যশোর প্রতিনিধি

যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও যশোরে দেশের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
যশোর বিমানবাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরপর দুই দিন এই তাপমাত্রা দেশের সর্বনিম্ন। এর আগে ২৬ ডিসেম্বর ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ২৭ ডিসেম্বর ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
শীতের দাপটে যশোরের শহর-গ্রামে জনজীবন কাবু হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া দিনমজুর, ছিন্নমূল ও প্রান্তিক মানুষ তীব্র ঠান্ডায় কষ্টে পড়েছেন। এই ঠান্ডাতেও পেটের দায়ে কাজের সন্ধানে বের হচ্ছেন শ্রমজীবীরা। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। তীব্র শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।
শহরের খড়কি এলাকার নির্মাণশ্রমিক রুহুল আমিন বলেন, ‘শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। কাজের জন্য এসে বসে থাকলেও কাজ মিলছে না।’
শহরের রায়পাড়া এলাকার শ্রমজীবী শহিদুল হোসেন বলেন, ‘রাজমিস্ত্রির জোগালি বা শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। কাজের সন্ধানে এসে বসে আছি। শীতের ভেতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে। পেটের দায়ে ঘরের বাইরে বের হয়েছি। কাজ পাব কি না জানি না।’
উপশহর এলাকার রিকশাচালক আলী হোসেন বলেন, ‘শীতে ঘর থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এ জন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয়রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি।’

যশোরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও যশোরে দেশের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
যশোর বিমানবাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরপর দুই দিন এই তাপমাত্রা দেশের সর্বনিম্ন। এর আগে ২৬ ডিসেম্বর ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ২৭ ডিসেম্বর ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
শীতের দাপটে যশোরের শহর-গ্রামে জনজীবন কাবু হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া দিনমজুর, ছিন্নমূল ও প্রান্তিক মানুষ তীব্র ঠান্ডায় কষ্টে পড়েছেন। এই ঠান্ডাতেও পেটের দায়ে কাজের সন্ধানে বের হচ্ছেন শ্রমজীবীরা। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৪০০ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। তীব্র শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।
শহরের খড়কি এলাকার নির্মাণশ্রমিক রুহুল আমিন বলেন, ‘শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। কাজের জন্য এসে বসে থাকলেও কাজ মিলছে না।’
শহরের রায়পাড়া এলাকার শ্রমজীবী শহিদুল হোসেন বলেন, ‘রাজমিস্ত্রির জোগালি বা শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। কাজের সন্ধানে এসে বসে আছি। শীতের ভেতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে। পেটের দায়ে ঘরের বাইরে বের হয়েছি। কাজ পাব কি না জানি না।’
উপশহর এলাকার রিকশাচালক আলী হোসেন বলেন, ‘শীতে ঘর থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এ জন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয়রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শুক্রবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, কুয়াশার কারণে ৯টি ফ্লাইট ডাইভার্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, চারটি ফ্লাইট ভারতের কলকাতা বিমানবন্দরে এবং একটি ফ্লাইট থাইল্যান্ডের ব্যাংকক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।
৩৪ মিনিট আগে
মাদারীপুর জেলার শিবচরে ঘন কুয়াশার মধ্যে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রীবাস, কাভার্ড ভ্যান ও মিনি ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাসের অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বান্দরবানের ৭ উপজেলার মধ্যে ৪টির ৫ ইউনিয়নের দুর্গম এলাকার ১১টি ভোটকেন্দ্রকে হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জাম আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হবে হেলিকপ্টার।
১ ঘণ্টা আগে