
যশোরের মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে আজ সোমবার সন্ধ্যায়। প্রকাশিত ফলাফলের তালিকায় ৫৫ নম্বর ক্রমিকে এক ছেলে শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হয় গত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ৬০টি আসনের বিপরীতে ১৬৭ জন শিক্ষার্থী অনলাইনে ভর্তির আবেদন করে। আজ সন্ধ্যায় লটারির মাধ্যমে ভর্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়।
তালিকায় বালকের নাম আসা বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তিসংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত শিক্ষক সুমন ঘোষ বলেন, ‘আজ সন্ধ্যায় ঢাকা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে লটারির মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফলের কপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছ থেকে স্বাক্ষর করে এনে বিদ্যালয়ের দেয়ালে সাঁটা হয়েছে। একটি বালক চান্স পাওয়ার বিষয়টি প্রথমে আমরা খেয়াল করিনি। পরে জানতে পেরেছি।’
ওই শিক্ষক আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন অনলাইনে করে। এখানে আমাদের কোনো হাত নেই। ছেলেটির পরিবার অনলাইনে আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের সময় ভুল করে বালক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে বালিকা বিদ্যালয়ের নাম আবেদনে যুক্ত করে থাকতে পারে। অথবা লিঙ্গ নির্ধারণের সময় ভুল হয়েছে।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘ঢাকায় শিক্ষামন্ত্রী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে আজ ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়ে মেয়েদের মধ্যে একটি ছেলের নাম আসার বিষয়টি আমার জানা নেই। ফলাফল আমি ওভাবে এখনো দেখিনি।’
মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ইউএনও কবির হোসেন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’
বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তির তালিকায় থাকা শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদের বাবা আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমার ছেলের নাম বালিকা বিদ্যালয়ের তালিকায় আসার খবর আমি জানি না। আমার ছেলে প্রভাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাকসুদুর রহমানকে দিয়ে আমি ছেলের ভর্তির আবেদন করেছিলাম।’

যশোরের মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে আজ সোমবার সন্ধ্যায়। প্রকাশিত ফলাফলের তালিকায় ৫৫ নম্বর ক্রমিকে এক ছেলে শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হয় গত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ৬০টি আসনের বিপরীতে ১৬৭ জন শিক্ষার্থী অনলাইনে ভর্তির আবেদন করে। আজ সন্ধ্যায় লটারির মাধ্যমে ভর্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়।
তালিকায় বালকের নাম আসা বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তিসংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত শিক্ষক সুমন ঘোষ বলেন, ‘আজ সন্ধ্যায় ঢাকা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে লটারির মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফলের কপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছ থেকে স্বাক্ষর করে এনে বিদ্যালয়ের দেয়ালে সাঁটা হয়েছে। একটি বালক চান্স পাওয়ার বিষয়টি প্রথমে আমরা খেয়াল করিনি। পরে জানতে পেরেছি।’
ওই শিক্ষক আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন অনলাইনে করে। এখানে আমাদের কোনো হাত নেই। ছেলেটির পরিবার অনলাইনে আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের সময় ভুল করে বালক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে বালিকা বিদ্যালয়ের নাম আবেদনে যুক্ত করে থাকতে পারে। অথবা লিঙ্গ নির্ধারণের সময় ভুল হয়েছে।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‘ঢাকায় শিক্ষামন্ত্রী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে আজ ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়ে মেয়েদের মধ্যে একটি ছেলের নাম আসার বিষয়টি আমার জানা নেই। ফলাফল আমি ওভাবে এখনো দেখিনি।’
মনিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ইউএনও কবির হোসেন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারব।’
বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তির তালিকায় থাকা শিক্ষার্থী আব্দুল আহাদের বাবা আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমার ছেলের নাম বালিকা বিদ্যালয়ের তালিকায় আসার খবর আমি জানি না। আমার ছেলে প্রভাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাকসুদুর রহমানকে দিয়ে আমি ছেলের ভর্তির আবেদন করেছিলাম।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে