যশোর প্রতিনিধি

সুদের টাকা আদায় নিয়ে বিবাদের জেরে যশোরের মহসিনকে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত মেহেদী হাসান লিখনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে তাঁর দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। আজ রোববার রাতে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেন যশোর ডিবি পুলিশের ওসি রুপন কুমার সরকার।
গ্রেপ্তার লিখন যশোর সদর উপজেলার নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল শনিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত ট্যাংক, মহসিনের মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে, গত শুক্রবার সকালে যশোর শহরতলীর বালিয়াডাঙ্গা মানদিয়া জামে মসজিদের পেছন থেকে নুরপুর গ্রামের মছি মণ্ডলের ছেলে নিহত মহসিনের (৪২) অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন মহসিনের ভাই কোরবান আলী।
মেহেদী হাসান লিখনের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে ওসি রুপন কুমার সরকার জানান, লিখন ওই এলাকায় ঈগল হাই ফোর্স অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি পরিচালনা করেন। এ ব্যবসার কাজে চড়া সুদে মহসিনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন লিখন। প্রতি সপ্তাহে তাঁকে দিতে হতো ৩০ হাজার টাকা লাভ। গত বৃহস্পতিবার রাতে লিখনের সুদের সেই টাকা দেওয়ার কথা ছিল মহসিনকে। বিকেলে ওই টাকা নিতে অফিসে যান মহসিন। কিন্তু টাকা দিতে না পারায় লিখনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন মহসিন।
একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে অফিসে থাকা ল্যাপটপের চার্জার কেব্ল দিয়ে মহসিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ একটি ট্রাংকে ভরে নুরপুর থেকে প্রথমে ইজিবাইকে ও পরে ভ্যানে নিয়ে যাওয়া হয় ফতেপুরের মান্দিয়া গ্রামে। যাওয়ার পথে তেলপাম্প থেকে কেনা হয় ডিজেল। এরপর ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে ডিজেল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয় মহসিনের মরদেহ।
ডিবি আরও জানান, বিভিন্ন স্থানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ তাঁরা সংগ্রহ করেন। এরপর মহসিনের মোবাইল ফোনের লোকেশন শনাক্ত করে ফোন উদ্ধার করা হয় লিখনের কাছ থেকে। আজ রোববার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হলে লিখন আদালতে এ হত্যার বিষয়টি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালত জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সুদের টাকা আদায় নিয়ে বিবাদের জেরে যশোরের মহসিনকে হত্যার পর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত মেহেদী হাসান লিখনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে তাঁর দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। আজ রোববার রাতে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেন যশোর ডিবি পুলিশের ওসি রুপন কুমার সরকার।
গ্রেপ্তার লিখন যশোর সদর উপজেলার নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা। গতকাল শনিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে গ্রেপ্তারের পর হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত ট্যাংক, মহসিনের মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে, গত শুক্রবার সকালে যশোর শহরতলীর বালিয়াডাঙ্গা মানদিয়া জামে মসজিদের পেছন থেকে নুরপুর গ্রামের মছি মণ্ডলের ছেলে নিহত মহসিনের (৪২) অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন মহসিনের ভাই কোরবান আলী।
মেহেদী হাসান লিখনের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে ওসি রুপন কুমার সরকার জানান, লিখন ওই এলাকায় ঈগল হাই ফোর্স অ্যান্ড লজিস্টিক সার্ভিস লিমিটেড নামের একটি কোম্পানি পরিচালনা করেন। এ ব্যবসার কাজে চড়া সুদে মহসিনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন লিখন। প্রতি সপ্তাহে তাঁকে দিতে হতো ৩০ হাজার টাকা লাভ। গত বৃহস্পতিবার রাতে লিখনের সুদের সেই টাকা দেওয়ার কথা ছিল মহসিনকে। বিকেলে ওই টাকা নিতে অফিসে যান মহসিন। কিন্তু টাকা দিতে না পারায় লিখনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন মহসিন।
একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে অফিসে থাকা ল্যাপটপের চার্জার কেব্ল দিয়ে মহসিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ একটি ট্রাংকে ভরে নুরপুর থেকে প্রথমে ইজিবাইকে ও পরে ভ্যানে নিয়ে যাওয়া হয় ফতেপুরের মান্দিয়া গ্রামে। যাওয়ার পথে তেলপাম্প থেকে কেনা হয় ডিজেল। এরপর ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে ডিজেল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয় মহসিনের মরদেহ।
ডিবি আরও জানান, বিভিন্ন স্থানের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ তাঁরা সংগ্রহ করেন। এরপর মহসিনের মোবাইল ফোনের লোকেশন শনাক্ত করে ফোন উদ্ধার করা হয় লিখনের কাছ থেকে। আজ রোববার তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হলে লিখন আদালতে এ হত্যার বিষয়টি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালত জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২৯ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
৩৩ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
৩৮ মিনিট আগে