
কয়েক দিন ধরে যশোরে দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ শুক্রবার সেই তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়ায় ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে; যা এ দিন দেশের ও এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এ দিন বেলা ৩টার দিকে এ তাপমাত্রা রেকর্ড করে যশোর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণাধীন আবহাওয়া অফিস।
মার্চ মাসেই তীব্র দাবদাহের কারণে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশেষ করে, এ দিন ঈদের কেনাকাটা করতে আসা মানুষের গরমে নাভিশ্বাস উঠে যায়। তবে দাবদাহে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন রিকশাচালকেরা। চাইলেই গরমে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ নেই তাঁদের। জীবিকার তাগিদে এই তীব্র গরমের মধ্যে কষ্ট করতে হয়। আর গরমের কারণে কমেছে তাঁদের আয়ও। এ ছাড়া তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা প্রাণিকুলে।
শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে এ দিন দুপুরে লোকজনের উপস্থিতি গত কয়েক দিনের চেয়ে কম দেখা গেছে। রেলগেট এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘১০টার পর থেকে আজ রোদের তাপ বেশি বোঝা যায়। দুপুরে সেই তাপমাত্রা দ্বিগুণ হয়। মোটরসাইকেলে করে এক জায়গা থেকে অন্যত্র যাওয়ার পথে সড়কের পিচের গরম মুখে লাগছে।’
আনোয়ার নামের আরেকজন বলেন, ‘দুপুরে জুমার নামাজ পড়তে বাইরে এসে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা। মসজিদের সিঁড়িতে পা রাখা যাচ্ছে না, এমন গরম ছিল।’
শহরের কোর্টমোড় এলাকায় বসেছিলেন রিকশাচালক হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। এত গরমে মানুষ বের হবে কী করে? আমরা পেটের দায়ে বের হয়েছি।’
তবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শহরের মানুষের চলাচল কম দেখা গেলেও ঈদুল ফিতরের কেনাকাটা উপলক্ষে বিকেল ও সন্ধ্যার পরে শহরে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত বছরের ৩০ জুনে ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে তাপমাত্রা। এর আগে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৭২ সালের ১৮ মে। সেদিন রাজশাহীতে তাপমাত্রা ছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের তালিকায় বিশেষ স্থান করে নিয়েছে ‘ফকির কবিরের’ চাক সেমাই। প্রায় ৯০ বছরের ঐতিহ্য ও স্বাদের ধারাবাহিকতায় এখনো জনপ্রিয় এই সেমাই। নগরের চকবাজার এলাকার কাপাসগোলা সড়কের তেলিপট্টির মুখে অবস্থিত মেসার্স ফকির কবির বেকারি।
৬ মিনিট আগে
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় মোট ৩৩টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ১৭টিরই কোনো ধরনের অনুমোদন নেই। জনবসতি এবং এর আশপাশে গড়ে তোলা এসব ভাটা থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসের সঙ্গে মিশে আশপাশের গাছপালা ও কৃষিজমির ক্ষতি করছে।
১৬ মিনিট আগে
লাভের হিসাবই এখন বদলে দিচ্ছে রংপুর অঞ্চলের কৃষির চিত্র। লোকসানে ডুবে থাকা আলুর বদলে নিশ্চিত লাভের আশায় কৃষকেরা ঝুঁকছেন তামাক চাষে। ফলে রংপুর অঞ্চলে বাড়ছে তামাকের আবাদ। কৃষকেরা জানান, এক কেজি তামাক ফলাতে খরচ হয় ৭০-৮০ টাকা, আর বিক্রি হয় ১৭০ থেকে ২১০ টাকায়।
২৬ মিনিট আগে
সাভারের আশুলিয়ায় একটি কুরিয়ার সার্ভিসের চলন্ত গাড়িতে আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিটের চেষ্টায় প্রায় ১ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে