়বেন।
আদালত সূত্রে জানা জায়, ২০১৫ সালের ৪ মার্চ রাতে ওই দুই যুবককে আটক করে যশোর সদর পুলিশ ফাঁড়ি সদস্যরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় পুলিশ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
মামলা চলাকালে আসামিরা দোষ স্বীকার করে নিজেদের সংশোধনের সুযোগ প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে প্রতিজ্ঞা করেন। তার প্রেক্ষিতে আজ আদালত দুজনকেই এক বছর করে সাজা প্রদান করে ১০ শর্তে প্রবেশনে মুক্তি দেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে