
আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যশোর-খুলনা, যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কে যানজট ও ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে এই দুই মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল ও যানজটের চিত্র দেখা গেছে। পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিভিন্ন স্থানে সংস্কারকাজ চলমান থাকা, ভাঙাচোরা রাস্তা, অবৈধ যানবাহনের চলাচল এবং বাজার ও বাসস্ট্যান্ডের অনিয়ন্ত্রিত অবস্থার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও মহাসড়ক দুটিতে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি হবে বলে স্বীকার করেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ বাজার, থ্রি-হুইলার ও ধীরগতির যানবাহনের অবাধ চলাচল যানজটের অন্যতম কারণ। এ ছাড়া কোথাও কোথাও সড়ক প্রশস্তকরণ ও মেরামতের কাজ চলায় যানবাহন ধীরগতিতে চলতে বাধ্য হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যশোর-খুলনা মহাসড়কের বসুন্দিয়া অংশে দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে গত ডিসেম্বর থেকে রিজিট (ঢালাই) কাজ চলছে। যে কারণে মহাসড়কের এক পাশ খোঁড়া রয়েছে। ব্যস্ত এ রাস্তাটির এক পাশ বন্ধ করে অন্য পাশ দিয়ে যান চলাচল করছে। এতে সব সময়ই যানজট লেগে থাকছে। ঈদযাত্রায় এ জট তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়ক বর্তমানে ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। মহাসড়কটিকে ছয় লেনে উন্নীত করার বৃহৎ প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলায় সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বেহাল পরিস্থিতি। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী, চালক ও পণ্য পরিবহনকারী যানবাহনের জন্য এই মহাসড়ক এখন কার্যত মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কটি যশোরের চাঁচড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত। দেশের খুলনা অঞ্চলের সঙ্গে রাজশাহী ও উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ স্থাপনকারী এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার বাস, ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু কয়েক বছর ধরে চলমান উন্নয়নকাজের ধীরগতির কারণে সড়কটির বিভিন্ন অংশে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত, উঠে গেছে পিচ, কোথাও কোথাও রাস্তার ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়েছে। ঈদযাত্রায় এই সড়কটি মহাভোগান্তির কারণ হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী ট্রাকচালক সালাম হোসেন বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। গর্তে পড়ে গাড়ির স্প্রিং ভেঙে যাচ্ছে। অন্যান্য যন্ত্রাংশও নষ্ট হচ্ছে। তবু জীবিকার তাগিদে এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছি। সময়মতো মালামাল পৌঁছানো যায় না, দুর্ঘটনার ভয় সব সময়ই থাকে।’
স্থানীয় রিপন মিয়া বলেন, ‘প্রতিদিনই দুর্ঘটনা দেখতে পাই। ট্রাক উল্টে যাচ্ছে, মোটরসাইকেল পড়ে যাচ্ছে। বর্ষাকালে গর্তে পানি জমে রাস্তা আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। আবার শুকনো মৌসুমে ধুলাবালির কারণে মানুষের শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিচ্ছে। এত বড় প্রকল্প হলেও কাজের অগ্রগতি খুবই ধীর, আমরা জানি না কবে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাব।’
তবে এই অঞ্চলের যশোর-বেনাপোল, যশোর-সাতক্ষীরা, যশোর-মাগুরা, যশোর-নড়াইল মহাসড়কে খানাখন্দ ও মেরামতকাজ না থাকায় ঈদযাত্রায় কোনো সমস্যা হবে বলে না বলে জানিয়েছে যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া বলেন, যশোর-খুলনা মহাসড়কের বসুন্দিয়া অংশে ঢালাইকাজ চলমান। ঈদের আগে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। এখানে ঈদযাত্রায় যানজট হবে।
যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়কের বিষয়ে কিবরিয়া বলেন, এ মহাসড়কের অবস্থাও নাজুক। একটি প্রকল্পের মাধ্যমে এই সড়কে সংস্কারকাজ চলমান। যে কারণে ঈদে এ মহাসড়কেও যানজট হবে। তবে যশোরের অন্য মহাসড়ক ও আঞ্চলিক মহাসড়কগুলোতে যানজট হবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

লালমনিরহাট জেলার ১০০ কিলোমিটার রেলপথে ১২২টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এর মধ্যে অনুমোদিত ৯২টি এবং অনুমোদনহীন রয়েছে ৩০টি। কিন্তু অনুমোদিত ক্রসিংগুলোর মধ্যে মাত্র গেটম্যান রয়েছে ৩২টিতে। বাকি ৬০টিতেই কোনো গেটম্যান নেই। ফলে অরক্ষিত এসব স্থানে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
৪০ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারে গত চার দিন বৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎ না থাকায় চা-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এতে চা-পাতার গুণাগুণ নষ্টসহ লোকসানের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত সময়ে বিদ্যুৎ-ব্যবস্থার উন্নয়ন না করা হলে চরমভাবে ব্যাহত হবে চা-পাতার প্রক্রিয়াজাত।
১ ঘণ্টা আগে
বছরে দুবার ধান হয়, একবার টমেটো—এমন তিন ফসলি জমি প্রতিবিঘা বছরে লিজ দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৭৫০ টাকা দরে। এমন ৭০ বিঘা জমি লিজ দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন ও এলাকায় যে প্রচার চালানোর কথা সেটা করা হয়নি।
৩ ঘণ্টা আগে
খুলনার খালিশপুরের সন্ত্রাসী সোনা মিয়া হত্যা মামলার মূল আসামি কানা বেল্লাল (২৪) ও তাঁর সহযোগী সাকিব শেখকে (২২) ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গত বুধবার সন্ধ্যায় নগরীর ছোট বয়রা এলাকার আমেনা মঞ্জিলের সামনে থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে